ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের তাপমাত্রা বাড়াচ্ছে ফেসবুক

  • আপডেট সময়: ০৪:২৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০
  • ১৪৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বন আমাজন ও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বনাঞ্চলের অনেকটাই দাবানলের আগুনে পুড়ে গেছে। এতে কয়েক কোটি প্রাণী মারা গেছে। এই যখন পরিস্থিতি তখন ফেসবুকে বসে বিশ্বের তাপমাত্রা বাড়াচ্ছেন আপনিও।

ইন্টারনেটের দুনিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় বা ই-মেইল আদান-প্রদান না করলেই নয়। তবে জানেন কি, প্রতিটি ই-মেইল বা ফেসবুক পোস্ট গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কতটা জন্য দায়ী!

বিশ্বে প্রতি মিনিটে পাঠানো ই-মেইল থেকে যে পরিমাণ কার্বন নির্গমন হয়, সেটা ২১ হাজার কিলোগ্রাম কয়লা পোড়ানোর সমান। শুধু ই-মেইল’ই না- হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট কিংবা ফেসবুকে ছবি বা কারো স্ট্যাটাসে লাইক এমনকি ইউটিউবে ভিডিও বা সিনেমা দেখলেও কার্বন নির্গমন হয়।

এক ব্রিটিশ এনার্জি কোম্পানির রিসার্চে জানা গেছে, ব্রিটেনে প্রতিদিন ৬ কোটি ৪০ লাখ অপ্রয়োজনীয় ইমেল করা হয়। যার মধ্যে বেশিরভাগটাই থ্যাঙ্ক ইউ মেইল।

ফেসবুক বা ই-মেইল থেকে কার্বন নির্গমণ হয় যেভাবে

# আপনার পাঠানো প্রতিটি ই-মেইল বা ফেসবুক পোস্ট একটি ডেটা সেন্টারে গিয়ে স্টোর হয়। এই ডেটা সেন্টারের শক্তি লাখ লাখ পার্সোনাল কম্পিউটারের সমান।

# এই ডেটা সেন্টারগুলো একটি ছোট শহরের সমপরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।

# সারাবিশ্বে উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০ শতাংশ এই ডেটা সেন্টারগুলো ব্যবহার করে।

# কয়লা অথবা গ্যাস দিয়ে বেশিরভাগ বিদ্যুতের উৎপাদন হয়, ফলে প্রতিদিন পাঠানো কোটি-কোটি ই-মেইল বা সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে তুলছে।

একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায় প্রতিবছর বিশ্বে কার্বন নির্গমন হয় ষোল হাজার চার শ তেত্রিশ টন। যা দিল্লি থেকে মুম্বাইয়ে ৮১ হাজার ১৫২টি বিমানের আসা যাওয়ার সময় কার্বন নির্গমনের সমপরিমাণ।

গবেষণায় আরো জানা যায়, ৩০ হাজার ৩৩৩টি ডিজেল গাড়ি যে পরিমাণ কার্বন নির্গমন করে, শুধু বৃটেনেই অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল আদান-প্রদান করার মাধ্যমে একই পরিমাণ কার্বন নির্গমন হয়। এছাড়া ৩০ মিনিটের একটি অনলাইন ভিডিও দেখলে দেড় কিলোগ্রাম কার্বন নির্গমন হয়। একজন ফেসবুক ইউজার প্রতিবছর ২৯৯ গ্রাম কার্বন নির্গমন করে থাকেন। ইন্টারনেটে কিছু সার্চ করলেও কার্বন নির্গমন হয়।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

রক্তে ভেজা পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন জুলাইযোদ্ধা আজিজুর

বিশ্বের তাপমাত্রা বাড়াচ্ছে ফেসবুক

আপডেট সময়: ০৪:২৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বন আমাজন ও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বনাঞ্চলের অনেকটাই দাবানলের আগুনে পুড়ে গেছে। এতে কয়েক কোটি প্রাণী মারা গেছে। এই যখন পরিস্থিতি তখন ফেসবুকে বসে বিশ্বের তাপমাত্রা বাড়াচ্ছেন আপনিও।

ইন্টারনেটের দুনিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় বা ই-মেইল আদান-প্রদান না করলেই নয়। তবে জানেন কি, প্রতিটি ই-মেইল বা ফেসবুক পোস্ট গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কতটা জন্য দায়ী!

বিশ্বে প্রতি মিনিটে পাঠানো ই-মেইল থেকে যে পরিমাণ কার্বন নির্গমন হয়, সেটা ২১ হাজার কিলোগ্রাম কয়লা পোড়ানোর সমান। শুধু ই-মেইল’ই না- হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট কিংবা ফেসবুকে ছবি বা কারো স্ট্যাটাসে লাইক এমনকি ইউটিউবে ভিডিও বা সিনেমা দেখলেও কার্বন নির্গমন হয়।

এক ব্রিটিশ এনার্জি কোম্পানির রিসার্চে জানা গেছে, ব্রিটেনে প্রতিদিন ৬ কোটি ৪০ লাখ অপ্রয়োজনীয় ইমেল করা হয়। যার মধ্যে বেশিরভাগটাই থ্যাঙ্ক ইউ মেইল।

ফেসবুক বা ই-মেইল থেকে কার্বন নির্গমণ হয় যেভাবে

# আপনার পাঠানো প্রতিটি ই-মেইল বা ফেসবুক পোস্ট একটি ডেটা সেন্টারে গিয়ে স্টোর হয়। এই ডেটা সেন্টারের শক্তি লাখ লাখ পার্সোনাল কম্পিউটারের সমান।

# এই ডেটা সেন্টারগুলো একটি ছোট শহরের সমপরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।

# সারাবিশ্বে উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০ শতাংশ এই ডেটা সেন্টারগুলো ব্যবহার করে।

# কয়লা অথবা গ্যাস দিয়ে বেশিরভাগ বিদ্যুতের উৎপাদন হয়, ফলে প্রতিদিন পাঠানো কোটি-কোটি ই-মেইল বা সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে তুলছে।

একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায় প্রতিবছর বিশ্বে কার্বন নির্গমন হয় ষোল হাজার চার শ তেত্রিশ টন। যা দিল্লি থেকে মুম্বাইয়ে ৮১ হাজার ১৫২টি বিমানের আসা যাওয়ার সময় কার্বন নির্গমনের সমপরিমাণ।

গবেষণায় আরো জানা যায়, ৩০ হাজার ৩৩৩টি ডিজেল গাড়ি যে পরিমাণ কার্বন নির্গমন করে, শুধু বৃটেনেই অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল আদান-প্রদান করার মাধ্যমে একই পরিমাণ কার্বন নির্গমন হয়। এছাড়া ৩০ মিনিটের একটি অনলাইন ভিডিও দেখলে দেড় কিলোগ্রাম কার্বন নির্গমন হয়। একজন ফেসবুক ইউজার প্রতিবছর ২৯৯ গ্রাম কার্বন নির্গমন করে থাকেন। ইন্টারনেটে কিছু সার্চ করলেও কার্বন নির্গমন হয়।