স্টাফ রিপোর্টার:যশোর নিউমার্কেটের গোলমার্কেট ভাঙ্গার পর তার পাশে গড়ে উঠা অস্থায়ী দোকান মালিকদের নিকট থেকে এহসানুর রহমান লিঠু ও সৈয়দ মুনসুর আলম গত ৫ই আগষ্টের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দুই কোটি সত্তর লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
জানা যায়,গত ইংরেজি ২০১৬ সালে যশোর হাউজিং কর্ত্তৃপক্ষ ঐতিহ্যবাহি যশোর নিউমার্কেটের গোলমার্কেট টি উন্নত মার্কেটে রুপান্তরের লক্ষে পুরাতন মার্কেট ভেঙে ফেললে সেখানে অবস্থিত বিভিন্ন দোকান এবং অফিসের মালিকরা খুব অসহায় হয়ে পড়ে ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিঠু এবং তার সন্ত্রাসি বাহিনীর প্রধান সৈয়দ মুনসুর আলমের সান্নিধ্যে যেয়ে অনুরোধ জানান যে নির্মানাধীন মাকেটের পাশে মহাসড়ক লাগোয়া সি এম বির জমিতে অস্থায়ী ভিত্তিতে দোকান পাট করার ব্যবস্থা করার সুযোগ করে দিলে সকলে নিজ খরচে দোকান নির্মান করে তাদের ব্যবসা জীবন-জিবিকা নির্বাহ করতে পারতো নতুবা তাদের খুব সমস্যা। সুযোগ বুঝে পরসম্পদ লোভী সাবেক চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিঠু এবং তার বাহিনী প্রধান মুনসুর আলম অসহায় দোকান মালিকদেরকে জানায় আমরা যশোর হাউজিং এস্টেটের কর্তৃপক্ষর সাথে আপনাদের সমস্যার কথা জানিয়েছি
উনারা আমাকে জানিয়েছেন যে,উল্লেখিত স্থানে দোকান নির্মান করতে হলে প্রতিটা দোকানের জায়গার পরিমাণ হিসাবে ১ লাখ থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা অগ্রীম দিতে হবে এবং দোকান ভেদে ভাড়া দিতে হবে ৫০০০/-টাকা থেকে শুরু করে ১০০০০/-টাকা পর্যন্ত, তবে আপনারা যে টাকা অগ্রিম দিবেন সেই টাকার চুক্তিপত্র থাকবে।
পরবর্তীতে ঐতিহ্যবাহী গোলমার্কেট যখন নতুন আঙ্গিকে চালু হবে তখন আপনাদের অস্থায়ী দোকান গুলো নিজ খরচে ভেঙে নিতে হবে তখন আপনাদের অগ্রীম টাকা ফেরত দেওয়া হবে, সে হিসাবে সকলের নিকট থেকে অগ্রীম টাকা গ্রহন করে চুক্তিপত্র আজ দিব কাল দিব করে কখনও করে দেয়নি পরবর্তীতে প্রতিমাসে ৩৭ টি দোকান থেকেই প্রতি মাসে কোনো রশিদ ছাড়া মৌখিক আলোচনা হিসাবে এহসানুর রহমান লিঠু তার বাহিনীর প্রধান সৈয়দ মুনসুর আলম তার সদস্যদের দিয়ে ভাড়া আদায় করেছে,
সর্বসাকুল্যে ৫ ই আগস্টের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দোকান দারদের নিকট থেকে আনুমানিক দুই কোটি সত্তর লাখ টাকা তসরুপ করেছে।
এ বিষয়ে ততকালীন যশোর হাউজিং এস্টেটের কর্মকর্তা দিপক বাবু লোকসমাচার কে মুঠো ফোনে জানিয়েছেন, গোলমার্কেটের পাশে অস্থায়ী ভিত্তিতে গড়ে ওঠা দোকান মালিকদের সাথে যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন কখনও হয়নি,তবে আমাদের কাছে সেসময় অনেকে অভিযোগ করেছিল ওখানে প্রচুর আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে সাবেক চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিঠু এবং সৈয়দ মুনসুর আলম সকল দোকান গুলো নির্মানে ভূমিকা রাখছে এবং প্রতিনিয়ত প্রত্যেকেরই ভাড়া দিতে হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোকান মালিক রা, এ প্রতিনিধিকে জানাই, এহসানুর রহমান লিঠু এবং মুনসুর আলম তাদের সকলের নিকট থেকে দোকান করার পূর্বে অগ্রিম টাকা নিয়ে কাউকে কোন লেখাপড়া করে দেয়নি অথচ টাকা নেওয়ার আগে বলেছিল যে অগ্রিম টাকা নেওয়া হবে সে সমস্ত টাকা ফেরত দিবে। যখন দোকানের ভাড়া নিবে তখন প্রত্যেকের ভাড়ার রশিদ দেবে। পরবর্তীতে আমাদের সকলের কাছ থেকে এ পর্যন্ত দুই কোটি ৭০ লাখ টাকা নিয়ে হাওয়া এখন ধরাছোঁয়ার বাইরে।
সাবেক চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিঠুকে মুঠো ফোনে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে এ প্রতিনিধিকে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি।
সাবেক চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিঠুর দূর্নিতীর সংবাদ চলমান থাকবে





















