ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদবিতে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

  • আপডেট সময়: ০৫:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। লিখিতরূপে এসব সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহারের প্রথা অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। পরিপত্রে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে যথাক্রমে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ কিংবা অন্যকোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর অধীনস্থ সকল দপ্তরের দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথি প্রেরণের ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা অনুসরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সিদ্ধান্ত অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে।

আদেশটি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সকল সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রশাসনিক দপ্তর ও কর্মকর্তার কাছে নির্দেশনার কপি পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদবিতে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

আপডেট সময়: ০৫:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। লিখিতরূপে এসব সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহারের প্রথা অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। পরিপত্রে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে যথাক্রমে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ কিংবা অন্যকোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর অধীনস্থ সকল দপ্তরের দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথি প্রেরণের ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা অনুসরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সিদ্ধান্ত অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে।

আদেশটি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সকল সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রশাসনিক দপ্তর ও কর্মকর্তার কাছে নির্দেশনার কপি পাঠানো হয়েছে।