ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভয়নগরে মায়ের হাত-পা ভেঙ্গে দিল ছেলে

  • আপডেট সময়: ০৬:০৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ১৩৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক :যশোরের অভয়নগর উপজেলায় কোদালের আছাড় দিয়ে পিটিয়ে মায়ের দুই হাত ও একটি পা ভেঙ্গে দিয়েছে ছেলে রাহিদুল ইসলাম (৩০)।

উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের দেয়াপাড়া গ্রামে রোববার এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত মা মর্জিনা বেগম (৪৮) অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রাহিদুলের বোন পারভীন আক্তার জানান, রোববার দুপুরে তার ভাই রাহিদুল ইসলামের তালাক দেয়া স্ত্রীর বাবার বাড়ি থেকে তার ছেলেকে না আনায় মায়ের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে এই জঘন্যতম এই কাজটি করে। বেদম মারপিটের সময় মা মর্জিনা বেগমের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

বিষয়টি সম্পর্কে হাসপাতালের বারান্দায় শুয়ে থাকা অবস্থায় মর্জিনা বেগম যুগান্তরকে বলেন, আমার ছেলে আমাকে মেরেছে কিন্তু তার বিচার আমি নিজেই করব। আমার ছেলেকে প্রয়োজনে আমি মারব। তবে অন্য কাউকে মারতে দেব না।

একপর্যায়ে তিনি বলেন, আমার ছেলেটি মানসিকভাবে অসুস্থ। তার মাথায় জিনের আশ্রয় রয়েছে।

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি এইমাত্র শুনলাম। জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

অভয়নগরে মায়ের হাত-পা ভেঙ্গে দিল ছেলে

আপডেট সময়: ০৬:০৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২০
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক :যশোরের অভয়নগর উপজেলায় কোদালের আছাড় দিয়ে পিটিয়ে মায়ের দুই হাত ও একটি পা ভেঙ্গে দিয়েছে ছেলে রাহিদুল ইসলাম (৩০)।

উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের দেয়াপাড়া গ্রামে রোববার এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত মা মর্জিনা বেগম (৪৮) অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রাহিদুলের বোন পারভীন আক্তার জানান, রোববার দুপুরে তার ভাই রাহিদুল ইসলামের তালাক দেয়া স্ত্রীর বাবার বাড়ি থেকে তার ছেলেকে না আনায় মায়ের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে এই জঘন্যতম এই কাজটি করে। বেদম মারপিটের সময় মা মর্জিনা বেগমের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

বিষয়টি সম্পর্কে হাসপাতালের বারান্দায় শুয়ে থাকা অবস্থায় মর্জিনা বেগম যুগান্তরকে বলেন, আমার ছেলে আমাকে মেরেছে কিন্তু তার বিচার আমি নিজেই করব। আমার ছেলেকে প্রয়োজনে আমি মারব। তবে অন্য কাউকে মারতে দেব না।

একপর্যায়ে তিনি বলেন, আমার ছেলেটি মানসিকভাবে অসুস্থ। তার মাথায় জিনের আশ্রয় রয়েছে।

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি এইমাত্র শুনলাম। জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।