ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে নৈরাজ্য বন্ধের আহ্বান ২৪ বিশিষ্টজনের

  • আপডেট সময়: ০৮:৪৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ নভেম্বর ২০২২
  • ১১৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ‘নৈরাজ্য বন্ধ’-এর আহ্বান জানিয়েছেন ২৪ বিশিষ্টজন। এ আহ্বান জানিয়ে তারা আজ শুক্রবার বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের পাবলিক পরীক্ষার সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক, নারীর প্রতি অবমাননাকর এবং একজন লেখকের প্রতি বিদ্বেষপ্রসূত ও অবমাননাকর প্রশ্ন সংযোজনের ঘটনা ঘটেছে। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত, কোনো অবস্থাতেই এসব মেনে নেওয়া যায় না।

বিবৃতিদাতারা বলেন, ৩০ লাখ জীবনের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পরও একটি সর্বজনীন, অসাম্প্রদায়িক, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অনেক বিতর্কের মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে সৃজনশীল পদ্ধতি প্রবর্তনের পরও শিক্ষকেরা নিজেদের এই পদ্ধতির উপযোগী গড়ে তুলতে পেরেছেন কি না, তা নিয়ে এখনো প্রশ্ন আছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সৃজনশীল শিক্ষাপদ্ধতিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে সৃজনশীল হয়ে উঠতে হবে। সম্প্রতি পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, নারীর প্রতি অবমাননাকর, ব্যক্তির প্রতি বিদ্বেষমূলক প্রশ্নপত্র শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিক্রিয়াশীল, সাম্প্রদায়িক ও আধুনিকতাবিরোধী প্রবণতার চিত্র উঠে এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুধু প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী ও মডারেশন বোর্ডের সদস্যদের যোগ্যতা ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করার পাশাপাশি সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ভাবার সময়ও এসেছে।’

বিবৃতিদাতারা হলেন পঙ্কজ ভট্টাচার্য, সুলতানা কামাল, সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, রাশেদা কে চৌধূরী, রামেন্দু মজুমদার, ডা. সারওয়ার আলী, নুর মোহাম্মদ তালুকদার, রানা দাশগুপ্ত, খুশী কবির, এম এম আকাশ, এস এম এ সবুর, রোবায়েত ফেরদৌস, সালেহ আহমেদ, পারভেজ হাসেম, আবদুল ওয়াহেদ, এম এ সামাদ, সেলু বাসিত, রনজিৎ কুমার সাহা, এ কে আজাদ, অলক দাসগুপ্ত, আবদুর রাজ্জাক, আবদুল আলীম, দীপায়ন খীসা ও গৌতম শীল।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

বিদ্রোহ থামেনি

পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে নৈরাজ্য বন্ধের আহ্বান ২৪ বিশিষ্টজনের

আপডেট সময়: ০৮:৪৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ নভেম্বর ২০২২
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ‘নৈরাজ্য বন্ধ’-এর আহ্বান জানিয়েছেন ২৪ বিশিষ্টজন। এ আহ্বান জানিয়ে তারা আজ শুক্রবার বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের পাবলিক পরীক্ষার সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক, নারীর প্রতি অবমাননাকর এবং একজন লেখকের প্রতি বিদ্বেষপ্রসূত ও অবমাননাকর প্রশ্ন সংযোজনের ঘটনা ঘটেছে। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত, কোনো অবস্থাতেই এসব মেনে নেওয়া যায় না।

বিবৃতিদাতারা বলেন, ৩০ লাখ জীবনের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পরও একটি সর্বজনীন, অসাম্প্রদায়িক, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অনেক বিতর্কের মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে সৃজনশীল পদ্ধতি প্রবর্তনের পরও শিক্ষকেরা নিজেদের এই পদ্ধতির উপযোগী গড়ে তুলতে পেরেছেন কি না, তা নিয়ে এখনো প্রশ্ন আছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সৃজনশীল শিক্ষাপদ্ধতিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে সৃজনশীল হয়ে উঠতে হবে। সম্প্রতি পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, নারীর প্রতি অবমাননাকর, ব্যক্তির প্রতি বিদ্বেষমূলক প্রশ্নপত্র শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিক্রিয়াশীল, সাম্প্রদায়িক ও আধুনিকতাবিরোধী প্রবণতার চিত্র উঠে এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুধু প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী ও মডারেশন বোর্ডের সদস্যদের যোগ্যতা ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করার পাশাপাশি সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ভাবার সময়ও এসেছে।’

বিবৃতিদাতারা হলেন পঙ্কজ ভট্টাচার্য, সুলতানা কামাল, সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, রাশেদা কে চৌধূরী, রামেন্দু মজুমদার, ডা. সারওয়ার আলী, নুর মোহাম্মদ তালুকদার, রানা দাশগুপ্ত, খুশী কবির, এম এম আকাশ, এস এম এ সবুর, রোবায়েত ফেরদৌস, সালেহ আহমেদ, পারভেজ হাসেম, আবদুল ওয়াহেদ, এম এ সামাদ, সেলু বাসিত, রনজিৎ কুমার সাহা, এ কে আজাদ, অলক দাসগুপ্ত, আবদুর রাজ্জাক, আবদুল আলীম, দীপায়ন খীসা ও গৌতম শীল।