স্টাফ রিপোর্টার:যশোর উপশহরে যশোর গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তার সহযোগিতায় আর নিজেদের অশুভ ক্ষমতার দাপটে লিঠু-মুনসুর ৫০০ এর অধিক গাছ বিক্রি করে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার মালিক হয়ে নিজেদের উত্থান ঘটিয়েছে।
জানা যায়, উপশহর ইউনিয়ন পরিষদে ১৯৭৩ সাল হতে এ পর্যন্ত হাবিবুর রহমান হবি ৩ বার জনগণের ভোটে সন্মানিত চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। উনি চেয়ারম্যান থাকাকালীন ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের সর্বত্র বহু বৃক্ষ রোপণ করেন,উপশহরের গর্ব ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান,যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ভাইয়ের আমলেও ইউনিয়ন ব্যাপি অগনিত গাছ লাগান পরিবেশ সুন্দর রাখার জন্য।উপশহরের কৃতি সন্তান সকলের শ্রদ্ধেয় খালেক চাচা, মিজানুর রহমান খান সহ রুনু ভাই, আজগর ভাইও পরিবেশ ভালো রাখার কথা চিন্তা করে পরিষদে চেয়ারম্যান থাকাকালীন প্রচুর গাছ লাগান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বিশ্বস্ত সূত্র প্রতিনিধিকে জানান পরিষদে আজগর ভাই চেয়ারম্যান থাকাকালীণ থেকে লিঠু-মুনসুর অসাধু যশোর গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা দীপক বাবু,তুহিন সাহেব,রেদোয়ানের সহযোগিতায় চুরি করে গাছ কেটে বিক্রি করে কিছু টাকা সাবেক কর্মকর্তাদের ভাগ দিয়ে বাকি টাকা নিজেরা ভোগ করেছে। গত ২০১৬ সালে এহসানুর রহমান লিঠু পেশি শক্তির বিনিময়ে ভোট ডাকাতি করে ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে একই ধারা বজায় রেখে দূর্নিতীর অংশ হিসেবে ক্ষমতার দাপটে উপশহরের মধ্যে বিগত চেয়ারম্যান গনের লাগানো ৫০০ এর অধিক গাছ বিক্রি করে ৫০ লাখ টাকার মধ্যে ১০ লাখ টাকা কর্মকর্তাদের দিয়েছে আর বাকি টাকা নিজেরা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছে।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যশোর গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক কর্মকর্তা দীপক বাবু,তুহিন, রেদোয়ান সাহেবের নিকট জানতে চাইলে সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি এবং এহসানুর রহমান লিঠুর নিকট অনলাইনে কল দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর এড়িয়ে যায়।





















