ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাত-পা নেই, মুখ দিয়ে লিখে জিপিএ-৫ পেল লিতুন জিরা

  • আপডেট সময়: ১০:০০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
  • ৯২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:জন্ম থেকেই নেই হাত-পা। কিন্তু হার না মানা এক সাহসী স্বপ্নবাজ কিশোরীর নাম লিতুন জিরা। যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামে বেড়ে ওঠা এই মেয়ে এবার এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে—আর এই সাফল্য এসেছে শুধু মুখ দিয়ে লিখে!

লিতুন জিরা উপজেলার গোপালপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলাফল প্রকাশের দিন বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) পরিবারে বইেে যায় আনন্দের জোয়ার। বাবা হাবিবুর রহমান ও মা জাহানারা বেগম-এর চোখে আনন্দাশ্রু, আর চারপাশে লিতুনের এই দুর্দান্ত জয়ের গল্প।

লিতুন জানায়, “আমি আরও পড়তে চাই। একদিন চিকিৎসক হবো—সেই স্বপ্ন নিয়েই এগোচ্ছি।” শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বাধা মনে করেন না সে। বরং নিজের দৃঢ় মনোবল আর ইচ্ছাশক্তিকে হাতিয়ার করে পাড়ি দিচ্ছে প্রতিকূলতার পাহাড়।

মাত্র মুখ দিয়ে কলম ধরে লিখেই সে এর আগেও কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও জেএসসি পরীক্ষায় পেয়েছে বৃত্তি, ছিল শ্রেণির সেরা শিক্ষার্থী। শুধু পড়ালেখাতেই নয়, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও পেয়েছে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের স্বীকৃতি।

লিতুন জিরা তাদের পরিবারের ছোট সন্তান। তার বড় ভাই ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। আর লিতুন এগিয়ে চলেছে অদম্য সাহস আর অবিরাম স্বপ্ন নিয়ে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

হাত-পা নেই, মুখ দিয়ে লিখে জিপিএ-৫ পেল লিতুন জিরা

আপডেট সময়: ১০:০০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:জন্ম থেকেই নেই হাত-পা। কিন্তু হার না মানা এক সাহসী স্বপ্নবাজ কিশোরীর নাম লিতুন জিরা। যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রামে বেড়ে ওঠা এই মেয়ে এবার এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে—আর এই সাফল্য এসেছে শুধু মুখ দিয়ে লিখে!

লিতুন জিরা উপজেলার গোপালপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলাফল প্রকাশের দিন বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) পরিবারে বইেে যায় আনন্দের জোয়ার। বাবা হাবিবুর রহমান ও মা জাহানারা বেগম-এর চোখে আনন্দাশ্রু, আর চারপাশে লিতুনের এই দুর্দান্ত জয়ের গল্প।

লিতুন জানায়, “আমি আরও পড়তে চাই। একদিন চিকিৎসক হবো—সেই স্বপ্ন নিয়েই এগোচ্ছি।” শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বাধা মনে করেন না সে। বরং নিজের দৃঢ় মনোবল আর ইচ্ছাশক্তিকে হাতিয়ার করে পাড়ি দিচ্ছে প্রতিকূলতার পাহাড়।

মাত্র মুখ দিয়ে কলম ধরে লিখেই সে এর আগেও কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও জেএসসি পরীক্ষায় পেয়েছে বৃত্তি, ছিল শ্রেণির সেরা শিক্ষার্থী। শুধু পড়ালেখাতেই নয়, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও পেয়েছে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের স্বীকৃতি।

লিতুন জিরা তাদের পরিবারের ছোট সন্তান। তার বড় ভাই ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। আর লিতুন এগিয়ে চলেছে অদম্য সাহস আর অবিরাম স্বপ্ন নিয়ে।