ঢাকা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদালতের নিরাপত্তায় বিশেষ বাহিনী চান বিচারকেরা

  • আপডেট সময়: ০৩:১৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪
  • ৯৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বিচারকাজ পরিচালনা, আদালত চত্বরে আইনজীবী এবং জনসাধারণের স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত নিরাপত্তা বাহিনী গঠনের দাবি জানিয়েছেন বিচারকেরা।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আমিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম এই দাবি জানান।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন আদালত প্রাঙ্গণে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনায় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। চট্টগ্রাম আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়াকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ এবং দুষ্কৃতকারীদের তাণ্ডবে সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) সাইফুল ইসলাম আলিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ড বিচার বিভাগের জন্য লজ্জাকর। নিহত আইনজীবীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

গত ২১ নভেম্বর দিনাজপুর জেলা জজ আদালতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনেই উচ্ছৃঙ্খল জনতার তাণ্ডব, আদালতের কার্যক্রমে বাধা প্রদান এবং এজলাসে নৈরাজ্য সৃষ্টি বিচার বিভাগের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এসব ঘটনা বিচারকদের পেশাগত কাজের পরিবেশ ও তাদের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। আদালতের পবিত্র প্রাঙ্গণে এমন অরাজক পরিস্থিতি শুধু বিচার বিভাগের মর্যাদাহানিই করে না, বরং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারকেও বিঘ্নিত করে।

আদালতের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা থাকার পরও এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে যাচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন খুবই উদ্বিগ্ন। সারাদেশের বিচারাঙ্গনের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে আদালত প্রাঙ্গণে সৃষ্ট নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী, ইন্ধনদাতা এবং সহায়তাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে বিচারকদের শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য এবং আদালত চত্বরে আইনজীবী ও জনসাধারণের স্থায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিচার বিভাগের অধীনে একটি পৃথক বিশেষায়িত নিরাপত্তা বাহিনী গঠনের দাবিও জানানো হয়।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

আদালতের নিরাপত্তায় বিশেষ বাহিনী চান বিচারকেরা

আপডেট সময়: ০৩:১৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বিচারকাজ পরিচালনা, আদালত চত্বরে আইনজীবী এবং জনসাধারণের স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত নিরাপত্তা বাহিনী গঠনের দাবি জানিয়েছেন বিচারকেরা।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আমিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম এই দাবি জানান।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন আদালত প্রাঙ্গণে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনায় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। চট্টগ্রাম আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়াকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ এবং দুষ্কৃতকারীদের তাণ্ডবে সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) সাইফুল ইসলাম আলিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ড বিচার বিভাগের জন্য লজ্জাকর। নিহত আইনজীবীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

গত ২১ নভেম্বর দিনাজপুর জেলা জজ আদালতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনেই উচ্ছৃঙ্খল জনতার তাণ্ডব, আদালতের কার্যক্রমে বাধা প্রদান এবং এজলাসে নৈরাজ্য সৃষ্টি বিচার বিভাগের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এসব ঘটনা বিচারকদের পেশাগত কাজের পরিবেশ ও তাদের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। আদালতের পবিত্র প্রাঙ্গণে এমন অরাজক পরিস্থিতি শুধু বিচার বিভাগের মর্যাদাহানিই করে না, বরং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারকেও বিঘ্নিত করে।

আদালতের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা থাকার পরও এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে যাচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন খুবই উদ্বিগ্ন। সারাদেশের বিচারাঙ্গনের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে আদালত প্রাঙ্গণে সৃষ্ট নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী, ইন্ধনদাতা এবং সহায়তাকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে বিচারকদের শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য এবং আদালত চত্বরে আইনজীবী ও জনসাধারণের স্থায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিচার বিভাগের অধীনে একটি পৃথক বিশেষায়িত নিরাপত্তা বাহিনী গঠনের দাবিও জানানো হয়।