ঢাকা ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী উত্তরে তাবিথ-দক্ষিণে ইশরাক চূড়ান্ত

  • আপডেট সময়: ০৯:০০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ১২৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। উত্তরে তাবিথ আউয়াল ও দক্ষিণে প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে দলীয় মনোনয়ন দিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

আজ সন্ধ্যায় দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এ দুই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।

তবে কাউন্সিলর পদে একক প্রার্থী সমর্থন করা নিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে দলটি। কারণ এ পদে (সংরক্ষিত নারীসহ) ১৭২ ওয়ার্ডের বিপরীতে ৪৭৬ জন দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে উত্তর ও দক্ষিণের সাধারণ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করতে তিনটি পৃথক বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

এদিকে কাউন্সিলর প্রার্থীরা বিএনপির সমর্থন পেতে লবিং-তদবির শুরু করেছেন। তারা ভিড় করছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়, মহাসচিবের বাসা, স্থায়ী কমিটিসহ প্রভাবশালী নেতাদের বাসা এবং দলের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। বিগত দিনে আন্দোলন-সংগ্রামে নিজের অংশগ্রহণ ও ভূমিকার প্রমাণ তুলে ধরছেন নেতাদের কাছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কাউন্সিলর পদে প্রতিটি ওয়ার্ডে একক প্রার্থী সমর্থন দিতে উত্তরে সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাছাই কমিটির সমন্বয়কারী করা হয়েছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানকে ও দক্ষিণের সমন্বয়কারী করা হয়েছে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালামকে। আর সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীদের মনোনয়নের জন্য দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানকে সমন্বয়কারী করা হয়েছে। সাত সদস্যবিশিষ্ট কমিটিগুলো আজকের মধ্যে কাউন্সিলর পদে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না, এটা প্রমাণিত। এবারও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। গণতান্ত্রিক দল হিসেবে আমরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। ভোট সুষ্ঠু হলে বিএনপির প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হবেন। মেয়র প্রার্থী নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, আগ্রহীরা ফরম সংগ্রহ করেছেন। দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকে প্রার্থী ঠিক করা হবে।

শুক্রবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলের বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন ও নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণে মেয়র পদে একক প্রার্থী হিসেবে প্রয়াত মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন মনোনয়ন ফরম জমা দেন।

এ তিন প্রার্থী বৃহস্পতিবার দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। বিকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে তারা ফরম জমা দেন। আজ মনোনয়নপ্রত্যাশীদের গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাক্ষাৎকার হবে। এরপর দলের পার্লামেন্টারি বোর্ড প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন।

এছাড়া গত ৩ দিনে দুই সিটিতে কাউন্সিলর পদে ৪৭৬টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়। জমাও পড়েছে ৪৭৬টি।

এর মধ্যে উত্তরের ৫৪টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬২ ও ১৮টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদের বিপরীতে ৩৪টি মনোনয়ন ফরম জমা পড়েছে। দক্ষিণের ৭৫টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২২০টি ও ২৫টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

এদিকে ওয়ার্ডের বিপরীতে তিনগুণ ফরম বিক্রি হওয়ায় একক প্রার্থী মনোনয়নে বেকায়দায় পড়েছে বিএনপি। অতীতে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও নিজ এলাকায় জনপ্রিয়তা দেখে একক প্রার্থী বাছাইয়ে ‘কাউন্সিলর বাছাই কমিটি’কে নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপি হাইকমান্ড।

অন্যদিকে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে কাউন্সিলর প্রার্থীরা বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। আবার নেতাদের চোখে পড়ার জন্য বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে শোডাউনও করছেন অনেকে।

কাউন্সিলর পদে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী বলেন, অনেকে আছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে দলে নিষ্ক্রিয়, নেতাকর্মীদের কোনো খোঁজখবর নেননি, কেউ কেউ বিদেশেও ছিলেন, এখন হঠাৎ করে বিএনপির সমর্থনে কাউন্সিলর প্রার্থী হতে চাচ্ছেন। এদের বিষয়ে দলের সতর্ক থাকা উচিত। যারা ত্যাগী ও পরীক্ষিত, শত মামলা মাথায় নিয়েও নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন, নিজ এলাকায়ও জনপ্রিয় তাদের মনোনয়ন দেয়া উচিত।

তারা আরও বলেন, ঢাকা মহানগরের কিছু নেতা কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন বাণিজ্যেও নেমেছেন। তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বাছাই কমিটির প্রতি অনুরোধও জানান।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির বলেন, দলের জন্য কাজ করছি। রাজপথে ছিলাম। আমি দলের সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। নির্বাচনের দিন ভোট গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকবেন বলেও জানান তিনি।

উত্তরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের মনোনয়নপ্রত্যাশী রামপুরা থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ দুলু বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী দেয়া উচিত। যাদের সঙ্গে জনসাধারণের সম্পর্ক রয়েছে। দল থেকে তিনি মনোনয়ন পাবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনোনয়নপ্রত্যাশী জোবায়ের আহমেদ পলাশ বলেন, আমি বিএনপির রাজনীতিতে একজন নিবেদিত কর্মী। সে ক্ষেত্রে বিএনপি আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে আশা করছি। সৎ, নিষ্ঠাবান ও দলের জন্য যারা কাজ করেন তাদের মনোনয়ন দেয়া উচিত।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী উত্তরে তাবিথ-দক্ষিণে ইশরাক চূড়ান্ত

আপডেট সময়: ০৯:০০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। উত্তরে তাবিথ আউয়াল ও দক্ষিণে প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে দলীয় মনোনয়ন দিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

আজ সন্ধ্যায় দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এ দুই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।

তবে কাউন্সিলর পদে একক প্রার্থী সমর্থন করা নিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে দলটি। কারণ এ পদে (সংরক্ষিত নারীসহ) ১৭২ ওয়ার্ডের বিপরীতে ৪৭৬ জন দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে উত্তর ও দক্ষিণের সাধারণ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করতে তিনটি পৃথক বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

এদিকে কাউন্সিলর প্রার্থীরা বিএনপির সমর্থন পেতে লবিং-তদবির শুরু করেছেন। তারা ভিড় করছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়, মহাসচিবের বাসা, স্থায়ী কমিটিসহ প্রভাবশালী নেতাদের বাসা এবং দলের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। বিগত দিনে আন্দোলন-সংগ্রামে নিজের অংশগ্রহণ ও ভূমিকার প্রমাণ তুলে ধরছেন নেতাদের কাছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কাউন্সিলর পদে প্রতিটি ওয়ার্ডে একক প্রার্থী সমর্থন দিতে উত্তরে সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাছাই কমিটির সমন্বয়কারী করা হয়েছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানকে ও দক্ষিণের সমন্বয়কারী করা হয়েছে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালামকে। আর সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীদের মনোনয়নের জন্য দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানকে সমন্বয়কারী করা হয়েছে। সাত সদস্যবিশিষ্ট কমিটিগুলো আজকের মধ্যে কাউন্সিলর পদে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না, এটা প্রমাণিত। এবারও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। গণতান্ত্রিক দল হিসেবে আমরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। ভোট সুষ্ঠু হলে বিএনপির প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হবেন। মেয়র প্রার্থী নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, আগ্রহীরা ফরম সংগ্রহ করেছেন। দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকে প্রার্থী ঠিক করা হবে।

শুক্রবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলের বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন ও নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণে মেয়র পদে একক প্রার্থী হিসেবে প্রয়াত মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন মনোনয়ন ফরম জমা দেন।

এ তিন প্রার্থী বৃহস্পতিবার দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। বিকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে তারা ফরম জমা দেন। আজ মনোনয়নপ্রত্যাশীদের গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাক্ষাৎকার হবে। এরপর দলের পার্লামেন্টারি বোর্ড প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন।

এছাড়া গত ৩ দিনে দুই সিটিতে কাউন্সিলর পদে ৪৭৬টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়। জমাও পড়েছে ৪৭৬টি।

এর মধ্যে উত্তরের ৫৪টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬২ ও ১৮টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদের বিপরীতে ৩৪টি মনোনয়ন ফরম জমা পড়েছে। দক্ষিণের ৭৫টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২২০টি ও ২৫টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

এদিকে ওয়ার্ডের বিপরীতে তিনগুণ ফরম বিক্রি হওয়ায় একক প্রার্থী মনোনয়নে বেকায়দায় পড়েছে বিএনপি। অতীতে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও নিজ এলাকায় জনপ্রিয়তা দেখে একক প্রার্থী বাছাইয়ে ‘কাউন্সিলর বাছাই কমিটি’কে নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপি হাইকমান্ড।

অন্যদিকে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে কাউন্সিলর প্রার্থীরা বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। আবার নেতাদের চোখে পড়ার জন্য বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে শোডাউনও করছেন অনেকে।

কাউন্সিলর পদে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী বলেন, অনেকে আছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে দলে নিষ্ক্রিয়, নেতাকর্মীদের কোনো খোঁজখবর নেননি, কেউ কেউ বিদেশেও ছিলেন, এখন হঠাৎ করে বিএনপির সমর্থনে কাউন্সিলর প্রার্থী হতে চাচ্ছেন। এদের বিষয়ে দলের সতর্ক থাকা উচিত। যারা ত্যাগী ও পরীক্ষিত, শত মামলা মাথায় নিয়েও নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন, নিজ এলাকায়ও জনপ্রিয় তাদের মনোনয়ন দেয়া উচিত।

তারা আরও বলেন, ঢাকা মহানগরের কিছু নেতা কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন বাণিজ্যেও নেমেছেন। তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বাছাই কমিটির প্রতি অনুরোধও জানান।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির বলেন, দলের জন্য কাজ করছি। রাজপথে ছিলাম। আমি দলের সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। নির্বাচনের দিন ভোট গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকবেন বলেও জানান তিনি।

উত্তরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের মনোনয়নপ্রত্যাশী রামপুরা থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ দুলু বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী দেয়া উচিত। যাদের সঙ্গে জনসাধারণের সম্পর্ক রয়েছে। দল থেকে তিনি মনোনয়ন পাবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনোনয়নপ্রত্যাশী জোবায়ের আহমেদ পলাশ বলেন, আমি বিএনপির রাজনীতিতে একজন নিবেদিত কর্মী। সে ক্ষেত্রে বিএনপি আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে আশা করছি। সৎ, নিষ্ঠাবান ও দলের জন্য যারা কাজ করেন তাদের মনোনয়ন দেয়া উচিত।