ঢাকা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে ১০৮৯ এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত

  • আপডেট সময়: ১১:০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮১ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:অবশেষে ‘শর্তসাপেক্ষে’ অনুদানভুক্ত ১ হাজার ৮৯টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের মাদরাসা অনু বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম মাসুদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা এমপিওভুক্তির আবেদন করা ১ হাজার ৮৯টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির অনুমোদনের জন্য ফাইল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠিয়েছিলাম। শর্ত সাপেক্ষে মাদরাসাগুলো এমপিওভুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

এই ১ হাজার ৮৯টি এবতেদায়ী মাদরাসার মধ্যে যেগুলো চলতি বছর জারি করা এমপিও নীতিমালার শর্ত পূরণ করেছে, সেগুলোকে এমপিওভুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগকে। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মাদ্রাসাগুলো এমপিওভুক্ত করা হবে।

দেড় হাজারের বেশি অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির আবেদন গত ৮ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত গ্রহণ করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ।

ইসলামি ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ে যে শিক্ষাব্যবস্থা রয়েছে, সেই আলিয়া মাদরাসা পদ্ধতিতে পঠন-পাঠন হয় এবতেদায়ী মাদরাসায়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমমান এই ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গোড়াপত্তন হয় ১৯৮৪ সালে।

মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশে অনুদানভুক্ত ১ হাজার ৫১৯টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা এবং সহকারী শিক্ষকরা তিন হাজার টাকা করে অনুদান পেয়ে থাকেন।

এর বাইরে দেশে আরও ৫ হাজার ৯৩২টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা রয়েছে, যেগুলো সরকারি কোনো অনুদান পায় না।

শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে এ বছরের শুরুতে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে প্রথমে এমপিওভুক্ত করে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়েছিল কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।

দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে আসা স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকরা জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলেন দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর। এর মধ্যে তাদের এক পদযাত্রায় পুলিশ লাঠিপেটা ও জলকামান ব্যবহার করে।

বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের পিটুনির সেই ঘটনা আলোড়ন তোলে। তারই একপর্যায়ে গত ২৮ জানুয়ারি এবতেদায়ী মাদ্রাসাকে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণের ঘোষণা দেন মাদরাসা অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম মাসুদুল হক।

গত ২৫ জুন এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নীতিমালা অনুসারে, মাদ্রাসাগুলোর মোট ছয়টি পদ এমপিওভুক্ত হবে। এবতেদায়ী প্রধান বেতন পাবেন ১০ম গ্রেডে। আর সাধারণ, বিজ্ঞান ও আরবি বিষয়ের সহকারী শিক্ষকের বেতন হবে ১৩তম গ্রেডে। আর ক্বারী বা নূরানী বিষয়ের সহকারী শিক্ষকরা ১৬তম গ্রেডে বেতন পাবেন। আর প্রতিটি এবতেদায়ী মাদ্রাসার অফিস সহায়ক পদ সৃষ্টি করা হয়েছে, যে পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা ২০ তম গ্রেডে বেতন পাবেন।

নীতিমালা অনুসারে, মাদরাসাগুলোর শিক্ষক পদে এনটিআরসিএর সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। আর নীতিমালায় মাদরাসাগুলোর ম্যানেজিং কমিটি গঠনের নির্দেশনা এসেছে। প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহায়ক পদে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ হবে বলে নীতিমালায় জানানো হয়েছে।

এমপিওভুক্তির জন্য এবতেদায়ী মাদরাসাগুলোর গ্রেডিং পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। একাডেমিক স্বীকৃতি, প্রতিষ্ঠানের জমি, প্রতিষ্ঠানিক অবকাঠামো, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংখ্যা, বার্ষিক পরীক্ষার গড় নম্বর, পরিবেশ ইত্যাদি সূচকে নম্বর নির্ধারণ করে মাদ্রাসাগুলোর গ্রেডিং করা হবে।

নীতিমালায় মাদ্রসা শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে আহ্বাায়ক করে ৭ সদস্যর এমপিও কমিটি গঠন করা হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মাদরাসাগুলোর কাগজপত্র যাচাই করে এমপিও দেবে। প্রথমে মাদ্রসাগুলোকে এমপিও কোড দেওয়া হবে। শিক্ষক-কর্মচারীরা এমপিওভুক্তির তারিখ থেকে বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হলে যোগদানের তারিখ থেকে এমপিও পাবেন।

এদিকে, সব এবতেদায়ী মাদরাসা জাতীয়করণসহ পাঁচ দাবিতেটানা ২২ দিনে আন্দোলন করছেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সড়ক অবরোধ করে জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবিতে অব্যাহত রয়েছে তাদের অবস্থান কর্মসূচি। গত ১৩ অক্টোবর থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা। সোমবার তারা দাবি আদায়ে বিক্ষোভ মিছিল করার পরিকল্পনা করলেও প্রধান উপদেষ্টা ১ হাজার ৮৯টি শিক্ষার্থীর স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির অনুমোদন দেওয়ায় তারা তা করেননি। তবে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

জানতে চাইলে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক ঐক্য জোট আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক শামসুল আলম সোমবার বিকালে বলেন, ১ হাজার ৮৯টি মাদরাসা এমপিওভুক্তির জন্য প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় অনুমোদন দিয়েছেন বলে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা আমাদের জানিয়েছেন। তারা আমাদের বিক্ষোভ মিছিল না করার অনুরোধ করেছেন। তাই আমরা বিক্ষোভ মিছিল করিনি। তিনি জানান, আমরা লাগাতার অবস্থান চালিয়ে যাব। তবে আপাতত আমরা নতুন কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করছি না।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

অবশেষে ১০৮৯ এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত

আপডেট সময়: ১১:০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:অবশেষে ‘শর্তসাপেক্ষে’ অনুদানভুক্ত ১ হাজার ৮৯টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের মাদরাসা অনু বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম মাসুদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা এমপিওভুক্তির আবেদন করা ১ হাজার ৮৯টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির অনুমোদনের জন্য ফাইল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠিয়েছিলাম। শর্ত সাপেক্ষে মাদরাসাগুলো এমপিওভুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

এই ১ হাজার ৮৯টি এবতেদায়ী মাদরাসার মধ্যে যেগুলো চলতি বছর জারি করা এমপিও নীতিমালার শর্ত পূরণ করেছে, সেগুলোকে এমপিওভুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগকে। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মাদ্রাসাগুলো এমপিওভুক্ত করা হবে।

দেড় হাজারের বেশি অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির আবেদন গত ৮ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত গ্রহণ করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ।

ইসলামি ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ে যে শিক্ষাব্যবস্থা রয়েছে, সেই আলিয়া মাদরাসা পদ্ধতিতে পঠন-পাঠন হয় এবতেদায়ী মাদরাসায়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমমান এই ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গোড়াপত্তন হয় ১৯৮৪ সালে।

মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশে অনুদানভুক্ত ১ হাজার ৫১৯টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা এবং সহকারী শিক্ষকরা তিন হাজার টাকা করে অনুদান পেয়ে থাকেন।

এর বাইরে দেশে আরও ৫ হাজার ৯৩২টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা রয়েছে, যেগুলো সরকারি কোনো অনুদান পায় না।

শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে এ বছরের শুরুতে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে প্রথমে এমপিওভুক্ত করে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়েছিল কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।

দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে আসা স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকরা জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলেন দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর। এর মধ্যে তাদের এক পদযাত্রায় পুলিশ লাঠিপেটা ও জলকামান ব্যবহার করে।

বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের পিটুনির সেই ঘটনা আলোড়ন তোলে। তারই একপর্যায়ে গত ২৮ জানুয়ারি এবতেদায়ী মাদ্রাসাকে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণের ঘোষণা দেন মাদরাসা অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম মাসুদুল হক।

গত ২৫ জুন এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নীতিমালা অনুসারে, মাদ্রাসাগুলোর মোট ছয়টি পদ এমপিওভুক্ত হবে। এবতেদায়ী প্রধান বেতন পাবেন ১০ম গ্রেডে। আর সাধারণ, বিজ্ঞান ও আরবি বিষয়ের সহকারী শিক্ষকের বেতন হবে ১৩তম গ্রেডে। আর ক্বারী বা নূরানী বিষয়ের সহকারী শিক্ষকরা ১৬তম গ্রেডে বেতন পাবেন। আর প্রতিটি এবতেদায়ী মাদ্রাসার অফিস সহায়ক পদ সৃষ্টি করা হয়েছে, যে পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা ২০ তম গ্রেডে বেতন পাবেন।

নীতিমালা অনুসারে, মাদরাসাগুলোর শিক্ষক পদে এনটিআরসিএর সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। আর নীতিমালায় মাদরাসাগুলোর ম্যানেজিং কমিটি গঠনের নির্দেশনা এসেছে। প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহায়ক পদে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ হবে বলে নীতিমালায় জানানো হয়েছে।

এমপিওভুক্তির জন্য এবতেদায়ী মাদরাসাগুলোর গ্রেডিং পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। একাডেমিক স্বীকৃতি, প্রতিষ্ঠানের জমি, প্রতিষ্ঠানিক অবকাঠামো, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংখ্যা, বার্ষিক পরীক্ষার গড় নম্বর, পরিবেশ ইত্যাদি সূচকে নম্বর নির্ধারণ করে মাদ্রাসাগুলোর গ্রেডিং করা হবে।

নীতিমালায় মাদ্রসা শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে আহ্বাায়ক করে ৭ সদস্যর এমপিও কমিটি গঠন করা হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মাদরাসাগুলোর কাগজপত্র যাচাই করে এমপিও দেবে। প্রথমে মাদ্রসাগুলোকে এমপিও কোড দেওয়া হবে। শিক্ষক-কর্মচারীরা এমপিওভুক্তির তারিখ থেকে বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হলে যোগদানের তারিখ থেকে এমপিও পাবেন।

এদিকে, সব এবতেদায়ী মাদরাসা জাতীয়করণসহ পাঁচ দাবিতেটানা ২২ দিনে আন্দোলন করছেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সড়ক অবরোধ করে জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবিতে অব্যাহত রয়েছে তাদের অবস্থান কর্মসূচি। গত ১৩ অক্টোবর থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা। সোমবার তারা দাবি আদায়ে বিক্ষোভ মিছিল করার পরিকল্পনা করলেও প্রধান উপদেষ্টা ১ হাজার ৮৯টি শিক্ষার্থীর স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা এমপিওভুক্তির অনুমোদন দেওয়ায় তারা তা করেননি। তবে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

জানতে চাইলে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক ঐক্য জোট আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক শামসুল আলম সোমবার বিকালে বলেন, ১ হাজার ৮৯টি মাদরাসা এমপিওভুক্তির জন্য প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় অনুমোদন দিয়েছেন বলে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা আমাদের জানিয়েছেন। তারা আমাদের বিক্ষোভ মিছিল না করার অনুরোধ করেছেন। তাই আমরা বিক্ষোভ মিছিল করিনি। তিনি জানান, আমরা লাগাতার অবস্থান চালিয়ে যাব। তবে আপাতত আমরা নতুন কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করছি না।