ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোর্ডের বই থেকে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন করার শর্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

  • আপডেট সময়: ১০:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯
  • ১৪৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:স্কুল ভর্তিতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) বই থেকে প্রশ্ন প্রণয়ন করে পরীক্ষা গ্রহণের শর্ত রেখে ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা-২০২০’ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালায় ভর্তি পরিচালনার জন্য বিভিন্ন কমিটিও করে দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে আগের মতোই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করে ভর্তি করানো হবে। দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর মধ্যে মানবণ্টন হচ্ছে বাংলা-১৫, ইংরেজি-১৫, গণিত-২০ নম্বর। পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা। চতুর্থ-অষ্টম শ্রেণির জন্য ১০০ নম্বরের পরীক্ষা।

মানবণ্টন বাংলা-৩০, ইংরেজি-৩০, গণিত-৪০ নম্বর। পরীক্ষার সময় দুই ঘণ্টা নির্ধারণ হবে।

ঢাকা মহানগরীর স্কুল পার্শ্ববর্তী শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ এলাকা কোটা সংরক্ষণ থাকবে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট আসনের ১০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সন্তানদের ছেলে-মেয়ের জন্য পাঁচ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য দুই শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও ২ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে।

ভর্তি কার্যক্রম শুরুর আগেই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সব প্রতিষ্ঠান থেকে কোন শ্রেণিতে কতটি আসন শূন্য রয়েছে, তার তালিকা সংগ্রহ করবে। ভর্তির পর কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের আগে পাঠানো আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করছে কি-না, তা যাচাই করবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ভর্তির কার্যক্রম শুরুর আগে পাঠানো শূন্য আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করে, তাহলে সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নীতিমালার বাইরে কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলের পাশাপাশি এবারই প্রথম বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলির কারণে তাদের সন্তানদের ভর্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। বদলিজনিত কারণে ভর্তির আবেদনের সময়সীমা হবে ছয় মাস। তবে শূন্য আসনের অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করানো যাবে না। অতিরিক্ত ভর্তি করাতে হলে মন্ত্রণালয় থেকে আগে থেকেই অনুমতি নিতে হবে।

নীতিমালায় সব মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা সদরেও কেন্দ্রীয় অনলাইন পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। তবে নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কোনো কারণে অনলাইনে না করা গেলে শুধু উপজেলার ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি ভর্তি করা যাবে।

ভর্তির ফরম বিদ্যালয়ের অফিসে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, ডিসি অফিস, বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এবার ভর্তির আবেদন ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ১৭০ টাকা।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

বোর্ডের বই থেকে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন করার শর্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

আপডেট সময়: ১০:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:স্কুল ভর্তিতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) বই থেকে প্রশ্ন প্রণয়ন করে পরীক্ষা গ্রহণের শর্ত রেখে ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা-২০২০’ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালায় ভর্তি পরিচালনার জন্য বিভিন্ন কমিটিও করে দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে আগের মতোই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করে ভর্তি করানো হবে। দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর মধ্যে মানবণ্টন হচ্ছে বাংলা-১৫, ইংরেজি-১৫, গণিত-২০ নম্বর। পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা। চতুর্থ-অষ্টম শ্রেণির জন্য ১০০ নম্বরের পরীক্ষা।

মানবণ্টন বাংলা-৩০, ইংরেজি-৩০, গণিত-৪০ নম্বর। পরীক্ষার সময় দুই ঘণ্টা নির্ধারণ হবে।

ঢাকা মহানগরীর স্কুল পার্শ্ববর্তী শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ এলাকা কোটা সংরক্ষণ থাকবে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট আসনের ১০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সন্তানদের ছেলে-মেয়ের জন্য পাঁচ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য দুই শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও ২ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে।

ভর্তি কার্যক্রম শুরুর আগেই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সব প্রতিষ্ঠান থেকে কোন শ্রেণিতে কতটি আসন শূন্য রয়েছে, তার তালিকা সংগ্রহ করবে। ভর্তির পর কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের আগে পাঠানো আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করছে কি-না, তা যাচাই করবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ভর্তির কার্যক্রম শুরুর আগে পাঠানো শূন্য আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করে, তাহলে সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নীতিমালার বাইরে কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলের পাশাপাশি এবারই প্রথম বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলির কারণে তাদের সন্তানদের ভর্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। বদলিজনিত কারণে ভর্তির আবেদনের সময়সীমা হবে ছয় মাস। তবে শূন্য আসনের অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করানো যাবে না। অতিরিক্ত ভর্তি করাতে হলে মন্ত্রণালয় থেকে আগে থেকেই অনুমতি নিতে হবে।

নীতিমালায় সব মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা সদরেও কেন্দ্রীয় অনলাইন পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। তবে নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কোনো কারণে অনলাইনে না করা গেলে শুধু উপজেলার ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি ভর্তি করা যাবে।

ভর্তির ফরম বিদ্যালয়ের অফিসে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, ডিসি অফিস, বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এবার ভর্তির আবেদন ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ১৭০ টাকা।