ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় পার্টি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা ছিলো অনেকের: জিএম কাদের

  • আপডেট সময়: ০৬:০৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৪৫ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:জাতীয় পার্টির ( জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মুহম্মদ কাদের বলেছেন, ‘অনেকে মনে করেছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর জাতীয় পার্টি ভেঙে যাবে। আল্লাহর রহমতে তা হয়নি। আমাদের মাঝে কিছুটা ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিলো তা সাময়িক। আমাদের এ ঐক্য ধরে রাখতে হলে সবাইকে ঐক্যকদ্ধ হতে হবে।’

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় পার্টি (জাপা) বনানী কার্যালয়ে পার্টির ঢাকা বিভাগীয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, আগামী জাতীয় কাউন্সিলের আগেই অসমাপ্ত জেলার সম্মেলেন শেষ করতে হবে। সেজন্য আমরা বিভাগীয় কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই জেলা কমিটি অনুমোদন দেয়া হবে। আগামী কাউন্সিলে নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠবে। আমাদের ঘর খালি নয়, কেউ ঘুমিয়ে আছে অথবা মনের কষ্টে দুরে সরে আছে। সকাউন্সিলের পর আমাদের ঘর পরিপূর্ণ হবে।’

এসময় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘পার্টির ভাঙন ঠেকাতে আমরা সবাই একযোগে কাজ করেছি। রংপুর- ৩ আসনে আমরা সবাই চেয়েছি এরশাদ পরিবার থেকে এখান এমপি হোক। সবার সিদ্ধান্তেই সাদকে এখানে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। সাদকে জিতাতে যদিও আমরা নিজেরা এনাফ। তারপরও আশা করছি সরকার এ বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা করবে।’

রাঙ্গা বলেন, ‘সামনে অনেক পরিবর্তন হবে। অনেকে যোগদান করবে। প্রয়োজনে প্রেসিডিয়ামের সংখ্যা একশ হবে। এরপর সিনিয়রদের ২১ সদস্য স্টিয়ারিং কমিটি করা হবে। তারা দলের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিবে।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। এরশাদ আমাকে তিনবার বহিস্কার করেছিলেন। কর্মীরা না চাইলে কালকেই আমি মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করতে প্রস্তত।’

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আলমগীর সিকদার লোটনের সঞ্চালনায় বিভাগীয় মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সালমা ইসলাম, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, এসএম সাত্তার, জহিরুল আলম রুবেল, গোলাম মোহাম্মদ রাজু, শফিকুল ইসলাম শফিক, বাহাদুর ইসলাম ইমতিয়াজ, হোসেন ইয়াহিয়া, মোতাহার হোসেন মানিক প্রমুখ।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

জাতীয় পার্টি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা ছিলো অনেকের: জিএম কাদের

আপডেট সময়: ০৬:০৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:জাতীয় পার্টির ( জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মুহম্মদ কাদের বলেছেন, ‘অনেকে মনে করেছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর জাতীয় পার্টি ভেঙে যাবে। আল্লাহর রহমতে তা হয়নি। আমাদের মাঝে কিছুটা ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিলো তা সাময়িক। আমাদের এ ঐক্য ধরে রাখতে হলে সবাইকে ঐক্যকদ্ধ হতে হবে।’

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় পার্টি (জাপা) বনানী কার্যালয়ে পার্টির ঢাকা বিভাগীয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, আগামী জাতীয় কাউন্সিলের আগেই অসমাপ্ত জেলার সম্মেলেন শেষ করতে হবে। সেজন্য আমরা বিভাগীয় কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই জেলা কমিটি অনুমোদন দেয়া হবে। আগামী কাউন্সিলে নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠবে। আমাদের ঘর খালি নয়, কেউ ঘুমিয়ে আছে অথবা মনের কষ্টে দুরে সরে আছে। সকাউন্সিলের পর আমাদের ঘর পরিপূর্ণ হবে।’

এসময় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘পার্টির ভাঙন ঠেকাতে আমরা সবাই একযোগে কাজ করেছি। রংপুর- ৩ আসনে আমরা সবাই চেয়েছি এরশাদ পরিবার থেকে এখান এমপি হোক। সবার সিদ্ধান্তেই সাদকে এখানে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। সাদকে জিতাতে যদিও আমরা নিজেরা এনাফ। তারপরও আশা করছি সরকার এ বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা করবে।’

রাঙ্গা বলেন, ‘সামনে অনেক পরিবর্তন হবে। অনেকে যোগদান করবে। প্রয়োজনে প্রেসিডিয়ামের সংখ্যা একশ হবে। এরপর সিনিয়রদের ২১ সদস্য স্টিয়ারিং কমিটি করা হবে। তারা দলের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিবে।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। এরশাদ আমাকে তিনবার বহিস্কার করেছিলেন। কর্মীরা না চাইলে কালকেই আমি মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করতে প্রস্তত।’

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আলমগীর সিকদার লোটনের সঞ্চালনায় বিভাগীয় মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সালমা ইসলাম, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, এসএম সাত্তার, জহিরুল আলম রুবেল, গোলাম মোহাম্মদ রাজু, শফিকুল ইসলাম শফিক, বাহাদুর ইসলাম ইমতিয়াজ, হোসেন ইয়াহিয়া, মোতাহার হোসেন মানিক প্রমুখ।