ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইয়েমেনে আটকে গেছেন সৌদি যুবরাজ: নিউ ইয়র্ক টাইমস

  • আপডেট সময়: ০৬:১৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯
  • ১৬৫ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: ইয়েমেনে সামরিক আগ্রাসন চালাতে গিয়ে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান সেখানে আটকে গেছেন। এজন্য তিনি আবারো আমেরিকার সাহায্য চেয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে এ মন্তব্য করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইয়েমেন ইস্যুতে বিন সালমান আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে রয়েছেন।

দীর্ঘ চার বছরের বেশি সময় ধরে দারিদ্রপীড়িত ইয়েমেনের ওপর সৌদি আরব জোটবদ্ধভাবে সামরিক আগ্রাসন চালালেও এখন পর্যন্ত কোনও লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। পলাতক প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদিকে ক্ষমতায় পুনর্বহাল ও হুথি আসনারুল্লাহ আন্দোলনকে নির্মূল করা ছিল এই সামরিক আগ্রাসনের প্রধান দুটি লক্ষ্য।

সৌদি আগ্রাসনে ধব্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে ইয়েমেন। এ অবস্থায় হতাশ সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাড়তি সাহায্য চেয়েছেন।

কাঙ্ক্ষিত সাহায্যের মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা সহযোগিতা ও মার্কিন স্পেশাল ফোর্স মোতায়েনের দাবি। ইয়েমেন আগ্রাসনের শুরু থেকেই সৌদি আরবকে অস্ত্র ও রসদ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র: আলমানার

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সরকারের সুনির্দিষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা রয়েছে- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ইয়েমেনে আটকে গেছেন সৌদি যুবরাজ: নিউ ইয়র্ক টাইমস

আপডেট সময়: ০৬:১৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: ইয়েমেনে সামরিক আগ্রাসন চালাতে গিয়ে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান সেখানে আটকে গেছেন। এজন্য তিনি আবারো আমেরিকার সাহায্য চেয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে এ মন্তব্য করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইয়েমেন ইস্যুতে বিন সালমান আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে রয়েছেন।

দীর্ঘ চার বছরের বেশি সময় ধরে দারিদ্রপীড়িত ইয়েমেনের ওপর সৌদি আরব জোটবদ্ধভাবে সামরিক আগ্রাসন চালালেও এখন পর্যন্ত কোনও লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। পলাতক প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদিকে ক্ষমতায় পুনর্বহাল ও হুথি আসনারুল্লাহ আন্দোলনকে নির্মূল করা ছিল এই সামরিক আগ্রাসনের প্রধান দুটি লক্ষ্য।

সৌদি আগ্রাসনে ধব্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে ইয়েমেন। এ অবস্থায় হতাশ সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাড়তি সাহায্য চেয়েছেন।

কাঙ্ক্ষিত সাহায্যের মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা সহযোগিতা ও মার্কিন স্পেশাল ফোর্স মোতায়েনের দাবি। ইয়েমেন আগ্রাসনের শুরু থেকেই সৌদি আরবকে অস্ত্র ও রসদ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র: আলমানার