ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালপুরের রাজগোলবাড়ী ব্রিজ এখন মরণফাঁদ: দুই বছরে তিন জনের মৃত্যু, আহত ৪০

  • আপডেট সময়: ০৭:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯
  • ১৬০ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এপাড়ে ২০১ গম্বুজ মসজিদ, ওপাড়ে হেমনগর রাজবাড়ী। মাঝখানে গইল্লা বিল। এ বিল চিরে যাওয়া গোপালপুর উপজেলায় এলজিইডির ঝাওয়াইল-উদ্যমপুর সড়কের রাজগোলবাড়ী ব্রিজটি এখন মরণফাঁদ। প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। গত দুই বছরে ভাঙা ব্রিজের কিনারা থেকে পড়ে তিনজন নিহত ও ৪০ জন আহত হয়েছেন।

ঐ ব্রিজ থেকে পড়ে তিন জন নিহত ও ৪০ জন আহতর সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার জানান, আর কতজনের প্রাণহানি ঘটলে এলজিইডি এটি সংস্কার করে জনগণ সেই অপেক্ষায় আছেন। ১৯৭৩ সালে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ ব্রিজটি নির্মাণ করে। জীর্ণ ব্রিজের দুই পাশের পাটাতন ভেঙে গেছে। গোড়ায় মারাত্মক ফাটল। নিচে এক পাশের ভীম ভেঙে গেছে। পাটাতনের এক অংশ খসে গেছে। ব্রিজটি দিয়ে যান চলাচল অনুপযোগী ঘোষণা হয়েছে দুই বছর আগে। বিকল্প সড়ক না থাকায় পর্যটকরা ঝুঁকি নিয়ে এটি পারাপার হন। উপজেলা পরিষদ এটির সংস্কারের জন্য একাধিকবার এলজিইডিকে তাগিদ দিয়েছে। কিন্তু কাজ হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিকাশ বিশ্বাস জানান, এলজিইডিকে আবার তাগিদ দেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম আযম জানান, ব্রিজটির খুবই করুণ অবস্থা। তিনি সোমবার সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। ব্রিজটি সংস্কারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

গোপালপুরের রাজগোলবাড়ী ব্রিজ এখন মরণফাঁদ: দুই বছরে তিন জনের মৃত্যু, আহত ৪০

আপডেট সময়: ০৭:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এপাড়ে ২০১ গম্বুজ মসজিদ, ওপাড়ে হেমনগর রাজবাড়ী। মাঝখানে গইল্লা বিল। এ বিল চিরে যাওয়া গোপালপুর উপজেলায় এলজিইডির ঝাওয়াইল-উদ্যমপুর সড়কের রাজগোলবাড়ী ব্রিজটি এখন মরণফাঁদ। প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। গত দুই বছরে ভাঙা ব্রিজের কিনারা থেকে পড়ে তিনজন নিহত ও ৪০ জন আহত হয়েছেন।

ঐ ব্রিজ থেকে পড়ে তিন জন নিহত ও ৪০ জন আহতর সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার জানান, আর কতজনের প্রাণহানি ঘটলে এলজিইডি এটি সংস্কার করে জনগণ সেই অপেক্ষায় আছেন। ১৯৭৩ সালে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ ব্রিজটি নির্মাণ করে। জীর্ণ ব্রিজের দুই পাশের পাটাতন ভেঙে গেছে। গোড়ায় মারাত্মক ফাটল। নিচে এক পাশের ভীম ভেঙে গেছে। পাটাতনের এক অংশ খসে গেছে। ব্রিজটি দিয়ে যান চলাচল অনুপযোগী ঘোষণা হয়েছে দুই বছর আগে। বিকল্প সড়ক না থাকায় পর্যটকরা ঝুঁকি নিয়ে এটি পারাপার হন। উপজেলা পরিষদ এটির সংস্কারের জন্য একাধিকবার এলজিইডিকে তাগিদ দিয়েছে। কিন্তু কাজ হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিকাশ বিশ্বাস জানান, এলজিইডিকে আবার তাগিদ দেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম আযম জানান, ব্রিজটির খুবই করুণ অবস্থা। তিনি সোমবার সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। ব্রিজটি সংস্কারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি