ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাধ্য হয়ে তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

  • আপডেট সময়: ০৮:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৬ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বাধ্য হয়েই সরকারকে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও জাহাজ ভাড়া উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে। এমতাবস্থায় সরকারের সামনে মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না।

তিনি আরও বলেন, সরকার বাধ্য না হলে কখনো এমন সিদ্ধান্ত নিত না। তবে প্রতিবেশী এবং অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল, যার ফলে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে তেল পাচার হয়ে যাওয়ার বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের সর্বশেষ নির্ধারিত ডিজেলের দামের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি মূল্যের তুলনা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানান, বাস্তবতার নিরিখে সবসময় আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে হুবহু সংগতি রেখে দাম নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না, ফলে এই খাতে সরকারকে ভর্তুকি দিয়ে যেতে হচ্ছে।

সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি সচল রাখার স্বার্থেই এই মূল্যবৃদ্ধি অনিবার্য হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর নেতিবাচক প্রভাব যাতে সাধারণ মানুষের জন্য সহনীয় পর্যায়ে থাকে, সেজন্য প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাধ্য হয়ে তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময়: ০৮:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বাধ্য হয়েই সরকারকে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও জাহাজ ভাড়া উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে। এমতাবস্থায় সরকারের সামনে মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না।

তিনি আরও বলেন, সরকার বাধ্য না হলে কখনো এমন সিদ্ধান্ত নিত না। তবে প্রতিবেশী এবং অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল, যার ফলে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে তেল পাচার হয়ে যাওয়ার বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের সর্বশেষ নির্ধারিত ডিজেলের দামের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি মূল্যের তুলনা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানান, বাস্তবতার নিরিখে সবসময় আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে হুবহু সংগতি রেখে দাম নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না, ফলে এই খাতে সরকারকে ভর্তুকি দিয়ে যেতে হচ্ছে।

সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি সচল রাখার স্বার্থেই এই মূল্যবৃদ্ধি অনিবার্য হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর নেতিবাচক প্রভাব যাতে সাধারণ মানুষের জন্য সহনীয় পর্যায়ে থাকে, সেজন্য প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।