ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ২০ টাকার জন্য ছাত্রীর আত্মহত্যা!

  • আপডেট সময়: ১০:৪৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২০
  • ২১১ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার,বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌর সদরের বারইখালী গ্রামে বিশ টাকার জন্য আত্মহত্যা করেছে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসা’র ছাত্রী।

জানাগেছে, শুক্রবার দুপুরে ফকিরবাড়ি এলাকায় এক ফেড়িওলা গেলে ওই গ্রামের মো. সেলিম ফকিরের মেয়ে রাবেয়া আক্তার (১২) কসমেটিক্স কেনার জন্য তার মায়ের কাছে বিশ টাকার বায়না ধরে। মায়ের কাছে নাপেয়ে দুই প্রতিবেশির কাছ থেকেও প্রত্যাথ্যত হয়। পরবর্তীতে আবারও মায়ের কাছে এসে টাকা চেয়ে নাপেয়ে মনের দু:খে সে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। এ সময় বাড়িতে কেহ ছিলনা বলে জানান রাবেয়ার মা। তিনি পাশের একটি বাড়িতে গেছিলেন। তিনি বাড়িতে এসে রাবেয়াকে আড়ার সাথে ঝুলতে দেগে চিৎকার করেন। চিৎকালে প্রতিবেশিরা এসে রাবেয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন। রাবেয়া আক্তার মানিক মিয়া দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ২০ টাকার জন্য ছাত্রীর আত্মহত্যা!

আপডেট সময়: ১০:৪৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার,বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌর সদরের বারইখালী গ্রামে বিশ টাকার জন্য আত্মহত্যা করেছে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসা’র ছাত্রী।

জানাগেছে, শুক্রবার দুপুরে ফকিরবাড়ি এলাকায় এক ফেড়িওলা গেলে ওই গ্রামের মো. সেলিম ফকিরের মেয়ে রাবেয়া আক্তার (১২) কসমেটিক্স কেনার জন্য তার মায়ের কাছে বিশ টাকার বায়না ধরে। মায়ের কাছে নাপেয়ে দুই প্রতিবেশির কাছ থেকেও প্রত্যাথ্যত হয়। পরবর্তীতে আবারও মায়ের কাছে এসে টাকা চেয়ে নাপেয়ে মনের দু:খে সে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। এ সময় বাড়িতে কেহ ছিলনা বলে জানান রাবেয়ার মা। তিনি পাশের একটি বাড়িতে গেছিলেন। তিনি বাড়িতে এসে রাবেয়াকে আড়ার সাথে ঝুলতে দেগে চিৎকার করেন। চিৎকালে প্রতিবেশিরা এসে রাবেয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন। রাবেয়া আক্তার মানিক মিয়া দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।