ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

  • আপডেট সময়: ১১:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৫ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চায়ের আড্ডার আড়ালে তরুণীকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মোখলেছুর রহমান মিঠু (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের নলেয়া রশিদ মোড় এলাকা থেকে তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী তরুণীকে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের সামাদের ঘাট এলাকায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে চায়ের আড্ডার দোকানের আড়ালে নাচ-গানসহ অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, তিন তরুণীর মধ্যে দুজন চলে গেলেও ভুক্তভোগী ওই এলাকায় থেকে যান। অভিযোগ রয়েছে, পরে তাকে আটকে রেখে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে সামাদের ঘাটসংলগ্ন কাশফুলের ক্ষেত এলাকায় মোখলেছুর রহমান মিঠু, নাইনুল ইসলাম, লিটন মিয়া, আল আমিন ও ফুল মিয়া ওরফে ফুলবর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় তার কাছে থাকা ৫ হাজার ৬০০ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

পরে বাড়ি ফেরার মতো টাকা না থাকায় ভুক্তভোগী অভিযুক্তদের কাছে টাকা চাইতে নলেয়া রশিদ মোড়ে যান। সেখানে টাকা না দেওয়ায় বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং মোখলেছুর রহমান মিঠুকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার মোখলেছুর রহমান মিঠু ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নলেয়া রশিদ মোড় এলাকার বাসিন্দা। অপর অভিযুক্তরা হলেন, নাইনুল ইসলাম, লিটন মিয়া, আল আমিন ও ফুল মিয়া ওরফে ফুলবর। তারা সবাই ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ভুক্তভোগী ওই তরুণীর বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

আপডেট সময়: ১১:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চায়ের আড্ডার আড়ালে তরুণীকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মোখলেছুর রহমান মিঠু (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের নলেয়া রশিদ মোড় এলাকা থেকে তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী তরুণীকে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের সামাদের ঘাট এলাকায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে চায়ের আড্ডার দোকানের আড়ালে নাচ-গানসহ অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, তিন তরুণীর মধ্যে দুজন চলে গেলেও ভুক্তভোগী ওই এলাকায় থেকে যান। অভিযোগ রয়েছে, পরে তাকে আটকে রেখে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে সামাদের ঘাটসংলগ্ন কাশফুলের ক্ষেত এলাকায় মোখলেছুর রহমান মিঠু, নাইনুল ইসলাম, লিটন মিয়া, আল আমিন ও ফুল মিয়া ওরফে ফুলবর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় তার কাছে থাকা ৫ হাজার ৬০০ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

পরে বাড়ি ফেরার মতো টাকা না থাকায় ভুক্তভোগী অভিযুক্তদের কাছে টাকা চাইতে নলেয়া রশিদ মোড়ে যান। সেখানে টাকা না দেওয়ায় বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং মোখলেছুর রহমান মিঠুকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার মোখলেছুর রহমান মিঠু ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নলেয়া রশিদ মোড় এলাকার বাসিন্দা। অপর অভিযুক্তরা হলেন, নাইনুল ইসলাম, লিটন মিয়া, আল আমিন ও ফুল মিয়া ওরফে ফুলবর। তারা সবাই ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ভুক্তভোগী ওই তরুণীর বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।