ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের সকল মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবীহ্ পড়ার আহবান

  • আপডেট সময়: ০৭:১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২
  • ১৩২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:পবিত্র রমজান মাসে খতম তারাবীহ্ পড়ার সময় সারাদেশের সকল মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়েছে। আজ বুধবার (৩০ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফাউন্ডেশন এই আহ্বান জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে দেশের প্রায় সকল মসজিদে খতম তারাবীহ্ নামাজে পবিত্র কুরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোন কোন মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে কর্ম উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের মধ্যে কুরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। কুরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন। এ পরিস্থিতি নিরসনে রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র শবে কদরে পবিত্র কুরআন খতম করা সম্ভব।

এমতাবস্থায় দেশের সকল মসজিদে খতম তারাবীহ্ নামাজে প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ও পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র শবে কদরে কুরআন খতমের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দেশের সকল মসজিদের খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি, মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের সকল মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবীহ্ পড়ার আহবান

আপডেট সময়: ০৭:১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:পবিত্র রমজান মাসে খতম তারাবীহ্ পড়ার সময় সারাদেশের সকল মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়েছে। আজ বুধবার (৩০ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফাউন্ডেশন এই আহ্বান জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে দেশের প্রায় সকল মসজিদে খতম তারাবীহ্ নামাজে পবিত্র কুরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোন কোন মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে কর্ম উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের মধ্যে কুরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। কুরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন। এ পরিস্থিতি নিরসনে রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র শবে কদরে পবিত্র কুরআন খতম করা সম্ভব।

এমতাবস্থায় দেশের সকল মসজিদে খতম তারাবীহ্ নামাজে প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ও পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র শবে কদরে কুরআন খতমের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দেশের সকল মসজিদের খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি, মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট অনুরোধ জানানো হয়েছে।