স্টাফ রিপোর্টার:ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার আমলে যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের সম্পত্তির প্লট বৈষম্য নীতি অবলম্বন করে অবৈধ ভাবে নামমাত্র লটারি করে যে প্লট বরাদ্দ হয়েছে তা বাতিল করতে আজ বেলা ১১ টায় যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন সরকারি উপ প্রকৌশলী রশিদ সাহেবের নিকট স্মারকলিপি প্রদান এবং বেলা বারোটায় যশোর প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন। পরে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান।
জানা যায়, বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের সম্পত্তির ৬৪ টি প্লট মানুষকে বোকা বানানোর জন্য নামমাত্র লটারি আয়োজন করে বৈষম্য নীতি অবলম্বন করে অবৈধভাবে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের, তাদের সর্বোচ্চ চাটুকার, আমলা, সচিব, স্বজনদের মাঝে প্লট গুলো বরাদ্দ হয়েছিল।
মানববন্ধনে, বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যশোরের সমন্বয়ক মোঃ রাশেদ, অন্যতম নেতৃত্বদানকারী মোঃ মামুন, দৈনিক লোকসমাচার পত্রিকার প্রকাশক সম্পাদক মোঃ আলী জিন্নাহ এবং এলাকাবাসি পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার অবৈধভাবে তাদের দোসর দের, দালালদের,স্বজনদের, আমলাদের স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের খুশি করার জন্য তাদেরকে যে ৬৪ টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা বাতিল করে যারা ওইখানে প্লট পাওয়ার প্রাপ্য তাদেরকে নিয়ম অনুযায়ী বরাদ্দ দিতে হবে।
সরজমিনে এলাকাবাসী প্লট বরাদ্দে যে সকল দুর্নীতি আশ্রয় গ্রহণ করা হয়েছিল তাহা স্মারকলিপি হিসেবে লোকসমাচার পত্রিকার এ প্রতিনিধিকে প্রদান করেন।
১)বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের তৈরি জাল-জালিয়াতি ভাবে কোটা সৃষ্টি করে সে অনুসারে প্লট তৈরি করা।যাহা ২০২৪ এর ছাত্র- জনতার বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পরিপন্থী।
২)প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, আমলা ও তাদের দোসর, ডাক্তার, স্কুল- কলেজের শিক্ষক ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর দিককে কালো তালিকা করে বৈষম্য নীতি অবলম্বন করে তাদেরকে প্লট দেওয়া।
৩)সাবেক আওয়ামী লীগের নেতাদের পকেট প্লট পুঁজি করে বা প্লট অন্তর্ভুক্তি ব্যাতিরেকে অন্য সাধারণ মানুষের জমিতে পকেট প্লট তৈরি করা।
৪)অবৈধ ফ্যাসিবাদ সরকারের রাজনৈতিক প্ররোচনায় পেশি শক্তির ক্ষমতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রেখে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চরিতার্থ করে প্লট পাওয়া।
৫)যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করা।
৬)প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে নকশাতে হাউজিং সম্পত্তির এক স্থান দেখিয়ে মনগড়া লটারি করে সম্পত্তির অন্য স্থানে এসে অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ পাওয়া গ্রাহকদের প্লট বুঝিয়ে দেওয়ার অপপ্রয়াস চালানো।
৭)অবৈধভাবে মনগড়া ভাবে ৫৪ টি প্লটের লটারি দেখিয়ে ৬৪ টি প্লট ঘোষণা দেওয়া এবং ১৪ টি প্লটের লটারি ছাড়া বাকি সবগুলো নাম ধরে ডাকিয়া বৈষম্য নীতি অবলম্বন করে কোটা ভিত্তিক বরাদ্দ দেওয়া।
৮)বরাদ্দের ক্ষেত্রে হাউজিং কর্তৃপক্ষের নীতি জলাঞ্জলি দিয়ে একই পরিবার কে ২ বা ততোধিক প্লট বরাদ্দ দেওয়া।





















