লোকসমাচার ডেস্ক:ঘুষ গ্রহণের মামলায় বরখাস্ত হওয়া ডিআইজি মিজানুর রহমান মিজান ও দুদকের সাময়িক বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিং আইনের মামলায়ও ডিআইজি মিজানের জামিনের আবেদন নাকচ করে দেন আদালত।
রোববার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন।
ডিআইজি মিজানের পক্ষে জামিন শুনানি করেন এহেসানুল হক সমাজী। আর বাছিরের পক্ষে ছিলেন কবির হোসাইন। দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন।
ঘুষ গ্রহণের মামলায় ডিআইজি মিজান ও খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল রোববার । কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখও ধার্য ছিল আজ। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য একই আদালত মামলা দুটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেন।
৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে গত বছরের ১৬ জুলাই ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে গত ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। মামলাটিতে ডিআইজি মিজান এবং তার ভাগ্নে এসআই মাহমুদুল হাসান কারাগারে রয়েছেন।


























