ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যাসিস্টরা গেলেও তাদের স্থান নিয়েছে আরেকদল : জামায়াত আমির

  • আপডেট সময়: ১০:১৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৪ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও দেশের মানুষ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি। বর্গিরা তাদের দোসরদের রেখে গেছে, তারা লুটপাট করছে। ফ্যাসিস্টরা গেলেও তাদের স্থান নিয়েছে আরেকদল। তারা নিজেদের মধ্যে মারামারিতে নিজেদের শেষ করে দিচ্ছে।

শনিবার (৬ ডিসম্বের) দুপুরে সিলেটের ঐতিহাসিক আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ইসলামি ও সমমনা ৮ দলের বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ওই দল রাজি না, তারা নির্বাচন নিয়ে ভিন্ন সুরে কথা বলতে শুরু করেছে। তারা বুঝেছে, আগামী নির্বাচনে জনগণ তাদের লালকার্ড দেখাবে। তারা প্রশাসনের মাধ্যমে নির্বাচনী ক্যুর স্বপ্ন দেখছে, তা আর এ দেশে হবে না।

সমাবেশে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আট দলের বাইরে যেসব ইসলামি দল রয়েছে, তাদের জুলাই আকাঙ্ক্ষাবিরোধীদের সঙ্গ ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ৮ দল আগামীতে দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। বিদেশি শক্তির দাদাগিরি আমরা বরদাস্ত করতে রাজি নয়।

তিনি বলেন, জুলাই আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে যারা দাঁড়াবে, তাদের স্থান এ দেশে হবে না।

মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশ ইতিহাস সৃষ্টির দ্বারপ্রান্তে। গত ১৫ বছর ইসলামপন্থী রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তারপরও অন্যায়ের সামনে তারা মাথা নত করেনি।

তিনি বলেন, বিদেশি আদিপাত্যবাদীরা ফ্যাসিবাদের উত্থান চায়। আগামী নির্বাচন প্রতীকের নয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের নির্বাচন। জুলাই সনদকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ দুই ভাগে বিভক্ত। একদল দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চায়।

ইসলামি রাজনীতি রুখে দেওয়ার দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ৮ দলের জনপ্রিয়তায় পরাজিত শক্তির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। দেশে আর ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে না। আগামীর বাংলাদেশ প্রতিটি মানুষের অধিকার আদায়ের বাংলাদেশ হবে। বৈষম্যহীন ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে ইসলামি শক্তিকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য হাতে হাতে কাজ করতে হবে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

ফ্যাসিস্টরা গেলেও তাদের স্থান নিয়েছে আরেকদল : জামায়াত আমির

আপডেট সময়: ১০:১৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও দেশের মানুষ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি। বর্গিরা তাদের দোসরদের রেখে গেছে, তারা লুটপাট করছে। ফ্যাসিস্টরা গেলেও তাদের স্থান নিয়েছে আরেকদল। তারা নিজেদের মধ্যে মারামারিতে নিজেদের শেষ করে দিচ্ছে।

শনিবার (৬ ডিসম্বের) দুপুরে সিলেটের ঐতিহাসিক আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ইসলামি ও সমমনা ৮ দলের বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ওই দল রাজি না, তারা নির্বাচন নিয়ে ভিন্ন সুরে কথা বলতে শুরু করেছে। তারা বুঝেছে, আগামী নির্বাচনে জনগণ তাদের লালকার্ড দেখাবে। তারা প্রশাসনের মাধ্যমে নির্বাচনী ক্যুর স্বপ্ন দেখছে, তা আর এ দেশে হবে না।

সমাবেশে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আট দলের বাইরে যেসব ইসলামি দল রয়েছে, তাদের জুলাই আকাঙ্ক্ষাবিরোধীদের সঙ্গ ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ৮ দল আগামীতে দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। বিদেশি শক্তির দাদাগিরি আমরা বরদাস্ত করতে রাজি নয়।

তিনি বলেন, জুলাই আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে যারা দাঁড়াবে, তাদের স্থান এ দেশে হবে না।

মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশ ইতিহাস সৃষ্টির দ্বারপ্রান্তে। গত ১৫ বছর ইসলামপন্থী রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তারপরও অন্যায়ের সামনে তারা মাথা নত করেনি।

তিনি বলেন, বিদেশি আদিপাত্যবাদীরা ফ্যাসিবাদের উত্থান চায়। আগামী নির্বাচন প্রতীকের নয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের নির্বাচন। জুলাই সনদকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ দুই ভাগে বিভক্ত। একদল দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চায়।

ইসলামি রাজনীতি রুখে দেওয়ার দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ৮ দলের জনপ্রিয়তায় পরাজিত শক্তির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। দেশে আর ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে না। আগামীর বাংলাদেশ প্রতিটি মানুষের অধিকার আদায়ের বাংলাদেশ হবে। বৈষম্যহীন ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে ইসলামি শক্তিকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য হাতে হাতে কাজ করতে হবে।