ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোর নিউমার্কেটে লিঠু-মুনসুরের যেভাবে উত্থান পর্ব-১

  • আপডেট সময়: ১১:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৩০৩ জন দেখেছে
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার:যশোর নিউমার্কেটে লিঠু-মুনসুর দুইজন খুব সাধারণ পরিবারের সদস্য থেকে কয়েক বছর ব্যবধানে রাতারাতি প্রত্যেকে শত কোটি টাকার মালিক বনে যান।

জানা যায়,এহসানুর রহমান রহমান লিঠু ছিলেন একজন বাবুর্চি এক সময় যশোর পুরাতন কসবা কাজীপাড়ায় বিশ্বাস ডেকোরেটর নামে তার একটা প্রতিষ্ঠান ছিল,কোনোরকম টুন টুন করে সেই ডেকোরেটর ব্যবসা চালাতো,তখন সেই সুবাদে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লুটতোরাজ,খুনি-খুনির গডফাদার,চোরাকারবারির প্রধান,স্মাগলারের প্রধান,মাদক সম্রাট, চাঁদাবাজির গডফাদার,লম্পট,পরসম্পদ লোভী,অস্ত্র ব্যবসায়ের প্রধান সেন্ডিকেট,পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী,ভোট ডাকাতির প্রধান,যশোরের কুলাঙ্গার, জন মানুষের শত্রু,যশোরের প্রধান ভূমি দস্যু শাহীন চাকলাদারের আশীর্বাদ পুস্ট হয়ে ধরাকে সরাজ্ঞান ভেবে উপশহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় শক্তিশালী ক্যাডার বাহিনী গড়ে তোলে আর একাধারে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করে, অগণিত মানুষের নিকট থেকে, তাদের ঘর-বাড়ি,জমি, টাকা-পয়সা সহ মূল্যবান সম্পদ জোরপূর্বক নিজের দখলে নেওয়া সহ বাহিনীর প্রধান সৈয়দ মনসুর আলম থেকে শুরু করে বাহিনীর অন্যতম সদস্য হাবিবুর রহমান টমাস,সবুজ,রনি আরও অনেকের রাতারাতি কোটি কোটি পতি বানিয়েছে। এই মিশনে প্রথমেই এ ব্লকের প্রকৃত মালিক মহিউদ্দিনের ২০৮ নম্বর বাড়িটিতে লিঠু ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে। এরপর কিভাবে কিছুদিন পর বাড়িটির প্রকৃত মালিক মহিউদ্দিন সাহেব উনার নিজ বাড়ি থেকে নেমে যান এবং এলাকায় চাউর হয় এহসানুর রহমান লিঠু বাড়ি টি মহিউদ্দিন সাহেবের নিকট থেকে রহস্যজনক ভাবে নিজের নামে লিখে নিয়ে বিশ্বাস বাড়ি নামকরণ করেছেন। এখানেই তিনি থেমে থাকেন নি প্রায় শতভাগ শিক্ষিত এলাকায় তার মত অযোগ্য ব্যক্তি শুধুমাত্র পেশি শক্তির বিনিময়ে অস্ত্রপাতির মহড়া দিয়ে মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার বঞ্চিত করে তার নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ভোট কেটে,ভোট ডাকাতি করে ৫ নম্বর উপশহর ইউনিয়ন পরিষদে দুই দুই বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়,এহসানুর রহমান লিঠু শুধু নিজে পেশি শক্তির বিনিময়ে পরিষদের চেয়ারম্যান হন নি,তার এবং মুনসুরের নির্দেশে দিনদুপুরে প্রকাশ্যে ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কাজলকে খুন করিয়ে সেই আসামি হাবিবুর রহমান টমাস, সবুজ আরও আসামিদের টাকার বিনিময়ে নিরাপদ রাখার সকল ধরনের ব্যবস্থা করে আর পুরস্কার হিসেবে জনগণের ভোট বাদে নিজেরা নিজেদের পক্ষে ভোট কেটে হয়ে যায় ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার।

এলাকাবাসি জানান,লিঠু-মুনসুর সবুজ টমাস কে পরিষদের মেম্বার বানিয়ে মানুষের উপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছেন আর সকল ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড ছিল অবাধ।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

যশোর নিউমার্কেটে লিঠু-মুনসুরের যেভাবে উত্থান পর্ব-১

আপডেট সময়: ১১:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার:যশোর নিউমার্কেটে লিঠু-মুনসুর দুইজন খুব সাধারণ পরিবারের সদস্য থেকে কয়েক বছর ব্যবধানে রাতারাতি প্রত্যেকে শত কোটি টাকার মালিক বনে যান।

জানা যায়,এহসানুর রহমান রহমান লিঠু ছিলেন একজন বাবুর্চি এক সময় যশোর পুরাতন কসবা কাজীপাড়ায় বিশ্বাস ডেকোরেটর নামে তার একটা প্রতিষ্ঠান ছিল,কোনোরকম টুন টুন করে সেই ডেকোরেটর ব্যবসা চালাতো,তখন সেই সুবাদে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লুটতোরাজ,খুনি-খুনির গডফাদার,চোরাকারবারির প্রধান,স্মাগলারের প্রধান,মাদক সম্রাট, চাঁদাবাজির গডফাদার,লম্পট,পরসম্পদ লোভী,অস্ত্র ব্যবসায়ের প্রধান সেন্ডিকেট,পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী,ভোট ডাকাতির প্রধান,যশোরের কুলাঙ্গার, জন মানুষের শত্রু,যশোরের প্রধান ভূমি দস্যু শাহীন চাকলাদারের আশীর্বাদ পুস্ট হয়ে ধরাকে সরাজ্ঞান ভেবে উপশহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় শক্তিশালী ক্যাডার বাহিনী গড়ে তোলে আর একাধারে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করে, অগণিত মানুষের নিকট থেকে, তাদের ঘর-বাড়ি,জমি, টাকা-পয়সা সহ মূল্যবান সম্পদ জোরপূর্বক নিজের দখলে নেওয়া সহ বাহিনীর প্রধান সৈয়দ মনসুর আলম থেকে শুরু করে বাহিনীর অন্যতম সদস্য হাবিবুর রহমান টমাস,সবুজ,রনি আরও অনেকের রাতারাতি কোটি কোটি পতি বানিয়েছে। এই মিশনে প্রথমেই এ ব্লকের প্রকৃত মালিক মহিউদ্দিনের ২০৮ নম্বর বাড়িটিতে লিঠু ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে। এরপর কিভাবে কিছুদিন পর বাড়িটির প্রকৃত মালিক মহিউদ্দিন সাহেব উনার নিজ বাড়ি থেকে নেমে যান এবং এলাকায় চাউর হয় এহসানুর রহমান লিঠু বাড়ি টি মহিউদ্দিন সাহেবের নিকট থেকে রহস্যজনক ভাবে নিজের নামে লিখে নিয়ে বিশ্বাস বাড়ি নামকরণ করেছেন। এখানেই তিনি থেমে থাকেন নি প্রায় শতভাগ শিক্ষিত এলাকায় তার মত অযোগ্য ব্যক্তি শুধুমাত্র পেশি শক্তির বিনিময়ে অস্ত্রপাতির মহড়া দিয়ে মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার বঞ্চিত করে তার নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ভোট কেটে,ভোট ডাকাতি করে ৫ নম্বর উপশহর ইউনিয়ন পরিষদে দুই দুই বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়,এহসানুর রহমান লিঠু শুধু নিজে পেশি শক্তির বিনিময়ে পরিষদের চেয়ারম্যান হন নি,তার এবং মুনসুরের নির্দেশে দিনদুপুরে প্রকাশ্যে ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কাজলকে খুন করিয়ে সেই আসামি হাবিবুর রহমান টমাস, সবুজ আরও আসামিদের টাকার বিনিময়ে নিরাপদ রাখার সকল ধরনের ব্যবস্থা করে আর পুরস্কার হিসেবে জনগণের ভোট বাদে নিজেরা নিজেদের পক্ষে ভোট কেটে হয়ে যায় ৫ নং উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার।

এলাকাবাসি জানান,লিঠু-মুনসুর সবুজ টমাস কে পরিষদের মেম্বার বানিয়ে মানুষের উপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছেন আর সকল ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড ছিল অবাধ।