ঢাকা ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আর কত জাস্টিফাই, এবার তোদের রক্ষা নাই’

  • আপডেট সময়: ০৭:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৭১ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন নিয়ে রিট করা ছাত্রীকে ‘গণধর্ষণের’ হুমকি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেত্রীদের হেনস্থা ও সারা দেশে নারী নেত্রীদের সাইবার বুলিংয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সুপ্রিম কোর্টের সামনে এই প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাকর্মীরা ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা মহানগরের আওতাধীন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নারী নেত্রীরা এই কর্মসূচির আয়োজন করে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরসহ অন্যান্য ইউনিটের নারী নেতৃবৃন্দ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচিতে প্রতিবাদী বক্তব্যের পাশাপাশি নারী নেত্রীদের বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা গেছে। এরমধ্যে ‘আর কত জাস্টিফাই, এবার তোদের রক্ষা নাই’, ‘নারীকে সম্মান করো, মানুষ হও,’ ‘হেনস্থা করে যে, সে তো শিবির’, ‘এত নারী বিদ্বেষী কেন তোমরা হে মদদুদবাদী?’, ‘ওহে হেকমতি গুপ্ত, ধর্ষণের পদযাত্রাই করেছ রপ্ত?’, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী হেনস্তার নেপথ্যে কারা?’, ‘নিপীড়কের ঠিকানা, এই দেশে হবে না,’ ‘আলী হোসেনরা মানুষ না, ওরা শিবির’, ‘ধর্ষণের পদযাত্রা বন্ধ করো, নারীকে স্বাধীনভাবে বাঁচতে দাও,’ ‘অবিলম্বে আলী হোসেনের বিচার করতে হবে,’ ‘নারী তুমি ভয় পেওনা, শক্তি যোগাও জয় হবেই,’ ‘হুমকি দিয়ে নারী জাগরণ থামাতে পারবে না ওহে ধর্ম ব্যবসায়ী,’ ‘লড়াই করো বাংলাদেশ, ষড়যন্ত্র হয়নি শেষ,’ ইত্যাদি।

মানবন্ধনে নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে দেশের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনে নারীরা সম্মুখসারিতে লড়াই করেছে। তারপরও সাইবার বুলিং, বডি-শেমিংসহ বিভিন্ন হীন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। দলমত নির্বিশেষে সব নারীই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, দেশের পুলিশ প্রশাসনকে কখনও এসবের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। তারা এ ধরনের হেনস্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

এর আগে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, নিপীড়ন, ধর্ষণ, সাইবার বুলিং এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে মিছিল ও মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

‘আর কত জাস্টিফাই, এবার তোদের রক্ষা নাই’

আপডেট সময়: ০৭:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন নিয়ে রিট করা ছাত্রীকে ‘গণধর্ষণের’ হুমকি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেত্রীদের হেনস্থা ও সারা দেশে নারী নেত্রীদের সাইবার বুলিংয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সুপ্রিম কোর্টের সামনে এই প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাকর্মীরা ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা মহানগরের আওতাধীন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নারী নেত্রীরা এই কর্মসূচির আয়োজন করে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরসহ অন্যান্য ইউনিটের নারী নেতৃবৃন্দ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচিতে প্রতিবাদী বক্তব্যের পাশাপাশি নারী নেত্রীদের বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা গেছে। এরমধ্যে ‘আর কত জাস্টিফাই, এবার তোদের রক্ষা নাই’, ‘নারীকে সম্মান করো, মানুষ হও,’ ‘হেনস্থা করে যে, সে তো শিবির’, ‘এত নারী বিদ্বেষী কেন তোমরা হে মদদুদবাদী?’, ‘ওহে হেকমতি গুপ্ত, ধর্ষণের পদযাত্রাই করেছ রপ্ত?’, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী হেনস্তার নেপথ্যে কারা?’, ‘নিপীড়কের ঠিকানা, এই দেশে হবে না,’ ‘আলী হোসেনরা মানুষ না, ওরা শিবির’, ‘ধর্ষণের পদযাত্রা বন্ধ করো, নারীকে স্বাধীনভাবে বাঁচতে দাও,’ ‘অবিলম্বে আলী হোসেনের বিচার করতে হবে,’ ‘নারী তুমি ভয় পেওনা, শক্তি যোগাও জয় হবেই,’ ‘হুমকি দিয়ে নারী জাগরণ থামাতে পারবে না ওহে ধর্ম ব্যবসায়ী,’ ‘লড়াই করো বাংলাদেশ, ষড়যন্ত্র হয়নি শেষ,’ ইত্যাদি।

মানবন্ধনে নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে দেশের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনে নারীরা সম্মুখসারিতে লড়াই করেছে। তারপরও সাইবার বুলিং, বডি-শেমিংসহ বিভিন্ন হীন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। দলমত নির্বিশেষে সব নারীই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, দেশের পুলিশ প্রশাসনকে কখনও এসবের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। তারা এ ধরনের হেনস্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

এর আগে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, নিপীড়ন, ধর্ষণ, সাইবার বুলিং এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে মিছিল ও মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।