ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতার পট পরিবর্তনেও যশোর নিউমার্কেটে চলছে ব্যাপক চাঁদাবাজি দেখার কেউ নেই

  • আপডেট সময়: ১২:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫
  • ২৭৯ জন দেখেছে
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার:যশোর নিউমার্কেটের গোলমার্কেট ভাঙ্গার পর তার পাশে গড়ে উঠা অস্থায়ী দোকান মালিকদের নিকট থেকে এহসানুর রহমান লিঠু ও সৈয়দ মুনসুর আলম গত ৫ই আগষ্টের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দুই কোটি সত্তর লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ধরা ছোঁয়ার বাইরে ৫ই আগস্টের পর থেকে ক্ষমতার পট পরিবর্তনেও একইভাবে চলছে চাঁদাবাজি আর এ যেন দেখার কেউ নেই ।

জানা যায়,গত ইংরেজি ২০১৬ সালে যশোর হাউজিং কর্ত্তৃপক্ষ ঐতিহ্যবাহি যশোর নিউমার্কেটের গোলমার্কেট টি উন্নত মার্কেটে রুপান্তরের লক্ষে পুরাতন মার্কেট ভেঙে ফেললে সেখানে অবস্থিত বিভিন্ন দোকান এবং অফিসের মালিকরা খুব অসহায় হয়ে পড়ে ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিঠু এবং তার সন্ত্রাসি বাহিনীর প্রধান সৈয়দ মুনসুর আলমের সান্নিধ্যে যেয়ে অনুরোধ জানান নির্মানাধীন মাকেটের পাশে মহাসড়ক লাগোয়া সি এম বির জমিতে অস্থায়ী ভিত্তিতে দোকান পাট নির্মাণ করার সুযোগ করে দিলে সকলে নিজ খরচে দোকান নির্মান করে তাদের ব্যবসা এবং জীবন-জিবিকা নির্বাহ করতে পারতো নতুবা তাদের খুব সমস্যা। সুযোগ বুঝে পরসম্পদ লোভী সাবেক চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিঠু এবং তার বাহিনী প্রধান মুনসুর আলম অসহায় দোকান মালিকদেরকে জানায়, আমরা যশোর হাউজিং এস্টেটের কর্তৃপক্ষর সাথে আপনাদের সমস্যার কথা জানিয়েছি উনারা আমাকে জানিয়েছেন যে,উল্লেখিত স্থানে দোকান নির্মান করতে হলে প্রতিটা দোকানের জায়গার পরিমাণ হিসাবে ১ লাখ থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা অগ্রীম দিতে হবে এবং দোকান ভেদে ভাড়া দিতে হবে ৫০০০/-টাকা থেকে শুরু করে ১০০০০/-টাকা পর্যন্ত, তবে আপনারা যে টাকা অগ্রিম দিবেন সেই টাকার চুক্তিপত্র থাকবে পরবর্তীতে ঐতিহ্যবাহী গোলমার্কেট যখন নতুন আঙ্গিকে চালু হবে তখন আপনাদের অস্থায়ী দোকান গুলো নিজ খরচে ভেঙে নিতে হবে তখন,আপনাদের অগ্রীম টাকা ফেরত দেওয়া হবে, সে হিসাবে সকলের নিকট থেকে অগ্রীম টাকা গ্রহন করে চুক্তিপত্র আজ দিব কাল দিব করে কখনও করে দেয়নি পরবর্তীতে প্রতিমাসে ৩৭ টি দোকান থেকেই প্রতি মাসে কোনো রশিদ ছাড়া মৌখিক আলোচনা হিসাবে এহসানুর রহমান লিঠু তার বাহিনীর প্রধান সৈয়দ মুনসুর আলম তার সদস্যদের দিয়ে ভাড়া আদায় করেছে,সর্বসাকুল্যে ৫ ই আগস্টের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দোকান দারদের নিকট থেকে আনুমানিক দুই কোটি সত্তর লাখ টাকা তসরুপ করেছে।

এ বিষয়ে ততকালীন যশোর হাউজিং এস্টেটের কর্মকর্তা দিপক বাবু কে লোকসমাচারের এ প্রতিনিধি মুঠো ফোনে কল করে জানতে চাইলে তিনি যথাযথ সঠিক উত্তর জানাতে পারিনি।

আরও জানা যায়, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ৫ই আগস্ট পতিত হওয়ার পর থেকে ক্ষমতার পট পরিবর্তনেও ৩৭ টি দোকানের ব্যবসায়ীরা চাঁদা দেওয়ার হাত থেকে রেহাই পাননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ প্রতিনিধিকে ব্যবসায়ীরা জানান ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমরা ৩৭ টি দোকানের ব্যবসায়ীরা যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিগ্রস্তের শিকার হয়েছিলাম ছাত্র জনতার আন্দোলনে ৫ই আগস্টে ঐ সরকার পতিত হওয়ার পর আমরা এখানে সকল ব্যবসায়ীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলাম যে এখানে যতদিন আমরা ব্যবসা করার সুযোগ পাব ততদিন হয়তো আর কাউকে চাঁদা দিতে হবে না কিন্তু বিধি বাম।

ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর আমাদের সে আশা ফিকে হয়ে গেল একই হারে আমাদের সকলের নিকট থেকে প্রতিমাসে টাকা আদায় করছে যশোর ঘোপ ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ- আলম তার ভাই মধু এবং তাদের সহযোগী সন্ত্রাসী লোকজন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

ক্ষমতার পট পরিবর্তনেও যশোর নিউমার্কেটে চলছে ব্যাপক চাঁদাবাজি দেখার কেউ নেই

আপডেট সময়: ১২:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার:যশোর নিউমার্কেটের গোলমার্কেট ভাঙ্গার পর তার পাশে গড়ে উঠা অস্থায়ী দোকান মালিকদের নিকট থেকে এহসানুর রহমান লিঠু ও সৈয়দ মুনসুর আলম গত ৫ই আগষ্টের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দুই কোটি সত্তর লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ধরা ছোঁয়ার বাইরে ৫ই আগস্টের পর থেকে ক্ষমতার পট পরিবর্তনেও একইভাবে চলছে চাঁদাবাজি আর এ যেন দেখার কেউ নেই ।

জানা যায়,গত ইংরেজি ২০১৬ সালে যশোর হাউজিং কর্ত্তৃপক্ষ ঐতিহ্যবাহি যশোর নিউমার্কেটের গোলমার্কেট টি উন্নত মার্কেটে রুপান্তরের লক্ষে পুরাতন মার্কেট ভেঙে ফেললে সেখানে অবস্থিত বিভিন্ন দোকান এবং অফিসের মালিকরা খুব অসহায় হয়ে পড়ে ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিঠু এবং তার সন্ত্রাসি বাহিনীর প্রধান সৈয়দ মুনসুর আলমের সান্নিধ্যে যেয়ে অনুরোধ জানান নির্মানাধীন মাকেটের পাশে মহাসড়ক লাগোয়া সি এম বির জমিতে অস্থায়ী ভিত্তিতে দোকান পাট নির্মাণ করার সুযোগ করে দিলে সকলে নিজ খরচে দোকান নির্মান করে তাদের ব্যবসা এবং জীবন-জিবিকা নির্বাহ করতে পারতো নতুবা তাদের খুব সমস্যা। সুযোগ বুঝে পরসম্পদ লোভী সাবেক চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিঠু এবং তার বাহিনী প্রধান মুনসুর আলম অসহায় দোকান মালিকদেরকে জানায়, আমরা যশোর হাউজিং এস্টেটের কর্তৃপক্ষর সাথে আপনাদের সমস্যার কথা জানিয়েছি উনারা আমাকে জানিয়েছেন যে,উল্লেখিত স্থানে দোকান নির্মান করতে হলে প্রতিটা দোকানের জায়গার পরিমাণ হিসাবে ১ লাখ থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা অগ্রীম দিতে হবে এবং দোকান ভেদে ভাড়া দিতে হবে ৫০০০/-টাকা থেকে শুরু করে ১০০০০/-টাকা পর্যন্ত, তবে আপনারা যে টাকা অগ্রিম দিবেন সেই টাকার চুক্তিপত্র থাকবে পরবর্তীতে ঐতিহ্যবাহী গোলমার্কেট যখন নতুন আঙ্গিকে চালু হবে তখন আপনাদের অস্থায়ী দোকান গুলো নিজ খরচে ভেঙে নিতে হবে তখন,আপনাদের অগ্রীম টাকা ফেরত দেওয়া হবে, সে হিসাবে সকলের নিকট থেকে অগ্রীম টাকা গ্রহন করে চুক্তিপত্র আজ দিব কাল দিব করে কখনও করে দেয়নি পরবর্তীতে প্রতিমাসে ৩৭ টি দোকান থেকেই প্রতি মাসে কোনো রশিদ ছাড়া মৌখিক আলোচনা হিসাবে এহসানুর রহমান লিঠু তার বাহিনীর প্রধান সৈয়দ মুনসুর আলম তার সদস্যদের দিয়ে ভাড়া আদায় করেছে,সর্বসাকুল্যে ৫ ই আগস্টের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দোকান দারদের নিকট থেকে আনুমানিক দুই কোটি সত্তর লাখ টাকা তসরুপ করেছে।

এ বিষয়ে ততকালীন যশোর হাউজিং এস্টেটের কর্মকর্তা দিপক বাবু কে লোকসমাচারের এ প্রতিনিধি মুঠো ফোনে কল করে জানতে চাইলে তিনি যথাযথ সঠিক উত্তর জানাতে পারিনি।

আরও জানা যায়, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ৫ই আগস্ট পতিত হওয়ার পর থেকে ক্ষমতার পট পরিবর্তনেও ৩৭ টি দোকানের ব্যবসায়ীরা চাঁদা দেওয়ার হাত থেকে রেহাই পাননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ প্রতিনিধিকে ব্যবসায়ীরা জানান ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমরা ৩৭ টি দোকানের ব্যবসায়ীরা যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিগ্রস্তের শিকার হয়েছিলাম ছাত্র জনতার আন্দোলনে ৫ই আগস্টে ঐ সরকার পতিত হওয়ার পর আমরা এখানে সকল ব্যবসায়ীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলাম যে এখানে যতদিন আমরা ব্যবসা করার সুযোগ পাব ততদিন হয়তো আর কাউকে চাঁদা দিতে হবে না কিন্তু বিধি বাম।

ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর আমাদের সে আশা ফিকে হয়ে গেল একই হারে আমাদের সকলের নিকট থেকে প্রতিমাসে টাকা আদায় করছে যশোর ঘোপ ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ- আলম তার ভাই মধু এবং তাদের সহযোগী সন্ত্রাসী লোকজন।