ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে পরিচালক নির্বাচিত আব্দুল মোমিন

  • আপডেট সময়: ১১:২৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার,নীলফামারী প্রতিনিধি:নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন (২০২৬–২০২৭ ও ২০২৭–২০২৮)-এ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ (নাসিব) নীলফামারী জেলা সভাপতি মোঃ আব্দুল মোমিন। নির্বাচনে ট্রেড গ্রুপে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে তিনি বেসরকারিভাবে পরিচালক নির্বাচিত হন। নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী ২২ আগস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। তার এই অর্জন নীলফামারীর ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য গর্ব ও অনুপ্রেরণার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, শিল্পায়ন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

মোঃ আব্দুল মোমিন নীলফামারী সদর উপজেলার কাঞ্চনপাড়া গ্রামে ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, দারিদ্র্য ও সামাজিক বৈষম্য তাকে মানবকল্যাণে কাজ করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। ২০১২ সাল থেকে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে তিনি ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন দ্বীপ্তমান যুব উন্নয়ন সংস্থা। বর্তমানে সংস্থাটি নীলফামারী জেলার ছয়টি উপজেলায় প্রায় ২৪০ জন সদস্যের মাধ্যমে যুব উন্নয়ন, সমাজকল্যাণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর, বিসিক, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ও স্বীকৃতি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন দ্বীপ্তমান গ্রুপ, যেখানে চামড়াজাত পণ্য, কলম ও খাতা উৎপাদনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হচ্ছে। তার লক্ষ্য দেশীয় পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়া এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা।

তিনি কাঞ্চনপাড়া ফারুক আহমেদ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, জমিরউদ্দীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি এবং নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পাশাপাশি কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, অটোক্যাড, ডিজিটাল মার্কেটিং, ইংরেজি ভাষা, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, কৃষি, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন, গবাদিপশু পালন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পাটজাত পণ্য উৎপাদন, তথ্য অধিকার আইন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি (নাসিব) নীলফামারী জেলার সভাপতি, দ্বীপ্তমান মানবউন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দ্বীপ্তমান যুব উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দ্বীপ্তমান নারী কল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক, দ্বীপ্তমান গ্রুপের উদ্যোক্তা, দ্বীপ্তমান স্মার্ট বিজ্ঞান পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দ্বীপ্তমান বাংলাদেশ সাহিত্য সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কাঞ্চনপাড়া ফল-ফসল কৃষক গ্রুপের সভাপতি, নীলফামারী আরটিআই গ্রুপের সভাপতি এবং নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল কেন্দ্রিক টিআইবি অ্যাকটিভ সিটিজেন গ্রুপের সমন্বয়কসহ বিভিন্ন সামাজিক, ব্যবসায়িক ও উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে শত শত বেকার যুবক-যুবতীকে গবাদিপশু পালন, হাঁস-মুরগি পালন, টেইলারিং, কৃষি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ভাষা শিক্ষা এবং বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারীর ক্ষমতায়ন, মাদকবিরোধী আন্দোলন, পরিবেশ সংরক্ষণ, শব্দ দূষণ প্রতিরোধ, সামাজিক বনায়ন, কৃষি সহায়তা, করোনা মহামারিতে ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা, শীতবস্ত্র বিতরণ, শিক্ষা সহায়তা এবং এতিম ও অসহায় মানুষের কল্যাণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। ব্যবসা ও শিল্প উন্নয়নের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের টেকসই উন্নয়ন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, ব্যবসার সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, উদ্যোক্তাদের জন্য বাজার ও বিপণন (মার্কেটিং) সহায়তা নিশ্চিত করা, দেশীয় পণ্যের ব্র্যান্ডিং, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক হিসেবে এসব কার্যক্রম আরও গতিশীল, যুগোপযোগী ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

সমাজসেবা, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে অবদানের জন্য তিনি জাতীয় মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড, ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড, ভলান্টিয়ার পয়েন্টস অ্যাওয়ার্ড, এসএমই ফাউন্ডেশন সম্মাননা, বিসিক উদ্যোক্তা সম্মাননা, নাসিব কেন্দ্রীয় সম্মাননা, পরিবেশ অধিদপ্তর সম্মাননা এবং জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার সম্মাননাসহ জাতীয়, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে অসংখ্য পুরস্কার ও স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক হিসেবে আব্দুল মোমিনের এই নতুন দায়িত্ব জেলার শিল্পায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার স্বপ্ন—একটি দক্ষ, আত্মনির্ভরশীল, উদ্যোক্তাবান্ধব সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে দক্ষ উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং স্থানীয় শিল্পের বিকাশ হবে উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

রক্তে ভেজা পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলেন জুলাইযোদ্ধা আজিজুর

নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে পরিচালক নির্বাচিত আব্দুল মোমিন

আপডেট সময়: ১১:২৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার,নীলফামারী প্রতিনিধি:নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন (২০২৬–২০২৭ ও ২০২৭–২০২৮)-এ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ (নাসিব) নীলফামারী জেলা সভাপতি মোঃ আব্দুল মোমিন। নির্বাচনে ট্রেড গ্রুপে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে তিনি বেসরকারিভাবে পরিচালক নির্বাচিত হন। নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী ২২ আগস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। তার এই অর্জন নীলফামারীর ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য গর্ব ও অনুপ্রেরণার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, শিল্পায়ন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

মোঃ আব্দুল মোমিন নীলফামারী সদর উপজেলার কাঞ্চনপাড়া গ্রামে ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, দারিদ্র্য ও সামাজিক বৈষম্য তাকে মানবকল্যাণে কাজ করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। ২০১২ সাল থেকে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে তিনি ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন দ্বীপ্তমান যুব উন্নয়ন সংস্থা। বর্তমানে সংস্থাটি নীলফামারী জেলার ছয়টি উপজেলায় প্রায় ২৪০ জন সদস্যের মাধ্যমে যুব উন্নয়ন, সমাজকল্যাণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর, বিসিক, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ও স্বীকৃতি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন দ্বীপ্তমান গ্রুপ, যেখানে চামড়াজাত পণ্য, কলম ও খাতা উৎপাদনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হচ্ছে। তার লক্ষ্য দেশীয় পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়া এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা।

তিনি কাঞ্চনপাড়া ফারুক আহমেদ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, জমিরউদ্দীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি এবং নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পাশাপাশি কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, অটোক্যাড, ডিজিটাল মার্কেটিং, ইংরেজি ভাষা, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, কৃষি, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন, গবাদিপশু পালন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পাটজাত পণ্য উৎপাদন, তথ্য অধিকার আইন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি (নাসিব) নীলফামারী জেলার সভাপতি, দ্বীপ্তমান মানবউন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দ্বীপ্তমান যুব উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দ্বীপ্তমান নারী কল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক, দ্বীপ্তমান গ্রুপের উদ্যোক্তা, দ্বীপ্তমান স্মার্ট বিজ্ঞান পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দ্বীপ্তমান বাংলাদেশ সাহিত্য সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কাঞ্চনপাড়া ফল-ফসল কৃষক গ্রুপের সভাপতি, নীলফামারী আরটিআই গ্রুপের সভাপতি এবং নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল কেন্দ্রিক টিআইবি অ্যাকটিভ সিটিজেন গ্রুপের সমন্বয়কসহ বিভিন্ন সামাজিক, ব্যবসায়িক ও উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে শত শত বেকার যুবক-যুবতীকে গবাদিপশু পালন, হাঁস-মুরগি পালন, টেইলারিং, কৃষি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ভাষা শিক্ষা এবং বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারীর ক্ষমতায়ন, মাদকবিরোধী আন্দোলন, পরিবেশ সংরক্ষণ, শব্দ দূষণ প্রতিরোধ, সামাজিক বনায়ন, কৃষি সহায়তা, করোনা মহামারিতে ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা, শীতবস্ত্র বিতরণ, শিক্ষা সহায়তা এবং এতিম ও অসহায় মানুষের কল্যাণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। ব্যবসা ও শিল্প উন্নয়নের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের টেকসই উন্নয়ন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, ব্যবসার সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, উদ্যোক্তাদের জন্য বাজার ও বিপণন (মার্কেটিং) সহায়তা নিশ্চিত করা, দেশীয় পণ্যের ব্র্যান্ডিং, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক হিসেবে এসব কার্যক্রম আরও গতিশীল, যুগোপযোগী ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

সমাজসেবা, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে অবদানের জন্য তিনি জাতীয় মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড, ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড, ভলান্টিয়ার পয়েন্টস অ্যাওয়ার্ড, এসএমই ফাউন্ডেশন সম্মাননা, বিসিক উদ্যোক্তা সম্মাননা, নাসিব কেন্দ্রীয় সম্মাননা, পরিবেশ অধিদপ্তর সম্মাননা এবং জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার সম্মাননাসহ জাতীয়, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে অসংখ্য পুরস্কার ও স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক হিসেবে আব্দুল মোমিনের এই নতুন দায়িত্ব জেলার শিল্পায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার স্বপ্ন—একটি দক্ষ, আত্মনির্ভরশীল, উদ্যোক্তাবান্ধব সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে দক্ষ উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং স্থানীয় শিল্পের বিকাশ হবে উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি।