ঢাকা ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান এনসিপির

  • আপডেট সময়: ০৯:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৬ জন দেখেছে
Spread the love

লোলসমাচার ডেস্ক:জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিন ধরে চলমান যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বহীনতার কারণে শিক্ষকরা বারবার ক্লাসরুম ছেড়ে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে বাধ্য হয়েছেন, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) এনসিপি শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে সকলেই নিয়মিতভাবে তাদের দাবি উত্থাপন করবে এবং সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছাবে। কিন্তু বর্তমান সময়ে শিক্ষকরা যখন রাস্তায় নেমেছেন, তখন পুলিশ দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানোর ঘটনায় এনসিপি তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে।

এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ অঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, এবং শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত নেতৃত্বে ১২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে একটি প্রতিনিধি দল জাতীয় শহীদ মিনারে শিক্ষকদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন। এনসিপি জানিয়েছে, শিক্ষকদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এই লড়াই চালিয়ে যাবে।

নেতৃবৃন্দ জানান, এনসিপি মনে করছে, স্বাধীনতার পর থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত শিক্ষা ব্যবস্থার ধ্বংস ও শিক্ষকদের অবমূল্যায়নের প্রক্রিয়া বন্ধ করে নতুন ও কার্যকর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। ছাত্র–জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরও সরকারের প্রত্যাশিত শিক্ষা সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ হয়নি।

জাতীয় নাগরিক পার্টি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শিক্ষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ। আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নতুন বাংলাদেশের ইশতেহারে ২৪ দফার মধ্যে শিক্ষাকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র ও মর্যাদাপূর্ণ বেতন কাঠামো তৈরির অঙ্গীকার করেছেন। এনসিপি জানিয়েছেন, আগামী দিনে শিক্ষকদের অধিকার, সম্মানজনক বেতন কাঠামো এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তারা কাজ চালিয়ে যাবে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান এনসিপির

আপডেট সময়: ০৯:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
Spread the love

লোলসমাচার ডেস্ক:জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিন ধরে চলমান যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বহীনতার কারণে শিক্ষকরা বারবার ক্লাসরুম ছেড়ে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে বাধ্য হয়েছেন, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) এনসিপি শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে সকলেই নিয়মিতভাবে তাদের দাবি উত্থাপন করবে এবং সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছাবে। কিন্তু বর্তমান সময়ে শিক্ষকরা যখন রাস্তায় নেমেছেন, তখন পুলিশ দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানোর ঘটনায় এনসিপি তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে।

এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ অঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, এবং শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত নেতৃত্বে ১২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে একটি প্রতিনিধি দল জাতীয় শহীদ মিনারে শিক্ষকদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন। এনসিপি জানিয়েছে, শিক্ষকদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এই লড়াই চালিয়ে যাবে।

নেতৃবৃন্দ জানান, এনসিপি মনে করছে, স্বাধীনতার পর থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত শিক্ষা ব্যবস্থার ধ্বংস ও শিক্ষকদের অবমূল্যায়নের প্রক্রিয়া বন্ধ করে নতুন ও কার্যকর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। ছাত্র–জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরও সরকারের প্রত্যাশিত শিক্ষা সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ হয়নি।

জাতীয় নাগরিক পার্টি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শিক্ষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ। আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নতুন বাংলাদেশের ইশতেহারে ২৪ দফার মধ্যে শিক্ষাকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র ও মর্যাদাপূর্ণ বেতন কাঠামো তৈরির অঙ্গীকার করেছেন। এনসিপি জানিয়েছেন, আগামী দিনে শিক্ষকদের অধিকার, সম্মানজনক বেতন কাঠামো এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তারা কাজ চালিয়ে যাবে।