ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর তৈরিকারকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

  • আপডেট সময়: ১০:২৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দেশিয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরিকারকদের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়াও দেশিয়ও প্রযুক্তিতে তৈরি দুই মেশিন ব্যবহার উপযোগী ও বাজারজাত করতে সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এ আশ্বাস দেন।

এসময় দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি দুটি চিকিৎসা যন্ত্রের কার্যকারিতা, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরেন সংশ্লিষ্টা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সভায় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনের কার্যকারিতা, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করেন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে সরকার গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মান যাচাই এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।

সভায় জানানো হয়, আলাদা দুইটি বিশেষজ্ঞ দল ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরি করেছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এগুলো দেশের সব হাসপাতালে ব্যবহারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হওয়ায় যন্ত্র দুটি তুলনামূলক কম খরচে বাজারজাত করা সম্ভব হবে, যা স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সাশ্রয়ী করতে ভূমিকা রাখবে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, ভেন্টিলেটর মেশিনটি গুরুতর শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম। তাই এর নিরাপত্তা, কার্যকারিতা এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনা করা হবে।

অন্যদিকে হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনটি শ্বাসতন্ত্রের সাধারণ সমস্যাজনিত রোগীদের জন্য ব্যবহার উপযোগী। এই যন্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই ব্যবহার করা যায়। ফলে বিদ্যুৎ-সুবিধাবঞ্চিত এলাকা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে রোগী পরিবহনের সময় অ্যাম্বুলেন্সেও এটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যাবে।

সভায় সংশ্লিষ্টরা বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই দুটি চিকিৎসা যন্ত্র সফলভাবে উৎপাদন ও ব্যবহার শুরু হলে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমবে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় অংশ নিলেন মেয়ে

দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর তৈরিকারকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময়: ১০:২৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:দেশিয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরিকারকদের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়াও দেশিয়ও প্রযুক্তিতে তৈরি দুই মেশিন ব্যবহার উপযোগী ও বাজারজাত করতে সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এ আশ্বাস দেন।

এসময় দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি দুটি চিকিৎসা যন্ত্রের কার্যকারিতা, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরেন সংশ্লিষ্টা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সভায় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনের কার্যকারিতা, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করেন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে সরকার গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মান যাচাই এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।

সভায় জানানো হয়, আলাদা দুইটি বিশেষজ্ঞ দল ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরি করেছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এগুলো দেশের সব হাসপাতালে ব্যবহারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হওয়ায় যন্ত্র দুটি তুলনামূলক কম খরচে বাজারজাত করা সম্ভব হবে, যা স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সাশ্রয়ী করতে ভূমিকা রাখবে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, ভেন্টিলেটর মেশিনটি গুরুতর শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম। তাই এর নিরাপত্তা, কার্যকারিতা এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনা করা হবে।

অন্যদিকে হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনটি শ্বাসতন্ত্রের সাধারণ সমস্যাজনিত রোগীদের জন্য ব্যবহার উপযোগী। এই যন্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই ব্যবহার করা যায়। ফলে বিদ্যুৎ-সুবিধাবঞ্চিত এলাকা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে রোগী পরিবহনের সময় অ্যাম্বুলেন্সেও এটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যাবে।

সভায় সংশ্লিষ্টরা বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই দুটি চিকিৎসা যন্ত্র সফলভাবে উৎপাদন ও ব্যবহার শুরু হলে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমবে।