ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘুমচোখে গাড়ি, নাও ফিরতে পারে বাড়ি

  • আপডেট সময়: ০৯:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • ১৩৯ জন দেখেছে
Spread the love

ফারুক,মনিরামপুর(যশোর)প্রতিনিধি:যশোর সাতক্ষীরা মহাসড়কে গতকাল ভোররাতে ঘটে গেল একটি মারাত্নক দূর্ঘটনা। ২৫-৫-২৬ ইং তারিখ ভোর রাতে ভোমরা বর্ডার থেকে ভূষিবোঝাইকৃত একটি মালবাহী ট্রাক যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার সুন্দলপুর বাজার অতিক্রম করে এসে সুন্দলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠের পাশে একটি বৈদ্যুতিক পিলারের সাথে ধাক্কা খেয়ে দুমড়েমুচড়ে পড়ে।

বৈদ্যুতিক লাইনের পিলারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সরবরাহ কৃত লাইনের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটে,যার ফলে গোটা এলাকা জুড়ে অসংখ্য গ্রাহক বিদ্যুৎ হীন পড়ে।

তাৎক্ষনিক ভাবে যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ও এন্ড এম বিভাগের তত্বাবধানে লাইন সচল করণের কাজ শুরু করানো হয়।প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা ঘুমচোখে গাড়ি চালানো যে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটাতে পারে,ঘটতে পারে অসংখ্য প্রানহানী এগুলো থেকে ও আমাদের শিক্ষা নেওয়া হয় না,সারাদেশে এমন অসংখ্য ঘটনা অহরহ ঘটলেও এবং বিআরটিএর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সতর্কতার পদক্ষেপ গ্রহন করলেও নুন্যতম সচেতনতা নেই চালকদের, আর এমন অসচেতনতা কারণে হারিয়ে যেতে পারে একটি জীবন, অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে পারে একটি পরিবার,ভেঙে যেতে পারে শত শত স্বপ্ন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

ঘুমচোখে গাড়ি, নাও ফিরতে পারে বাড়ি

আপডেট সময়: ০৯:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
Spread the love

ফারুক,মনিরামপুর(যশোর)প্রতিনিধি:যশোর সাতক্ষীরা মহাসড়কে গতকাল ভোররাতে ঘটে গেল একটি মারাত্নক দূর্ঘটনা। ২৫-৫-২৬ ইং তারিখ ভোর রাতে ভোমরা বর্ডার থেকে ভূষিবোঝাইকৃত একটি মালবাহী ট্রাক যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার সুন্দলপুর বাজার অতিক্রম করে এসে সুন্দলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠের পাশে একটি বৈদ্যুতিক পিলারের সাথে ধাক্কা খেয়ে দুমড়েমুচড়ে পড়ে।

বৈদ্যুতিক লাইনের পিলারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সরবরাহ কৃত লাইনের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটে,যার ফলে গোটা এলাকা জুড়ে অসংখ্য গ্রাহক বিদ্যুৎ হীন পড়ে।

তাৎক্ষনিক ভাবে যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ও এন্ড এম বিভাগের তত্বাবধানে লাইন সচল করণের কাজ শুরু করানো হয়।প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা ঘুমচোখে গাড়ি চালানো যে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটাতে পারে,ঘটতে পারে অসংখ্য প্রানহানী এগুলো থেকে ও আমাদের শিক্ষা নেওয়া হয় না,সারাদেশে এমন অসংখ্য ঘটনা অহরহ ঘটলেও এবং বিআরটিএর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সতর্কতার পদক্ষেপ গ্রহন করলেও নুন্যতম সচেতনতা নেই চালকদের, আর এমন অসচেতনতা কারণে হারিয়ে যেতে পারে একটি জীবন, অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে পারে একটি পরিবার,ভেঙে যেতে পারে শত শত স্বপ্ন।