ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুরুচিপূর্ণ কর্মকাণ্ড: ঢাকায় সেফুদার বিচার শুরু

  • আপডেট সময়: ০৯:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২
  • ১২৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: ফেসবুকে বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে ভাইরাল অস্ট্রিয়া প্রবাসী সেফাতউল্লাহ ওরফে সেফুদার বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালতে বিচার শুরু হয়েছে।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জগলুল হোসেন। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, গত বছরের ২৩ নভেম্বর সেফুদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। আজ মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন মামলার বাদী সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর সময়ের আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৪ জুলাই মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছেন।

গত বছরের ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে এ মামলাটি করেন ঢাকা বারের আইনজীবী আলীম আল রাজী (জীবন)। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

এরপর মামলার অভিযোগ তদন্ত শেষ করে গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের উপ-পরিদর্শক পার্থপ্রতিম ব্রহ্মচারী সেফাত উল্লাহর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ২৫/২৯/৩১ ধারার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিবেদন দাখিল করেন। ট্রাইব্যুনাল তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সেফুদার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি সেফাত উল্লাহ সেফুদা অনলাইনে একাধিকবার বিভিন্নভাবে একাধিক ভিডিও আপলোড করেছে, যা ভাইরাল হয়েছে। তিনি এসব ভিডিওর মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল ও আক্রমণাত্মক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন, যা আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক, তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ, মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং একাধিক গোষ্ঠীর মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি করেছেন। ফলে দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ২৫/২৯/৩১ ধারার অপরাধের শামিল। তাই তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হলো।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

বিদ্রোহ থামেনি

কুরুচিপূর্ণ কর্মকাণ্ড: ঢাকায় সেফুদার বিচার শুরু

আপডেট সময়: ০৯:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: ফেসবুকে বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে ভাইরাল অস্ট্রিয়া প্রবাসী সেফাতউল্লাহ ওরফে সেফুদার বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালতে বিচার শুরু হয়েছে।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জগলুল হোসেন। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, গত বছরের ২৩ নভেম্বর সেফুদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। আজ মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন মামলার বাদী সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর সময়ের আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৪ জুলাই মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছেন।

গত বছরের ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে এ মামলাটি করেন ঢাকা বারের আইনজীবী আলীম আল রাজী (জীবন)। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

এরপর মামলার অভিযোগ তদন্ত শেষ করে গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের উপ-পরিদর্শক পার্থপ্রতিম ব্রহ্মচারী সেফাত উল্লাহর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ২৫/২৯/৩১ ধারার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিবেদন দাখিল করেন। ট্রাইব্যুনাল তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সেফুদার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি সেফাত উল্লাহ সেফুদা অনলাইনে একাধিকবার বিভিন্নভাবে একাধিক ভিডিও আপলোড করেছে, যা ভাইরাল হয়েছে। তিনি এসব ভিডিওর মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল ও আক্রমণাত্মক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন, যা আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক, তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ, মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং একাধিক গোষ্ঠীর মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি করেছেন। ফলে দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ২৫/২৯/৩১ ধারার অপরাধের শামিল। তাই তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হলো।