স্টাফ রিপোর্টার:যশোরে অস্ত্রের মুখে নৈশপ্রহরীকে জিম্মি করে একটি ইজিবাইকের শোরুমে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
ডাকাতরা ট্রাক ভিড়িয়ে দোকান থেকে ১৫০ পিচ ব্যাটারী, টায়ার ও ইজিবাইকের বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ নিয়ে গেছে। এঘটনায় দোকান মালিক আবুল কাশেম বাদী হয়ে আজ্ঞাত নামা ডাকাত দলকে আসামী করে যশোর কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। খবর পেয়ে যশোরের পুলিশ সুপার জিয়া উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশের অন্যান্য টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে যশোর উপশহর মেইন রোডস্থ গোল্ডেন বাইক নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডাকাত দলের সদস্যরা হেকছো ব্লেড দিয়ে দোকানের প্রধান দরজার তালা কেটে ও শাটার্র ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে দোকানের ভিতর ঢাকা থাকা সকল মালামাল ট্রাকে ভরে নিয়ে গেছে। যা পাশ্ববর্তী দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে। ঢাকাতে ঘটনার প্রমাণ মুছে ফেলার জন্য ডাকাতরা ডাকাতি করে চলে যাওয়ার সময় দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার কম্পিউটার, হার্ডডিস্কসহ যন্ত্রপাতি খুলে নিয়ে যায়।
দোকানের স্বত্বাধিকারী আবুল কাশেম বলেন সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যাচ্ছে,গত শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে একটি নাম্বার বিহীন মিনি ট্রাক যোগে একদল সশস্ত্র ডাকাতদল যশোর নতুন উপশহরের কবরস্থান মেইন রোডস্থ গোল্ডে বাইকের শোরুমে হানা দেয়। তারা দোকানের নাইট গার্ড আবুল হোসেনকে অস্ত্রে মুখে জিম্মি করে হাত পা ও মুখ বেঁধে দোকানের তালা হেক্স ব্লেড দিয়ে কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাত দলের সদস্যরা দোকানের মেঝেতে রাখা ১৫০ পিচ ইজিবাইকের ব্যাটারী, টায়ার ও খুচরা যন্ত্রাংশ পিক আপ ট্রাকে বোঝাই দিয়ে নিয়ে চলে যায়। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে মেইন রোডে ডাকাতি করলেও সে সময় উক্ত রাস্তায় কোন পুলিশী টহল চোখে পড়েনি। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। গতকাল বেলা ১টার সাড়ে ১টার দিকে পুলিশ সুপার জিয়া উদ্দিনসহ পুলিশের উধ্বতন কর্মকতারা ঘটান্থল পরিদর্শন করেন। এসময় দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির এ এস আই ইসারত ও দুই কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেন।
এদিকে একই রাতে যশোর শহরের নীলগঞ্জ বিসিক এলাকায় একটি দোকানেও অনুরুপ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্তিতির অবনতি ঘটায় ব্যবসায়ী মহলে আতঙ্ক বিরাজ করছে।





















