নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর সদর উপজেলার উপশহর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। জিডি নং- ৭৭৬
জিডি সূত্রে জানা গেছে, বিরামপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শরীফ আল আমিনের সঙ্গে সুমাইয়া পুতুল (৩৫), হাদি উজ্জামান চিমা (৫০), রাশেদ (৩০) ও পাপ্পু (৩৬) সহ আরও কয়েকজনের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। অভিযোগকারী শরীফ আল আমিনের দাবি, এই বিরোধের জেরে বিবাদীরা তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি প্রদান করে আসছিলেন।
গত ১০ মে সকালে আনুমানিক ১০:৩০ ঘটিকায় বিরামপুর গাবতলা মোড় এলাকায় অবস্থানকালে বিবাদীরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করেছেন।
ভুক্তভোগী শরীফ আল আমিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা হয়েছে। থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাসুম খান জিডিটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই অনুপ কুমার মন্ডলকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। বর্তমানে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দেখছে।
উল্লেখ্য, গতকাল জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযানে উদ্ধার হওয়া জমিটি নিয়ে বেরিয়ে আসছে দীর্ঘ বঞ্চনার ইতিহাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমিটির প্রকৃত মালিক শরিফ আলামিন শুভর পরিবার হলেও দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এটি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছিলেন হাদিউজ্জামান চিমা যুবলীগ নেতা হওয়ার সুবাদে চিমা তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘ দুই দশক জমিটি জবরদখল করে রাখেন। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার দাপটে প্রকৃত মালিকরা বারবার চেষ্টা করেও জমিটি উদ্ধার করতে পারেননি।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গতকাল জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয় এবং জমিটি দখলমুক্ত করে। তবে উচ্ছেদ অভিযানের পর থেকেই এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা বিরাজ করছে।



















