স্টাফ রিপোর্টার:যশোর সদর উপজেলার খাজুরা,ইছালি,শ্যামনগর এলাকার রমরমা মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত তথ্য সাংবাদিক কে দেয়ায় তথ্য দাতাকে প্রাণনাশের হুমকি কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি।
কোতোয়ালি মডেল থানায় হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে জানাযায়,গত ১৪/০৮/২০২৫ ইংরেজি তারিখে যশোর সদর উপজেলার দিয়াড়া দত্তপাড়ার বাসিন্দা উর্মিলার বাড়ি থেকে একই উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের স্বপন এবং তার স্ত্রী এক ভরির ঊর্ধ্বে স্বর্ণালংকার চুরি করে।
ভুক্তভোগী এ প্রতিনিধিকে জানায়, উল্লেখিত ঘটনা ঘটার পর শ্যামনগর গ্রামে স্বপনের পাড়ায় স্থানীয় ভাবে সালিশ অনুষ্ঠিত হয় এবং সেই শালিশে সকলের সামনে স্বপন এবং তার স্ত্রী স্বর্ণালংকার চুরি করেছে স্বীকার করে অতঃপর সালিশে মীমাংসা হয় স্বর্ণালংকার সমতুল্য অর্থ ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করবে।
টাকা পরিশোধের সময় পার হলে টাকা না পেয়ে ভুক্তভোগী উর্মিলা তার ভাই দৈনিক লোক সমাচার অফিসের স্টাফ রবিনকে অবগত করে। রবিন এ প্রতিবেদক কে জানায়,
এ বিষয়ে উল্লেখিত ঘটনার যারা উপস্থিত হয়ে সালিশ করেছিল তাদের জানালে, বিবাদী স্বপন রমরমা মাদক ব্যবসায়ী মিলন কুমার দাস পিতা মৃত মনোরঞ্জন দাস খাজুরা মেইন বাস স্ট্যান্ড দাস পাড়া,একসময়ের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা মোহিতনাথের শীর্ষ অনুসারী রমরমা মাদক ব্যবসায়ী সমগ্র দাস,পিতা শশধর গোঁসাই দাস,ইছালি মনোহরপুর,সম্রাট দাস, পিতা মৃত হরেন দাস, সাধন কুমার দাসকে জানায় তারা সকলে উপশহর এলাকায় রবিনকে খুঁজতে আসে এবং সেখানে তার ছবি নিয়ে লোকজন কে দেখায় না পেয়ে গত ১৪/০৮/২০২৫ ইংরেজি তারিখ দুপুর ১ টার দিকে ফোনের মাধ্যমে কল করে খুন যখমের হুমকি দেয়। এমতাবস্থায় রবিন পরের দিন কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি করে যার নম্বর ১৩৩৬।
রবিন প্রতিনিধিকে আরও জানায় ১৩৩৬ নম্বর জিডিতে যে সকল বিবাদী গন তাকে ফোনের মাধ্যমে হুমকি দিয়েছিল তারা ভিন্ন এলাকার বাসিন্দা হলেও তাদের মাদক ব্যবসার সূত্র এক এবং একই সিন্ডিকেটে অনেক বছর যাবত ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এমন তথ্য লোকসমাচারকে দিলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে উল্লেখিত তিনটি এলাকায় তথ্য যাচাই-বাছাই করতে গেলে বিবাদীগণ আরও বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে পুনরায় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বিষয়টি ডাইরি ভূক্ত করিয়া রাখা প্রয়োজন মনে করে কোতোয়ালি মডেল থানায় গত ১৬/১১/২০২৫ ইংরেজি তারিখে আরও একটা জিডি করি যার নম্বর ১৩৯৮।





















