লোকসমাচার ডেস্ক:মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে খুন হওয়া রেলগেট পশ্চিম পাড়ার মৃত আলীফ উদ্দীনের ছেলে রুস্তমের পরিবার আজ দিশেহারা এলাকাবাসি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার তাদের উদ্যোগে আজ বেলা বারোটায় যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে মানববন্ধন হয়েছে।
সরজমিনে জানাযায়,মাদক ব্যবসায়ী সবুজ(৩০)মোঃ মিন্টু (৩৫)উভয় পিতা আঃ করিম,স্মৃতি(২৩)স্বামী সবুজ,বীথি বেগম(২২)স্বামী শরিফুল ইসলাম,রানী বেগম(২৫)স্বামী সজীব হোসেন,শিউলি(৩০)স্বামী আশরাফ কসাই সবাই রেলগেট পশ্চিম পাড়া সদর যশোরের বাসিন্দা দীর্ঘ দিন রুস্তমের বাড়ি দখল করে সেখানে ইয়াবা সহ বিভিন্ন মাদক বেচাকেনা করে আসছে। শিউলির কাছে রুস্তম বিশ হাজার টাকা পাওনা ছিল গত মাসের সাত তারিখ রোজ শুক্রবার বিকেলে রুস্তমের পাওনা টাকা দেওয়ার নামে শিউলি খবর দিয়ে ডেকে এনে সকলে মিলে মারধর করলে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা রত অবস্থায় মারা যান।
মানববন্ধন কারি,এলাকাবাসি ও রুস্তমের স্বজনরা এ প্রতিনিধি কে জানান, এলাকাবাসি প্রত্যেকে জানে গত মাসের সাত তারিখে উল্লেখিত মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে মারধরের স্বিকার হয়ে রুস্তম আলী হাসপাতালে চিকিৎসা রত অবস্থায় মারা যান অথচ ডাক্তার স্বজন দের জানান সে স্বাভাবিক অবস্থায় মারা গেছেন,আইন প্রয়োগকারি সংস্থা যাচাই বাছাই না করে থানায় অপমৃত্যুর মামলা রুজু করেন। স্বজনরা মানববন্ধনে বিঞ্জ আদালতের প্রতি দাবি করেন মাননীয় আদালতের আদেশে মৃত রুস্তমের লাশ পূনরায় উত্তোলন করে নিরপেক্ষ তদন্ত করিলে সত্য উদঘাটন হবে। আদালতের শরনাপন্ন হয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্বজনরা জানিয়েছেন চলতি মাসের দশ তারিখে রুস্তমের স্ত্রী শীলা বেগম বাদি হয়ে আইনজীবি জনাব হেকমত সাহেবের মাধ্যমে সদর আদালতের মাননীয় বিচারক মোঃ মারুফ স্যারের আদালতে উল্লেখিত খুনের ঘটনার বিষয় আরজি দায়ের করেছেন, ন্যায় বিচারের আশায়। কিন্তু মাননীয় বিচারক অদ্যাবধি কোন আদেশ দেননি।প্রতিনিধি উল্লেখিত মাননীয় বিচারকের পেশকার মোঃ তারেকের নিকট মুঠোফোনে দাখিল কৃত মামলার আদেশ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান,কোতোয়ালি থানার দ্বায়িত্ব আমার স্যারের নেই এখন ঐটা দেখবে মাননীয় বিচারক পলাশ কুমার দালাল স্যার।
প্রতিনিধিকে রুস্তমের দুই ছেলে এবং স্ত্রী আরও জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা রুস্তম আলীকে খুন করে সকলে পালিয়েছিল দখল করে নেয়া ঘর ছেড়ে। গত দুই দিন হল তারা আবার ফিরে এসে আমাদের মারধর ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘর দখল করে নিয়েছে। পুলিশের নিকট আমরা বারবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছি সমাধান চেয়ে উনারা যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়ার কারণে মাদক ব্যবসায়িদের হাতে আমাদের পরিবারের প্রত্যেকের জীবন আশংকাজনক হয়ে উঠেছে।























