ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক মামলায় জামিন পেলেন ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেফতার ফিরোজ

  • আপডেট সময়: ০৮:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২০
  • ১২৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতারের পর এক মামলায় জামিন পেয়েছে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ও কৃষক লীগের সাবেক নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ। দুদকের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আজ বুধবার তাকে জামিন দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ।

এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম সাংবাদিকদের জানান, আসামির জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এরপরও বিচারক ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন দিয়েছেন। তবে এই মামলায় জামিন হলেও ফিরোজের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের মামলা থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।

এর আগে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর শফিকুল আলমকে র্যাব গ্রেফতার করতে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান চালায়। অভিযানকালে সাত প্যাকেট ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। ওই দিন রাতেই তার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন র্যাব-২ এর পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ খান। পরে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি গত বছরের ৩০ অক্টোবর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বাদয় হয়ে দায়ের করেন।

দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই কোটি ৬৮ লাখ দুই হাজার ৬৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি ২০১৭-১৮ করবর্ষ পর্যন্ত এক কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৪৭০ টাকার সম্পত্তি অর্জন করেছেন। এই সম্পত্তি অর্জনের সপক্ষে কোনো বৈধ আয়ের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার নামে-বেনামে আরও স্থাবর সম্পদ রয়েছে রয়েছে। যা তদন্তকালে খতিয়ে দেখা হবে।

আরও বলা হয়, শফিকুল আলম এক সময় ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। তার স্ত্রীর নামে ধানমন্ডিতে দু’টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে।ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতারের পর এক মামলায় জামিন পেয়েছে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ও কৃষক লীগের সাবেক নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ। দুদকের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আজ বুধবার তাকে জামিন দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ।

এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম সাংবাদিকদের জানান, আসামির জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এরপরও বিচারক ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন দিয়েছেন। তবে এই মামলায় জামিন হলেও ফিরোজের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের মামলা থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।

এর আগে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর শফিকুল আলমকে র্যাব গ্রেফতার করতে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান চালায়। অভিযানকালে সাত প্যাকেট ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। ওই দিন রাতেই তার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন র্যাব-২ এর পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ খান। পরে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি গত বছরের ৩০ অক্টোবর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বাদয় হয়ে দায়ের করেন।

দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই কোটি ৬৮ লাখ দুই হাজার ৬৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি ২০১৭-১৮ করবর্ষ পর্যন্ত এক কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৪৭০ টাকার সম্পত্তি অর্জন করেছেন। এই সম্পত্তি অর্জনের সপক্ষে কোনো বৈধ আয়ের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার নামে-বেনামে আরও স্থাবর সম্পদ রয়েছে রয়েছে। যা তদন্তকালে খতিয়ে দেখা হবে।

আরও বলা হয়, শফিকুল আলম এক সময় ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। তার স্ত্রীর নামে ধানমন্ডিতে দু’টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে।: ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতারের পর এক মামলায় জামিন পেয়েছে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ও কৃষক লীগের সাবেক নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ। দুদকের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আজ বুধবার তাকে জামিন দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ।

এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম সাংবাদিকদের জানান, আসামির জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এরপরও বিচারক ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন দিয়েছেন। তবে এই মামলায় জামিন হলেও ফিরোজের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের মামলা থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।

এর আগে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর শফিকুল আলমকে র্যাব গ্রেফতার করতে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান চালায়। অভিযানকালে সাত প্যাকেট ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। ওই দিন রাতেই তার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন র্যাব-২ এর পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ খান। পরে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি গত বছরের ৩০ অক্টোবর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বাদয় হয়ে দায়ের করেন।

দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই কোটি ৬৮ লাখ দুই হাজার ৬৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি ২০১৭-১৮ করবর্ষ পর্যন্ত এক কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৪৭০ টাকার সম্পত্তি অর্জন করেছেন। এই সম্পত্তি অর্জনের সপক্ষে কোনো বৈধ আয়ের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার নামে-বেনামে আরও স্থাবর সম্পদ রয়েছে রয়েছে। যা তদন্তকালে খতিয়ে দেখা হবে।

আরও বলা হয়, শফিকুল আলম এক সময় ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। তার স্ত্রীর নামে ধানমন্ডিতে দু’টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে।লোকসমাচার ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতারের পর এক মামলায় জামিন পেয়েছে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ও কৃষক লীগের সাবেক নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ। দুদকের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আজ বুধবার তাকে জামিন দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ।

এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম সাংবাদিকদের জানান, আসামির জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এরপরও বিচারক ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন দিয়েছেন। তবে এই মামলায় জামিন হলেও ফিরোজের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের মামলা থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।

এর আগে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর শফিকুল আলমকে র্যাব গ্রেফতার করতে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান চালায়। অভিযানকালে সাত প্যাকেট ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। ওই দিন রাতেই তার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন র্যাব-২ এর পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ খান। পরে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি গত বছরের ৩০ অক্টোবর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বাদয় হয়ে দায়ের করেন।

দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই কোটি ৬৮ লাখ দুই হাজার ৬৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি ২০১৭-১৮ করবর্ষ পর্যন্ত এক কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৪৭০ টাকার সম্পত্তি অর্জন করেছেন। এই সম্পত্তি অর্জনের সপক্ষে কোনো বৈধ আয়ের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার নামে-বেনামে আরও স্থাবর সম্পদ রয়েছে রয়েছে। যা তদন্তকালে খতিয়ে দেখা হবে।

আরও বলা হয়, শফিকুল আলম এক সময় ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। তার স্ত্রীর নামে ধানমন্ডিতে দু’টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

এক মামলায় জামিন পেলেন ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেফতার ফিরোজ

আপডেট সময়: ০৮:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতারের পর এক মামলায় জামিন পেয়েছে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ও কৃষক লীগের সাবেক নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ। দুদকের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আজ বুধবার তাকে জামিন দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ।

এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম সাংবাদিকদের জানান, আসামির জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এরপরও বিচারক ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন দিয়েছেন। তবে এই মামলায় জামিন হলেও ফিরোজের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের মামলা থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।

এর আগে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর শফিকুল আলমকে র্যাব গ্রেফতার করতে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান চালায়। অভিযানকালে সাত প্যাকেট ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। ওই দিন রাতেই তার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন র্যাব-২ এর পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ খান। পরে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি গত বছরের ৩০ অক্টোবর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বাদয় হয়ে দায়ের করেন।

দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই কোটি ৬৮ লাখ দুই হাজার ৬৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি ২০১৭-১৮ করবর্ষ পর্যন্ত এক কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৪৭০ টাকার সম্পত্তি অর্জন করেছেন। এই সম্পত্তি অর্জনের সপক্ষে কোনো বৈধ আয়ের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার নামে-বেনামে আরও স্থাবর সম্পদ রয়েছে রয়েছে। যা তদন্তকালে খতিয়ে দেখা হবে।

আরও বলা হয়, শফিকুল আলম এক সময় ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। তার স্ত্রীর নামে ধানমন্ডিতে দু’টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে।ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতারের পর এক মামলায় জামিন পেয়েছে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ও কৃষক লীগের সাবেক নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ। দুদকের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আজ বুধবার তাকে জামিন দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ।

এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম সাংবাদিকদের জানান, আসামির জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এরপরও বিচারক ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন দিয়েছেন। তবে এই মামলায় জামিন হলেও ফিরোজের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের মামলা থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।

এর আগে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর শফিকুল আলমকে র্যাব গ্রেফতার করতে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান চালায়। অভিযানকালে সাত প্যাকেট ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। ওই দিন রাতেই তার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন র্যাব-২ এর পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ খান। পরে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি গত বছরের ৩০ অক্টোবর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বাদয় হয়ে দায়ের করেন।

দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই কোটি ৬৮ লাখ দুই হাজার ৬৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি ২০১৭-১৮ করবর্ষ পর্যন্ত এক কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৪৭০ টাকার সম্পত্তি অর্জন করেছেন। এই সম্পত্তি অর্জনের সপক্ষে কোনো বৈধ আয়ের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার নামে-বেনামে আরও স্থাবর সম্পদ রয়েছে রয়েছে। যা তদন্তকালে খতিয়ে দেখা হবে।

আরও বলা হয়, শফিকুল আলম এক সময় ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। তার স্ত্রীর নামে ধানমন্ডিতে দু’টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে।: ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতারের পর এক মামলায় জামিন পেয়েছে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ও কৃষক লীগের সাবেক নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ। দুদকের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আজ বুধবার তাকে জামিন দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ।

এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম সাংবাদিকদের জানান, আসামির জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এরপরও বিচারক ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন দিয়েছেন। তবে এই মামলায় জামিন হলেও ফিরোজের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের মামলা থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।

এর আগে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর শফিকুল আলমকে র্যাব গ্রেফতার করতে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান চালায়। অভিযানকালে সাত প্যাকেট ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। ওই দিন রাতেই তার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন র্যাব-২ এর পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ খান। পরে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি গত বছরের ৩০ অক্টোবর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বাদয় হয়ে দায়ের করেন।

দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই কোটি ৬৮ লাখ দুই হাজার ৬৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি ২০১৭-১৮ করবর্ষ পর্যন্ত এক কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৪৭০ টাকার সম্পত্তি অর্জন করেছেন। এই সম্পত্তি অর্জনের সপক্ষে কোনো বৈধ আয়ের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার নামে-বেনামে আরও স্থাবর সম্পদ রয়েছে রয়েছে। যা তদন্তকালে খতিয়ে দেখা হবে।

আরও বলা হয়, শফিকুল আলম এক সময় ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। তার স্ত্রীর নামে ধানমন্ডিতে দু’টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে।লোকসমাচার ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতারের পর এক মামলায় জামিন পেয়েছে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ও কৃষক লীগের সাবেক নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ। দুদকের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আজ বুধবার তাকে জামিন দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ।

এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম সাংবাদিকদের জানান, আসামির জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এরপরও বিচারক ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন দিয়েছেন। তবে এই মামলায় জামিন হলেও ফিরোজের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের মামলা থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।

এর আগে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর শফিকুল আলমকে র্যাব গ্রেফতার করতে কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান চালায়। অভিযানকালে সাত প্যাকেট ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। ওই দিন রাতেই তার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন র্যাব-২ এর পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ খান। পরে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি গত বছরের ৩০ অক্টোবর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম বাদয় হয়ে দায়ের করেন।

দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই কোটি ৬৮ লাখ দুই হাজার ৬৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি ২০১৭-১৮ করবর্ষ পর্যন্ত এক কোটি ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৪৭০ টাকার সম্পত্তি অর্জন করেছেন। এই সম্পত্তি অর্জনের সপক্ষে কোনো বৈধ আয়ের উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার নামে-বেনামে আরও স্থাবর সম্পদ রয়েছে রয়েছে। যা তদন্তকালে খতিয়ে দেখা হবে।

আরও বলা হয়, শফিকুল আলম এক সময় ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। তার স্ত্রীর নামে ধানমন্ডিতে দু’টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে।