লোকসমাচার ডেস্ক: বগুড়ার শেরপুরে স্বামীর লাঠির আঘাতে স্ত্রীর মৃত্যুর পর লাশ নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর সময় এক গ্রাম পুলিশকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক গ্রাম পুলিশ গৌতম কুমার শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের সিরাজ নগর নওলাপাড়া গ্রামের মৃত ভোধন চন্দ্রর ছেলে।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গৌতমকে (৩৫) আটক করে পুলিশ। এসময় গৌতমের স্ত্রী পূর্ণিমা রানীর (২৮) লাশ উদ্ধার করে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গ্রাম পুলিশ গৌতম দেড় বছর আগে পার্শ্ববর্তী তাড়াশ উপজেলার ধামাইনগর গ্রামের মেয়ে পূর্ণিমা রানীকে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকেই বউ পছন্দ না হওয়া নিয়ে তাদের দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল।
বুধবার বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হলে গৌতম তার স্ত্রীকে মারপিট করে ঘরে তালা দিয়ে রেখে বাজারে যান। সন্ধ্যার আগে বাজার থেকে ফিরে এসে স্ত্রীকে অচেতন অবস্থায় দেখে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
সন্ধ্যার পর বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পূর্ণিমাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পূর্ণিমা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে স্বামী গৌতম চিকিৎসকে জানান। কিন্তু লাশের আঘাতের চিহ্ন থাকায় মেডিকেল কলেজে দায়িত্বরত পুলিশ গৌতমকে আটক করে শেরপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
বিশালপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান বলেন, বিয়ের পর থেকেই বউ পছন্দ না হওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ চলছিল। বুধবার বিকেলে স্ত্রীকে মারপিট করেছে বলে শুনেছি।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মামলার প্রক্রিয়া চলছে।





















