ঢাকা ০৯:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিমান্ড শেষে কারাগারে ছাগলকাণ্ডের মতিউর

  • আপডেট সময়: ০৬:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৮৭ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ছাগলকাণ্ডে বিতর্কিত এনবিআরের সাবেক সদস্য মতিউর রহমানকে ভাটারা থানার অস্ত্র মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। কারাগারে বিধি অনুযায়ী ডিভিশন ও চিকিৎসা সুবিধা পাবেন মতিউর রহমান।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে স্ত্রীসহ ডিবির হাতে গ্রেফতার হন এনবিআরের সাবেক এ কর্মকর্তা। এ সময় তার কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র ও ২৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন তাকে ভাটারা থানায় অস্ত্র আইনের মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে ঢাকার আদালতে তোলা হলে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় তার স্ত্রী লায়লা কানিজকে কারাগারে পাঠানো হয় ওইদিনই।

গত বছরের কোরবানির ঈদে ঢাকার সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১২ লাখ টাকার একটি ছাগল কিনে আলোচনার জন্ম দেন মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত। এছাড়া কেনেন আরো কয়েক লাখ টাকার গরু। এরপর থেকে মতিউর রহমানের ছেলের দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন; মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে সম্পত্তি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এ ধারাবাহিকতায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মতিউর রহমানকে। এরপর গত ৩১ জুলাই তাকে সেচ্ছায় অবসরে পাঠায় সরকার।

এদিকে দুদকের অনুসন্ধান শেষে মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে থাকা বহু জমি এবং ঢাকায় চারটি অ্যাপার্টমেন্ট (ফ্ল্যাট) জব্দের আদেশ দেন আদালত। পাশাপাশি তাদের নামে থাকা ১১৬টি ব্যাংক হিসাবে জমা থাকা ১৩ কোটি ৪৪ টাকাও অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত। সেইসঙ্গে তাদের নামে থাকা ২৩টি বিও হিসাব (শেয়ার ব্যবসার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ করারও আদেশও আসে।

এছাড়া, মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে দুদক।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

রিমান্ড শেষে কারাগারে ছাগলকাণ্ডের মতিউর

আপডেট সময়: ০৬:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ছাগলকাণ্ডে বিতর্কিত এনবিআরের সাবেক সদস্য মতিউর রহমানকে ভাটারা থানার অস্ত্র মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। কারাগারে বিধি অনুযায়ী ডিভিশন ও চিকিৎসা সুবিধা পাবেন মতিউর রহমান।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে স্ত্রীসহ ডিবির হাতে গ্রেফতার হন এনবিআরের সাবেক এ কর্মকর্তা। এ সময় তার কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র ও ২৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন তাকে ভাটারা থানায় অস্ত্র আইনের মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে ঢাকার আদালতে তোলা হলে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় তার স্ত্রী লায়লা কানিজকে কারাগারে পাঠানো হয় ওইদিনই।

গত বছরের কোরবানির ঈদে ঢাকার সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১২ লাখ টাকার একটি ছাগল কিনে আলোচনার জন্ম দেন মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত। এছাড়া কেনেন আরো কয়েক লাখ টাকার গরু। এরপর থেকে মতিউর রহমানের ছেলের দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন; মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে সম্পত্তি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এ ধারাবাহিকতায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মতিউর রহমানকে। এরপর গত ৩১ জুলাই তাকে সেচ্ছায় অবসরে পাঠায় সরকার।

এদিকে দুদকের অনুসন্ধান শেষে মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে থাকা বহু জমি এবং ঢাকায় চারটি অ্যাপার্টমেন্ট (ফ্ল্যাট) জব্দের আদেশ দেন আদালত। পাশাপাশি তাদের নামে থাকা ১১৬টি ব্যাংক হিসাবে জমা থাকা ১৩ কোটি ৪৪ টাকাও অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত। সেইসঙ্গে তাদের নামে থাকা ২৩টি বিও হিসাব (শেয়ার ব্যবসার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ করারও আদেশও আসে।

এছাড়া, মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে দুদক।