স্টাফ রিপোর্টার:যশোর বাঘারপাড়া উপজেলায় বিএনপির অসাধু নেতাদের ছত্রছায়ায় প্রকাশ্যে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ হয়েও ভুক্তভোগীরা নিস্তার পায়নি
জানাযায়,যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ২ নং বন্দবিলা ইউনিয়ন বিএনপির অসাধু নেতাদের ছত্রছায়ায় প্রকাশ্যে চাঁপাতলা গ্রাম ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির কতিপয় স্থানিয় নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য চাঁদাবাজি চাদা আদায়ের পর থানায় অভিযোগ হলেও ভুক্তভোগীরা চাঁদা পরিশোধের হাত থেকে নিস্তার পায়নি।
সরজমিনে,হাসেম আলী লোকসমাচারের এ প্রতিনিধিকে জানায়,২ নম্বর বন্দবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ আজিজুর রহমান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন ভুট্টোর নেতৃত্বে বিবাদী (১) সেলিম সর্দার (৪০), পিতা- লতিফ সর্দার (২) নয়ন সর্দার (২৫), পিতা- তোতা সর্দার (৩) আমিনুর সর্দার, পিতা- ইসমাইল সর্দার, (৪) সোহেল সর্দার (২২), পিতা- সেলিম সর্দার গ্রামঃ চাঁপাতলা, থানাঃ বাঘারপাড়া, জেলাঃ যশোর, গণ ০২/০১/২০২৫ তারিখে আমার মোটর (স্যাল মেশিন) জোরপূর্বক মাঠ থেকে উঠায় নেয়ার কারণে থানায় অভিযোগ করেছিলাম তারপর থেকে আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে চাঁদার নাম করে প্রতি মাসে জোরপূর্বক টাকা নিয়ে আসছে। প্রথমে তারা আনুমানিক ১৮/০১/২০২৫ তারিখে ৫০,০০০/- টাকা নেয়, ২য় আনুমানিক ২০/০৩/২০২৫ তারিখে ৪২,৫০০/- নেয়। এরপর থেকে আর টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তারা বিভিন্ন সময় আমার বড় গাছ, বাঁশের ঝাড় জোরপূর্বক বিক্রি করে দেয়। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহিত আলাপ আলোচনায় এবং সালিশের মাধ্যমেও কোন ফল হয় দি বরং তাদের ওদাত্য আরো বেড়ে গেছে। আজ ১৭/১০/২০২৫ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ১২.৩০ ঘটিকায় ২০০,০০০/- টাকা অন্যায় আবদার করে, দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাকে, আমার স্ত্রী, আমার পুত্র, বৌমাসহ আশপাশের যেই ঠেকাতে এসেছে তাকেই বেধড়ক মারধর করে। যাবার সময় শাসিয়ে যাই যে, যদি টাকা না দিই, তবে জানে মেরে ফেলবে অথবা এমন মারা মারবে যে,বেচে থাকলেও কাজ করে খাবার শক্তি থাকবে না। ফলশ্রুতিতে উপায় না পেয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহিত আলাপ আলোচনা করে থানায় অভিযোগ করেও
তারা আমাদের উপর অত্যাচার ও চাঁদা আদায় করা থেকে একটুও বিরত থাকেনি।





















