লোকসমাচার ডেস্ক:বাংলাদেশের ১৫৮ রান তাড়া করতে নেমে মালয়েশিয়া গুটিয়ে গেল মাত্র ৬৯ রানে। শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো দলটি শেষ পর্যন্ত ৮৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে। মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই জয়ে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ এইচপি অবশ্য শুরুতে বড় সংগ্রহের আভাস দিয়েছিল। ওপেনার জাওয়াদ আবরারের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকে দল। তবে অপর প্রান্তে জিসান আলম সুবিধা করতে পারেননি। ৭ বল খেলে কোনো রান না করেই ফিরে যান তিনি।
জাওয়াদ অবশ্য নিজের স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান। মাঠের চারপাশে শট খেলে বাউন্ডারি আদায় করে নেওয়া এই ওপেনার ১৮ বলে ২৮ রান করে আউট হন। এরপর আরিফুল ইসলাম ১২ বলে ১৫ রান যোগ করেন।
জাওয়াদের বিদায়ের পর সাব্বির রহমান ও প্রীতম কুমার জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রীতম ৭ বলে ৪ রান করে ফিরে যান দলের ৬৫ রানের সময়। সাব্বিরও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি, ১২ বলে ১৪ রান করে বিদায় নেন।
এরপর আবদুল গাফফার সাকলাইন ও এস এম মেহেরব হোসেন কিছুটা গতি এনে দেন ইনিংসে। সাকলাইন ২৬ বলে ৩২ রান করেন। শেষ দিকে আবু হায়দার রনি ৩ বলে ১ রান করে ফিরে গেলেও বাংলাদেশ এইচপি নির্ধারিত সময়ে ১৫৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়।
জবাবে শুরু থেকেই চাপে পড়ে মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল সাকিবকে বোল্ড করে ফেরান আবু হায়দার রনি। গোল্ডেন ডাক দিয়ে শুরু হওয়া মালয়েশিয়ার ইনিংস এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
আরেক ওপেনার আসলাম খান বিন মালিকও ৫ বলে কোনো রান না করে ফিরে যান। তিন নম্বরে নামা আহমেদ আকীল ওয়াহিদ কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। ২৫ বলে ২৯ রান করে তিনিই ছিলেন মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তবে তার বাইরে আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের রানও করতে পারেননি।
১০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে মালয়েশিয়ার সংগ্রহ ছিল মাত্র ৪২ রান। এরপর মোহাম্মদ আমির আজিম ও বিজয় উনি কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। বিজয় ১৫ বলে ১৪ রান করে সাকলাইনের বলে আউট হন। পরে মোহাম্মদ রুবেল হাসানের বলে ২২ বলে ১৫ রান করা আজিমও ফিরে যান।
৬৩ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর মালয়েশিয়ার পরাজয় তখন সময়ের অপেক্ষা। শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানেই অলআউট হয় দলটি। ফলে ৮৯ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এইচপি।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে রাকিবুল হাসান ও মোহাম্মদ রুবেল হাসান দুটি করে উইকেট নেন। এ ছাড়া আবু হায়দার রনি, মোহাম্মদ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আবদুল গাফফার সাকলাইন ও এস এম মেহেরব হোসেন একটি করে উইকেট পেয়েছেন।
এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ এইচপি। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে এখন বাংলাদেশের লক্ষ্য হবে জয় নিশ্চিত করে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে সিরিজ নিজেদের করে নেওয়া।






















