ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চবিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, ভাঙচুর

  • আপডেট সময়: ০৭:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৫৮ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ব্যাংকের লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের তিনজন আহত হয়েছেন।

বিবদমান গ্রুপ দুইটি হলো বাংলার মুখ ও ভার্সিটি এক্সপ্রেস (ভিএক্স) । দুটি পক্ষই চট্টগ্রাম মেয়র আ জ ম নাছিরের অনুসারী বলে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন অগ্রণী ব্যাংকে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত হয়। যা পরে শহীদ আবদুর রব হলের সামনে গিয়ে সংঘর্ষে রুপ নেয়।

আহতরা হলেন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শাহ আজহার তীব্র, ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী লাবিদ শাহরিয়ার এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১ম বর্ষের মো. শিফন। এদের মধ্যে প্রথম দুইজন বাংলার মুখ গ্রুপের কর্মী এবং অপরজন ভিএক্স গ্রুপের কর্মী। আহতদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে জানান চবি মেডিকেল সেন্টারের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব।

সূত্রে জানা যায়, বিভাগের পরীক্ষার ফি জমা দিতে ব্যাংকের নির্দিষ্ট লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন বাংলার মুখের দুই সদস্য। একই সময়ে ভিএক্সের দুই সদস্য লাইনে না দাঁড়িয়ে জোরপূর্বক ফি জমা দিতে চাইলে এর প্রতিবাদ করেন বাংলার মুখের দুই সদস্য। এসময় ভিএক্সের দুই সদস্য তাদেরকে চড় থাপ্পড় দেয়। এ ঘটনার জেরে পরে শহীদ আবদুর রব হলের সামনে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টার ঘটনা এসময় উভয় পক্ষের তিনজন আহত হয়। এ ঘটনায় আব্দুর রব হলের অন্তত ৮ টি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ভিএক্স গ্রুপের নেতা ও সাবেক উপ-দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান বিপুল বলেন, জুনিয়রদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়া হয়েছে। একই কথা বললেন বাংলার মুখের নেতা ও সাবেক শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক আমির সোহেল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) প্রণব মিত্র চৌধুরী বলেন, দুই পক্ষ বসে বিষয়টা সমাধান করে নিয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

চবিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, ভাঙচুর

আপডেট সময়: ০৭:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ব্যাংকের লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের তিনজন আহত হয়েছেন।

বিবদমান গ্রুপ দুইটি হলো বাংলার মুখ ও ভার্সিটি এক্সপ্রেস (ভিএক্স) । দুটি পক্ষই চট্টগ্রাম মেয়র আ জ ম নাছিরের অনুসারী বলে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন অগ্রণী ব্যাংকে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত হয়। যা পরে শহীদ আবদুর রব হলের সামনে গিয়ে সংঘর্ষে রুপ নেয়।

আহতরা হলেন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শাহ আজহার তীব্র, ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী লাবিদ শাহরিয়ার এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১ম বর্ষের মো. শিফন। এদের মধ্যে প্রথম দুইজন বাংলার মুখ গ্রুপের কর্মী এবং অপরজন ভিএক্স গ্রুপের কর্মী। আহতদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে জানান চবি মেডিকেল সেন্টারের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব।

সূত্রে জানা যায়, বিভাগের পরীক্ষার ফি জমা দিতে ব্যাংকের নির্দিষ্ট লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন বাংলার মুখের দুই সদস্য। একই সময়ে ভিএক্সের দুই সদস্য লাইনে না দাঁড়িয়ে জোরপূর্বক ফি জমা দিতে চাইলে এর প্রতিবাদ করেন বাংলার মুখের দুই সদস্য। এসময় ভিএক্সের দুই সদস্য তাদেরকে চড় থাপ্পড় দেয়। এ ঘটনার জেরে পরে শহীদ আবদুর রব হলের সামনে দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টার ঘটনা এসময় উভয় পক্ষের তিনজন আহত হয়। এ ঘটনায় আব্দুর রব হলের অন্তত ৮ টি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ভিএক্স গ্রুপের নেতা ও সাবেক উপ-দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান বিপুল বলেন, জুনিয়রদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়া হয়েছে। একই কথা বললেন বাংলার মুখের নেতা ও সাবেক শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক আমির সোহেল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) প্রণব মিত্র চৌধুরী বলেন, দুই পক্ষ বসে বিষয়টা সমাধান করে নিয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।