ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ন্যায় ব্যর্থ হলে শক্তিশালী রাষ্ট্রও ভেঙে পড়ে: প্রধান বিচারপতি

  • আপডেট সময়: ০৯:৪০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ১০৭ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, আইন কেবল নিয়ম-কানুনের সমষ্টি নয়, এটি জাতির নৈতিক বিবেকের প্রতিফলন। তিনি বলেন, “ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্র দৃঢ় হয়, আর ন্যায় ব্যর্থ হলে সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রও ভেঙে পড়ে।”

শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৭২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘গৌরবের ৭২ বছর’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি জানান, ২০২৫ সালের সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ মন্ত্রিসভার নীতিগত অনুমোদন একটি সুপরিকল্পিত ও বহুপাক্ষিক প্রয়াসের ফল। গত পনেরো মাসে প্রধান বিচারপতির কার্যালয় ও অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাহী শাখার পারস্পরিক সহযোগিতা এই প্রক্রিয়াকে গতিশীল করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, “এখন প্রয়োজন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন, বার কাউন্সিল, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, জেলা আদালতের বিচারক এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বিত প্রচেষ্টা, যাতে কাঠামোগত রূপান্তরের টেকসই বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়।”

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

ন্যায় ব্যর্থ হলে শক্তিশালী রাষ্ট্রও ভেঙে পড়ে: প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময়: ০৯:৪০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, আইন কেবল নিয়ম-কানুনের সমষ্টি নয়, এটি জাতির নৈতিক বিবেকের প্রতিফলন। তিনি বলেন, “ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্র দৃঢ় হয়, আর ন্যায় ব্যর্থ হলে সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রও ভেঙে পড়ে।”

শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৭২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘গৌরবের ৭২ বছর’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি জানান, ২০২৫ সালের সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ মন্ত্রিসভার নীতিগত অনুমোদন একটি সুপরিকল্পিত ও বহুপাক্ষিক প্রয়াসের ফল। গত পনেরো মাসে প্রধান বিচারপতির কার্যালয় ও অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাহী শাখার পারস্পরিক সহযোগিতা এই প্রক্রিয়াকে গতিশীল করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, “এখন প্রয়োজন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন, বার কাউন্সিল, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, জেলা আদালতের বিচারক এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বিত প্রচেষ্টা, যাতে কাঠামোগত রূপান্তরের টেকসই বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়।”