ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘুষ নেয়ায় বরখাস্ত দুদকের দুই কর্মকর্তা

  • আপডেট সময়: ০৮:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩
  • ১৪৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ঘুষ নেয়ার অভিযোগে সহকারী পরিচালক ও উপ-সহকারী পরিচালক পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর সই করা আদেশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- দুদকের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান ও উপসহকারী পরিচালক সুদীপ কুমার চৌধুরী।

মোস্তাফিজুর রহমানের সাময়িক বরখাস্তের আদেশে বলা হয়েছে, পাবনায় উপসহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকাকালে তিনি মো. সামছুল হক নামে এক ব্যক্তির কাছে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে ৭৬ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। ঘুষ গ্রহণ করে তিনি চাকরি শৃঙ্খলাপরিপন্থী কাজ করেছেন। এর ফলে, দুদকের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

অন্যদিকে সুদীপ কুমার চৌধুরী বগুড়ায় উপসহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকাকালে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেনের সম্পদ বিবরণী যাচাই করেন। সে সময় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির আশ্বাস দিয়ে ঘুষ দাবি করেন। এ ছাড়া ঘুষ গ্রহণের কথোপকথনের অডিও রেকর্ড দুদকের ফরেনসিক ল্যাব বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তা সুদীপ কুমারের বলে জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে সুদীপ কুমার দুদকের নির্দেশনা অমান্য করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এর আগে গত ১২ জুলাই দুই কর্মকর্তাকে নিজ কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছিল।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঘুষ নেয়ায় বরখাস্ত দুদকের দুই কর্মকর্তা

আপডেট সময়: ০৮:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ঘুষ নেয়ার অভিযোগে সহকারী পরিচালক ও উপ-সহকারী পরিচালক পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর সই করা আদেশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- দুদকের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান ও উপসহকারী পরিচালক সুদীপ কুমার চৌধুরী।

মোস্তাফিজুর রহমানের সাময়িক বরখাস্তের আদেশে বলা হয়েছে, পাবনায় উপসহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকাকালে তিনি মো. সামছুল হক নামে এক ব্যক্তির কাছে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে ৭৬ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। ঘুষ গ্রহণ করে তিনি চাকরি শৃঙ্খলাপরিপন্থী কাজ করেছেন। এর ফলে, দুদকের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

অন্যদিকে সুদীপ কুমার চৌধুরী বগুড়ায় উপসহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকাকালে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেনের সম্পদ বিবরণী যাচাই করেন। সে সময় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির আশ্বাস দিয়ে ঘুষ দাবি করেন। এ ছাড়া ঘুষ গ্রহণের কথোপকথনের অডিও রেকর্ড দুদকের ফরেনসিক ল্যাব বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তা সুদীপ কুমারের বলে জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে সুদীপ কুমার দুদকের নির্দেশনা অমান্য করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এর আগে গত ১২ জুলাই দুই কর্মকর্তাকে নিজ কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছিল।