ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন-১ ‎মণিরামপুরে প্রকাশ্যে চলছে আলীমের জমজমাট মাদকের রমরমা ব্যবসা!

  • আপডেট সময়: ০৬:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • ১৮৮ জন দেখেছে
Spread the love

‎লোকসমাচার,বিশেষ প্রতিনিধি:যুগের পর যুগ,বছরের পর বছর মণিরামপুর পৌরশহরে একেবারে প্রশাসনের নাকের ডগায় মাদকদ্রব্য বিক্রি চলে আসছে। পিতার পর বড় ভাই,বড় ভাইয়ের পর এখন সে মাদক ব্যবসাকে বংশের ঐতিহ্য হিসাবে ধরে রেখেছে মণিরামপুর পৌরশহরের মাদক কারবারি মৃত মোক্তার মোল্যার ছোট ছেলে মোঃ আলীম হোসেন। মাদক কারবারি আলীম কয়েকবার মণিরামপুর থানা পুলিশ ও যশোর জেলা মাকদ্রব্য টিমের কাছে গ্রেফতারও হয়েছে।থানা সূত্র বলছে, তার বিরুদ্ধে মণিরামপুর থানায় একাধিক মাদক মামলা চলমান আছে। অন্যান্য ব্যবসার আদলে ২৪ ঘন্টা বিরামহীন ভাবে মাদকদ্রব্য (গাজা, ইয়াবা) পাওয়া যায় আলীমের বাড়িতে গেলে এটা এজকজন মাদকসেবি,সাধারণ মানুষ,স্থানীয় বাসিন্দা এমনকি সকল প্রশাসন এ বিষয়ে অবগত আছে। মণিরামপুর পৌরভবন ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসের বেষ্টনীর ১শ গজের মধ্য এ নাসেব্য পন্যের হাট এখন ওপেন সিক্রেট হয়ে দাড়িয়েছে। তাছাড়াও আলীমের বাড়িতে প্রবেশপথের দুই পাশেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝ বরাবরই যখন-তখন চলাচলে মাদকের বিকিকিনিতে জাঁকজমক হয়ে উঠেছে ভয়াল এ মাদকের র-ম-র-মা ব্যবসা।

পবিত্র রমজান মাসেও রাতদিন চলছে মণিরামপুর প্রভাতী বিদ্যাপিঠ সঃপ্রাঃ বিদ্যালয় সংলগ্ন তার নিজ বাড়িতে। তথ্য আছে,স্থানীয় থানা পুলিশ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের হর্তাকর্তাদের নিয়মিত হপ্তা দিয়ে চলছে দীর্ঘদিনের এই মাদকদ্রব্যের বি-কি-কি-নি। এ ছাড়াও মণিরামপুর পৌরশহরের উঠতি বয়সী কিশোরগ্যাং চক্রের কয়েকটি দলনেতার সাথে আলীমের না-সেব্য পন্যের লেনাদেনায় দেদারসে চলে এই ঘোষিত মাদকের দৈনিক বাজার। তথ্য সূত্র বলছে,বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে স্থানীয় আ’লীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতাদের ইন্দনের সূত্রে ভর করে দিন গেলেই মণিরামপুর পৌর শহরে মাদক সিন্ডিকেটে শক্ত ভীত তৈরি করেছে এই মাদক কারবারি আলীম। বর্তমানে মাদকে একছত্র বিস্তার করে উঠতি বয়সী যুবকদের হাতে হাতে খুব দ্রুত ও সহজেই কয়েকজন সোলজারের মাধ্যমে পৌঁছে দিচ্ছে সর্বনাশা মাদক। মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর ও মাদক নিরাময় কেন্দ্রের তথ্যসূত্রের দাবীকৃত এক জরিপ বলছে,মাদকের সহজলভ্যতা এবং নগদ অর্থ যোগান মাদকাসক্তের ক্ষেত্রে শতকরা ৬০% মাদকসেবিদের জন্য এ দুটি বৃহৎ বিষয় অনুকূলে থাকায় দিন গেলেই বাড়ছে মাদকাসক্তের সংখ্যা! সে অনুযায়ী মাদকদ্রব্যের আগ্রাসান ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে প্রজন্ম হতে পরবর্তী প্রজন্মে।

‎উল্লেখিত মাদক কারবারির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কোন কথা না বললেও গোপন তথ্য আছে,আলীমের বাড়িতে প্রবেশদ্বারে প্রভাতী বিদ্যাপীঠ সঃপ্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ স্থানীয় ব্যাবসায়ী মহল তার এ অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে একাধিকবার প্রতিবাদ করলেও বহাল তবিয়তে চলছে আলীমের রমরমা মাদক সিন্ডিকেট। শিক্ষকরা অভিযোগ তুলছেন যে,প্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের ফটকের ভিতর দিয়ে মাদক লেনাদেনায় নিয়মিত চলে অবাধ যাতায়াত। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চোখের সামনে মাদকদ্রব্য বিক্রির এমন নজীর মণিরামপুর ছাড়া দেশের কোথাও আছে কিনা সেটাই ভাববার বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও অভিভাবক মহল। এদিকে অনুসন্ধানী টিমের কাছে নাম প্রকাশ না করা শর্তে,তারই এক প্রতিবেশী তথ্য দিয়েছে যে সদ্য মৃত্যুবরন করা আলীমের মায়ের প্রতি করা হয়েছে অবহেলা।সড়ক দূর্ঘটনায় বড় ভাই সেলমি মারা যাওয়ার পর মধ্যবয়সী মা শাসকষ্ঠে অসুস্থ্য হলেও একমাত্র ছেলে আলীম কোন রকম চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করেননি। অভিযোগ উঠেছে, এক সপ্তাহ যাবত বিনা চিকিৎসায় বাড়ির বারান্দায় পড়ে থাকলেও কেউ চিকিৎসার ব্যবস্থা না করাতে অবস্থা বেগতিক দেখে প্রতিবেশিরা তাকে হাসপাতালে নেই। সংকটপূর্ণ অবস্থায় আলীমের মাকে হাসপাতালে নিলে স্থানীয়দের চাপে সে হাসপতালে গেলে সেখান থেকে যশোর পরে ঢাকার উদ্দেশ্য বের হলে পথিমধ্য তিনি মারা যান বলে জানা গেছে।নিজের মায়ের মৃত্যুর পরপরই এই মাদকাসক্ত ও ব্যবসায়ী সেলিমের স্ত্রী ও সন্তানকে ফাঁকি দিয়ে সম্পত্তি এককভাবে নিজের করে নিতে পিতা-মাতার মৃত্যু সনদ এবং জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে তাড়াহুড়ো শুরু করেছে।

‎তবে মাদকের এ আগ্রাসনের বিষয়টি নিয়ে সর্বশেষ পৌরসভা কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলার মিটিংয়ে স্থানীয় ব্যাবসায়ী ও সচেতন মহলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আশা জাগিয়ে ব্যাবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এড গাজী এনামুল হক(এমপি),এমনটাই জানিয়েছেন এক ব্যবসায়ী।

‎এদিকে সচেতন মহলের দাবী,যে কোন মূল্য বংশ পরম্পরায় চলমান আলীমের ওপেন সিক্রেটের মতো রমরমা মাদকদ্রব্যের হাট বন্ধ না হলে সর্বনাশা এ ভয়াল আগ্রাসনের পরিধি বৃদ্ধির কারনে যুবসমাজের সাথে ধ্বংস হবে সমাজ ব্যাবস্থা! একটা সময় মাদকাসক্ত মাদকের অর্থ সংকটে পড়ে এদের দ্বারায় সংঘটিত হবে চুরি,ছিনতাই,চাঁদাবাজি, ডাকাতি,এমনকি ঘঠতে পারে হত্যাকান্ডের মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

‎আশ্চর্য্যজনক হলেও সত্য এ ঘঠনায় দায়সারা বক্তব্য ও ব্যাস্ততা দেখিয়ে মণিরামপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রজিউল্লাহ খান জানান, কয়েকবার তাকে আটক করলেও সে সময় তার কাছে কোন মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি।
‎

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন-১ ‎মণিরামপুরে প্রকাশ্যে চলছে আলীমের জমজমাট মাদকের রমরমা ব্যবসা!

আপডেট সময়: ০৬:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
Spread the love

‎লোকসমাচার,বিশেষ প্রতিনিধি:যুগের পর যুগ,বছরের পর বছর মণিরামপুর পৌরশহরে একেবারে প্রশাসনের নাকের ডগায় মাদকদ্রব্য বিক্রি চলে আসছে। পিতার পর বড় ভাই,বড় ভাইয়ের পর এখন সে মাদক ব্যবসাকে বংশের ঐতিহ্য হিসাবে ধরে রেখেছে মণিরামপুর পৌরশহরের মাদক কারবারি মৃত মোক্তার মোল্যার ছোট ছেলে মোঃ আলীম হোসেন। মাদক কারবারি আলীম কয়েকবার মণিরামপুর থানা পুলিশ ও যশোর জেলা মাকদ্রব্য টিমের কাছে গ্রেফতারও হয়েছে।থানা সূত্র বলছে, তার বিরুদ্ধে মণিরামপুর থানায় একাধিক মাদক মামলা চলমান আছে। অন্যান্য ব্যবসার আদলে ২৪ ঘন্টা বিরামহীন ভাবে মাদকদ্রব্য (গাজা, ইয়াবা) পাওয়া যায় আলীমের বাড়িতে গেলে এটা এজকজন মাদকসেবি,সাধারণ মানুষ,স্থানীয় বাসিন্দা এমনকি সকল প্রশাসন এ বিষয়ে অবগত আছে। মণিরামপুর পৌরভবন ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসের বেষ্টনীর ১শ গজের মধ্য এ নাসেব্য পন্যের হাট এখন ওপেন সিক্রেট হয়ে দাড়িয়েছে। তাছাড়াও আলীমের বাড়িতে প্রবেশপথের দুই পাশেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝ বরাবরই যখন-তখন চলাচলে মাদকের বিকিকিনিতে জাঁকজমক হয়ে উঠেছে ভয়াল এ মাদকের র-ম-র-মা ব্যবসা।

পবিত্র রমজান মাসেও রাতদিন চলছে মণিরামপুর প্রভাতী বিদ্যাপিঠ সঃপ্রাঃ বিদ্যালয় সংলগ্ন তার নিজ বাড়িতে। তথ্য আছে,স্থানীয় থানা পুলিশ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের হর্তাকর্তাদের নিয়মিত হপ্তা দিয়ে চলছে দীর্ঘদিনের এই মাদকদ্রব্যের বি-কি-কি-নি। এ ছাড়াও মণিরামপুর পৌরশহরের উঠতি বয়সী কিশোরগ্যাং চক্রের কয়েকটি দলনেতার সাথে আলীমের না-সেব্য পন্যের লেনাদেনায় দেদারসে চলে এই ঘোষিত মাদকের দৈনিক বাজার। তথ্য সূত্র বলছে,বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে স্থানীয় আ’লীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতাদের ইন্দনের সূত্রে ভর করে দিন গেলেই মণিরামপুর পৌর শহরে মাদক সিন্ডিকেটে শক্ত ভীত তৈরি করেছে এই মাদক কারবারি আলীম। বর্তমানে মাদকে একছত্র বিস্তার করে উঠতি বয়সী যুবকদের হাতে হাতে খুব দ্রুত ও সহজেই কয়েকজন সোলজারের মাধ্যমে পৌঁছে দিচ্ছে সর্বনাশা মাদক। মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর ও মাদক নিরাময় কেন্দ্রের তথ্যসূত্রের দাবীকৃত এক জরিপ বলছে,মাদকের সহজলভ্যতা এবং নগদ অর্থ যোগান মাদকাসক্তের ক্ষেত্রে শতকরা ৬০% মাদকসেবিদের জন্য এ দুটি বৃহৎ বিষয় অনুকূলে থাকায় দিন গেলেই বাড়ছে মাদকাসক্তের সংখ্যা! সে অনুযায়ী মাদকদ্রব্যের আগ্রাসান ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে প্রজন্ম হতে পরবর্তী প্রজন্মে।

‎উল্লেখিত মাদক কারবারির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কোন কথা না বললেও গোপন তথ্য আছে,আলীমের বাড়িতে প্রবেশদ্বারে প্রভাতী বিদ্যাপীঠ সঃপ্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ স্থানীয় ব্যাবসায়ী মহল তার এ অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে একাধিকবার প্রতিবাদ করলেও বহাল তবিয়তে চলছে আলীমের রমরমা মাদক সিন্ডিকেট। শিক্ষকরা অভিযোগ তুলছেন যে,প্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের ফটকের ভিতর দিয়ে মাদক লেনাদেনায় নিয়মিত চলে অবাধ যাতায়াত। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চোখের সামনে মাদকদ্রব্য বিক্রির এমন নজীর মণিরামপুর ছাড়া দেশের কোথাও আছে কিনা সেটাই ভাববার বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও অভিভাবক মহল। এদিকে অনুসন্ধানী টিমের কাছে নাম প্রকাশ না করা শর্তে,তারই এক প্রতিবেশী তথ্য দিয়েছে যে সদ্য মৃত্যুবরন করা আলীমের মায়ের প্রতি করা হয়েছে অবহেলা।সড়ক দূর্ঘটনায় বড় ভাই সেলমি মারা যাওয়ার পর মধ্যবয়সী মা শাসকষ্ঠে অসুস্থ্য হলেও একমাত্র ছেলে আলীম কোন রকম চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করেননি। অভিযোগ উঠেছে, এক সপ্তাহ যাবত বিনা চিকিৎসায় বাড়ির বারান্দায় পড়ে থাকলেও কেউ চিকিৎসার ব্যবস্থা না করাতে অবস্থা বেগতিক দেখে প্রতিবেশিরা তাকে হাসপাতালে নেই। সংকটপূর্ণ অবস্থায় আলীমের মাকে হাসপাতালে নিলে স্থানীয়দের চাপে সে হাসপতালে গেলে সেখান থেকে যশোর পরে ঢাকার উদ্দেশ্য বের হলে পথিমধ্য তিনি মারা যান বলে জানা গেছে।নিজের মায়ের মৃত্যুর পরপরই এই মাদকাসক্ত ও ব্যবসায়ী সেলিমের স্ত্রী ও সন্তানকে ফাঁকি দিয়ে সম্পত্তি এককভাবে নিজের করে নিতে পিতা-মাতার মৃত্যু সনদ এবং জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে তাড়াহুড়ো শুরু করেছে।

‎তবে মাদকের এ আগ্রাসনের বিষয়টি নিয়ে সর্বশেষ পৌরসভা কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলার মিটিংয়ে স্থানীয় ব্যাবসায়ী ও সচেতন মহলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আশা জাগিয়ে ব্যাবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এড গাজী এনামুল হক(এমপি),এমনটাই জানিয়েছেন এক ব্যবসায়ী।

‎এদিকে সচেতন মহলের দাবী,যে কোন মূল্য বংশ পরম্পরায় চলমান আলীমের ওপেন সিক্রেটের মতো রমরমা মাদকদ্রব্যের হাট বন্ধ না হলে সর্বনাশা এ ভয়াল আগ্রাসনের পরিধি বৃদ্ধির কারনে যুবসমাজের সাথে ধ্বংস হবে সমাজ ব্যাবস্থা! একটা সময় মাদকাসক্ত মাদকের অর্থ সংকটে পড়ে এদের দ্বারায় সংঘটিত হবে চুরি,ছিনতাই,চাঁদাবাজি, ডাকাতি,এমনকি ঘঠতে পারে হত্যাকান্ডের মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

‎আশ্চর্য্যজনক হলেও সত্য এ ঘঠনায় দায়সারা বক্তব্য ও ব্যাস্ততা দেখিয়ে মণিরামপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রজিউল্লাহ খান জানান, কয়েকবার তাকে আটক করলেও সে সময় তার কাছে কোন মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি।
‎