ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোর মনিরামপুরে অনুমোদনহীন হোমিওপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযান,পরিচালককে জরিমানা

  • আপডেট সময়: ১১:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
  • ৮০ জন দেখেছে
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার:যশোরের মণিরামপুরে অনুমোদনহীনভাবে পরিচালিত “আপো হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়” নামক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সুশীল কুমার দাসকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুর আড়াইটা দিকে মণিরামপুর সরকারি কলেজ সংলগ্ন প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নিয়াজ মাখদুম। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) যশোর জেলা কার্যালয়ের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

অভিযোগ রয়েছে, সুশীল কুমার দাস কোনো অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই দেশের বিভিন্ন জেলায় ৫০-৬০টি শাখা খুলে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও সনদ বাণিজ্য চালিয়ে আসছিলেন।

বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪৪ ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

যশোর মনিরামপুরে অনুমোদনহীন হোমিওপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযান,পরিচালককে জরিমানা

আপডেট সময়: ১১:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার:যশোরের মণিরামপুরে অনুমোদনহীনভাবে পরিচালিত “আপো হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়” নামক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সুশীল কুমার দাসকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুর আড়াইটা দিকে মণিরামপুর সরকারি কলেজ সংলগ্ন প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নিয়াজ মাখদুম। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) যশোর জেলা কার্যালয়ের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

অভিযোগ রয়েছে, সুশীল কুমার দাস কোনো অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই দেশের বিভিন্ন জেলায় ৫০-৬০টি শাখা খুলে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও সনদ বাণিজ্য চালিয়ে আসছিলেন।

বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪৪ ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।