স্টাফ রিপোর্টার:যশোর গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা তুহিন অদৃশ্য ক্ষমতার দাপটে ৫০০ এর অধিক গাছ বিক্রি করে আনুমানিক ৫০-৬০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
জানা যায়, উপশহর ইউনিয়ন পরিষদে ১৯৭৩ সাল হতে এ পর্যন্ত হাবিবুর রহমান হবি ৩ বার জনগণের ভোটে সন্মানিত চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। উনি চেয়ারম্যান থাকাকালীন ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের সর্বত্র বহু বৃক্ষ রোপণ করেন,উপশহরের গর্ব ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান,যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি যশোর জেলা পিপি এ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু সাহেবের আমলেও ইউনিয়ন ব্যাপি অগনিত গাছ লাগান পরিবেশ সুন্দর ও ভারসাম্য বজায় রাখার চিন্তা করে। উপশহরের কৃতি সন্তান সকলের শ্রদ্ধেয় মরহুম খালেক ,মিজানুর রহমান খান, মোঃ আজগর পরিবেশ ভালো রাখার কথা চিন্তা করে পরিষদে চেয়ারম্যান থাকাকালীন প্রচুর গাছ লাগান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বিশ্বস্ত সূত্র প্রতিনিধিকে জানান,তুহিন সাহেব এস ও হিসেবে যশোর জাতীয় গৃহায়ণ উপ-বিভাগীয় অফিসে দ্বায়িত্ব পালনের শুরু থেকে ২০২২ সালে বগুড়ায় বদলি হওয়ার আগ মুহূর্তে অফিস আদেশ ছাড়া অদৃশ্য শক্তি খাটিয়ে ৫০০ এর অধিক গাছ কেটে বিক্রি করে ৫০-৬০ লাখ টাকা বিক্রি করে ১ নম্বর সেক্টরের ৩৮ নম্বরের ৫ কাঠা প্লট টি ক্রয় করে। এ সকল বিষয়ে জানাজানি হলে বিভাগীয় এক্সেন,এস ই,এস ডি রেজওয়ান নিজেদের কিছুটা দায় এড়ানোর জন্য উপর মহলে সুপারিশ করে রাজশাহীতে বদলি করে কিন্তু বগুড়াতে তুহিন সাহেবের উপরি ইনকাম শূন্যের কোঠায় ঠেকে এ কারণে আবার অদৃশ্য শক্তির শরণাপন্ন হয়ে ছেলে অসুস্থ কলকাতা নিতে হবে চিকিৎসা করানোর জন্য এমন সব মিথ্যে বাহানা খাড়া করে ২০২৪ সালে পুনরায় যশোরে ফিরে এসে একের পর এক দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য, প্লট মাপা থেকে থেকে শুরু করে যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের বরাদ্ধের জমিতে বসবাসকারী যেকেহ যেকোন সেবা নিতে গেলে প্রত্যেককেরই ঘুষ দিতে হয়,এমনকি অফিসে তার অধীনস্ত কর্মচারীদের ও তাকে তার দাবি মিটিয়ে চাকরি করতে হয় নতুবা চাকরি হারানোর ভয় দেখায় এবং দুর্গম এলাকায় বদলী করিয়া দিবে ভয় দেখায়। অবৈধ সরকারের আমলে অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ দেওয়া এবং যারা প্লট বরাদ্দ পাওয়ার দাবিদার তাদের পক্ষ থেকে সেই প্লট গুলো বাতিলের জন্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল হওয়ার পরও যারা অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ পেয়েছে তাদের থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে ভাড়াটিয়া মস্তান দিয়ে ৪০ বছর যাবত বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যশোর গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ,ইমাদুল ইসলাম তুহিন সাহেবের মুঠোফোনে কল করে জানার জন্য কল দিলে তার ফোনের সুইস বন্ধ দেখায়।





















