ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও দোসর দের অপশক্তি ধ্বংস হলেও তরুনের নিজের সম্পত্তি বেদখল

  • আপডেট সময়: ১২:২৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৯৬ জন দেখেছে
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার:যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার নিমটা গ্রামের তারাপদ দাসের ছেলে তরুণ দাসের নিজস্ব সম্পত্তি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও দোসর দের অপশক্তির জোরে সৎ ভাইরা দীর্ঘ ২০ বছর ভোগ দখল করে রেখেছে।  অপশক্তি ধ্বংস হলেও তরুনের নিজের সম্পত্তি এখনও বেদখল।

জানাযায়,যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় নিমটা গ্রামের মৃত শিবুচরণ দাসের ছেলে মৃত তারাপদ দাসের ৩ জন স্ত্রী ছিলেন বড় জন স্ত্রীর দুইজন ছেলে সন্তান ছিল তারা বর্তমান ভারতে বসবাস করে।ভারত যাওয়ার আগে দুই ছেলের প্রাপ্য সম্পদ অনেক আগেই বুঝিয়ে দেন তাদের বাবা।মেজো জন স্ত্রীর ৩ ছেলে সন্তান কে তারাপদ দাস বেঁচে থাকাকালীন তাদের প্রাপ্য সম্পদ বুঝিয়ে দেন। ছোট জন স্ত্রীর গর্ভে একটা ছেলে এক মেয়ে জন্মগ্রহণ করেন। ছেলে এবং মেয়ে অপ্রাপ্তবয়সে তারাপদ মারা যান মারা যাওয়ার আগে ছোট জন স্ত্রী অনিমা দাসের নামে তার সন্তানের প্রাপ্য সম্পদ ছোট জন স্ত্রী অনিমা দাসের নামে আইন সম্মতভাবে উইল করে দেন।

তারাপদ দাসের ছোট স্ত্রী অনিমা দাস দুর্বল এবং কম জোর হওয়ায় মেজো জন স্ত্রীর ৩ জন ছেলে স্থানীয় ফ্যাসিস্ট আওয়ামিলীগ নেতা ২ নং বন্দবীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বর মোহাম্মদ মফিজুল ও ফ্যাসিস্ট দোসর কালো শক্তির হোতা ওয়ার্কাস পার্টির নেতা ২ নং বন্দবিলা ইউনিয়ন পরিষদের অযোগ্য দুর্নীতিবাজ স্বেচ্ছাচারিতায় ভরপুর চেয়ারম্যান সবদুল খানের সরাসরি হস্তক্ষেপে আইনসম্মত ভাবে সম্পন্ন হুইল সম্পত্তি দীর্ঘ ২০ বছর যাবত বেদখল।

সরজমিনে মৃত তারাপদ দাসের স্ত্রী অনিমা দাস লোকসমচারকে ভিডিও বক্তব্যের মাঝে জানান,উনি ছাড়াও উনার দুইজন সতীন ছিলেন বড় সতীনের দুইজন ছেলে ১ মেয়ে ছিলেন তারা বর্তমানে ভারতে ভারতের যাওয়ার আগে তাদের সম্পত্তি আমার স্বামী তাদেরকে বুঝিয়ে দেন।মেজো জন সতীন ৩ ছেলে এবং ৩ মেয়ে রেখে মারা গেলে তাদের বাবা তাকে বিয়ে করে আনেন এবং মেজো সতীনের ৬ ছেলে মেয়েই ছোট ও অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকে অতঃপর অনিমা  সংসারে এসে তাদেরকে মানুষ করেন। মেয়েরা বড় হলে বিবসহ উপযুক্ত হলে তাদেরকে দেখে শুনে বিয়ে-শাদী দেয়া হয় এবং মেজো সতীনের ৩ ছেলেরা প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাদের বাবা বেঁচে থাকতে  নিজ হাতে তাদের প্রাপ্য সম্পদ তাদের  বুঝিয়ে দেন।

ওনার স্বামী তারাপদ দাস মারা যাওয়ার আগে ওনার গর্ভের সন্তান তরুণ নাবালক ছিল বিধায় তরুনের প্রাপ্য অংশ অনিমার নামে উইল করে দেন।

ওনার স্বামী মারা গেলে ৯০ দিনের ভিতরে উনি জজ কোর্ট যশোরে উইল প্রোভাইড করতে দেয়।  উইল প্রোভাইড করতে দেয়া হলে এরপর মাননীয় আদালত বিবাদি আমার দ্বিতীয় পক্ষ সতীনের ছেলেদের বাদী করে মামলা চালু হয় সাত বছর মামলা চলার আমার পক্ষে আদালত  রায় দিল উইলে আমি জিতে গেলাম । এরপর মাননীয় আদালতের  রায় পেয়ে ৯৩ শতাংশ জমি প্রথমে আমার নামে এক লাখ দশ হাজার টাকা খরচ করে রেজিস্ট্রি করে নাম পত্তন সম্পন্ন করে পরবর্তীতে আমার ছেলে তরুণের নামে দান স্বত্ব রেজিষ্ট্রির মাধ্যমে হস্তান্তর করার পর মাহীর দায়ান আমিন সহকারি কমিশনার ভূমি বাঘারপাড়া নামপত্তন অনুমোদন করে দিলেও ২ নং বন্দবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সবদুল খান এবং একই ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ মফিজুলের শক্তিতে আমার মেজো সতীনের ৩ ছেলে এবং তাদের সহযোগীরা আমার দুর্বল ছেলে তরুণের নিজস্ব ৯৩ শতাংশ জমির মধ্যে ৩১ শতাংশ জমি আজও দখল করে রেখে ভোগ করছে।

 

 

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও দোসর দের অপশক্তি ধ্বংস হলেও তরুনের নিজের সম্পত্তি বেদখল

আপডেট সময়: ১২:২৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার:যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার নিমটা গ্রামের তারাপদ দাসের ছেলে তরুণ দাসের নিজস্ব সম্পত্তি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও দোসর দের অপশক্তির জোরে সৎ ভাইরা দীর্ঘ ২০ বছর ভোগ দখল করে রেখেছে।  অপশক্তি ধ্বংস হলেও তরুনের নিজের সম্পত্তি এখনও বেদখল।

জানাযায়,যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় নিমটা গ্রামের মৃত শিবুচরণ দাসের ছেলে মৃত তারাপদ দাসের ৩ জন স্ত্রী ছিলেন বড় জন স্ত্রীর দুইজন ছেলে সন্তান ছিল তারা বর্তমান ভারতে বসবাস করে।ভারত যাওয়ার আগে দুই ছেলের প্রাপ্য সম্পদ অনেক আগেই বুঝিয়ে দেন তাদের বাবা।মেজো জন স্ত্রীর ৩ ছেলে সন্তান কে তারাপদ দাস বেঁচে থাকাকালীন তাদের প্রাপ্য সম্পদ বুঝিয়ে দেন। ছোট জন স্ত্রীর গর্ভে একটা ছেলে এক মেয়ে জন্মগ্রহণ করেন। ছেলে এবং মেয়ে অপ্রাপ্তবয়সে তারাপদ মারা যান মারা যাওয়ার আগে ছোট জন স্ত্রী অনিমা দাসের নামে তার সন্তানের প্রাপ্য সম্পদ ছোট জন স্ত্রী অনিমা দাসের নামে আইন সম্মতভাবে উইল করে দেন।

তারাপদ দাসের ছোট স্ত্রী অনিমা দাস দুর্বল এবং কম জোর হওয়ায় মেজো জন স্ত্রীর ৩ জন ছেলে স্থানীয় ফ্যাসিস্ট আওয়ামিলীগ নেতা ২ নং বন্দবীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বর মোহাম্মদ মফিজুল ও ফ্যাসিস্ট দোসর কালো শক্তির হোতা ওয়ার্কাস পার্টির নেতা ২ নং বন্দবিলা ইউনিয়ন পরিষদের অযোগ্য দুর্নীতিবাজ স্বেচ্ছাচারিতায় ভরপুর চেয়ারম্যান সবদুল খানের সরাসরি হস্তক্ষেপে আইনসম্মত ভাবে সম্পন্ন হুইল সম্পত্তি দীর্ঘ ২০ বছর যাবত বেদখল।

সরজমিনে মৃত তারাপদ দাসের স্ত্রী অনিমা দাস লোকসমচারকে ভিডিও বক্তব্যের মাঝে জানান,উনি ছাড়াও উনার দুইজন সতীন ছিলেন বড় সতীনের দুইজন ছেলে ১ মেয়ে ছিলেন তারা বর্তমানে ভারতে ভারতের যাওয়ার আগে তাদের সম্পত্তি আমার স্বামী তাদেরকে বুঝিয়ে দেন।মেজো জন সতীন ৩ ছেলে এবং ৩ মেয়ে রেখে মারা গেলে তাদের বাবা তাকে বিয়ে করে আনেন এবং মেজো সতীনের ৬ ছেলে মেয়েই ছোট ও অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকে অতঃপর অনিমা  সংসারে এসে তাদেরকে মানুষ করেন। মেয়েরা বড় হলে বিবসহ উপযুক্ত হলে তাদেরকে দেখে শুনে বিয়ে-শাদী দেয়া হয় এবং মেজো সতীনের ৩ ছেলেরা প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাদের বাবা বেঁচে থাকতে  নিজ হাতে তাদের প্রাপ্য সম্পদ তাদের  বুঝিয়ে দেন।

ওনার স্বামী তারাপদ দাস মারা যাওয়ার আগে ওনার গর্ভের সন্তান তরুণ নাবালক ছিল বিধায় তরুনের প্রাপ্য অংশ অনিমার নামে উইল করে দেন।

ওনার স্বামী মারা গেলে ৯০ দিনের ভিতরে উনি জজ কোর্ট যশোরে উইল প্রোভাইড করতে দেয়।  উইল প্রোভাইড করতে দেয়া হলে এরপর মাননীয় আদালত বিবাদি আমার দ্বিতীয় পক্ষ সতীনের ছেলেদের বাদী করে মামলা চালু হয় সাত বছর মামলা চলার আমার পক্ষে আদালত  রায় দিল উইলে আমি জিতে গেলাম । এরপর মাননীয় আদালতের  রায় পেয়ে ৯৩ শতাংশ জমি প্রথমে আমার নামে এক লাখ দশ হাজার টাকা খরচ করে রেজিস্ট্রি করে নাম পত্তন সম্পন্ন করে পরবর্তীতে আমার ছেলে তরুণের নামে দান স্বত্ব রেজিষ্ট্রির মাধ্যমে হস্তান্তর করার পর মাহীর দায়ান আমিন সহকারি কমিশনার ভূমি বাঘারপাড়া নামপত্তন অনুমোদন করে দিলেও ২ নং বন্দবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সবদুল খান এবং একই ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ মফিজুলের শক্তিতে আমার মেজো সতীনের ৩ ছেলে এবং তাদের সহযোগীরা আমার দুর্বল ছেলে তরুণের নিজস্ব ৯৩ শতাংশ জমির মধ্যে ৩১ শতাংশ জমি আজও দখল করে রেখে ভোগ করছে।