লোকসমাচার,বগুড়া প্রতিনিধি:বগুড়ার শিবগঞ্জে আঞ্চলিক সড়কে বাস থামিয়ে ডাকাতির ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। লুণ্ঠিত স্বর্ণ বিক্রির নগদ ৮৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িতরা পুলিশ পরিচয়ে ফিল্ম স্টাইলে হামলা ও লুট করা স্বর্ণ বিক্রি করেছিল। তারা টাকা ভাগাভাগির পর পৃথক জেলায় আত্মগোপন করে।
বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. আতোয়ার রহমান। প্রেস ব্রিফিংয়ে মামলার বরাত দিয়ে ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করেন ডিবি অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল বাহার। গত ৫ অক্টোবর শিবগঞ্জ থানার মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কের উথলি এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। পুলিশ সুপার ও শিবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন খায়রুল ইসলাম। তিনি বগুড়া শহরের গালাপট্টি এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী।
ডিবি জানায়, তার খালাতো ভাই বাপ্পি হোসেন ১০২ ভরি ১২ আনা স্বর্ণ নিয়ে জয়পুরহাট জেলার উদ্দেশ্যে বের হয়। যাত্রীবাহী বাস মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কের উথলি এলাকায় পৌঁছিলে দুর্বৃত্তরা গতিরোধ করে। পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাস থেকে বাপ্পি হোসেনকে জোরপূর্বক নামিয়ে নেয়। তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে বালা রোডের গুজিয়া হাট মণ্ডলপাড়ার ফাঁকা জমিতে নিয়ে যায়। তার কাছ থেকে অপরাধীরা স্বর্ণ ও মোবাইল লুট করে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ পরিচয় দেওয়া অপরাধীদের শনাক্ত করতে মাঠে নামে গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক জাহাঙ্গীর করিব ও মোহাম্মদ ফজলুল হক। পঞ্চগড়, দিনাজপুর, জয়পুরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় অভিযান চালানো হয়। চারজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা গেলেও লণ্ঠিত স্বর্ণ উদ্ধার করা যায়নি। তবে স্বর্ণ বিক্রির বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার করেছে ডিবি।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- দিনাজপুরের হাকিমপুর দক্ষিণ বাসুদেবপুর মহল্লার সাদিকুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি ভীমপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম ও পাঁচবিবি বালিঘাটা বাজার এলাকার আসাদুজ্জামান শাহিদ। এদের মধ্যে আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক, বিশেষ ক্ষমতা আইন, মারামারিসহ ১০টি মামলা আদালতে বিচার। রবিউল ইসলাম ০৩টি মাদক মামলার আসামি।






















