ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুকুমার দা’র আজ সশ্রদ্ধ চিত্তে চিরতরে বিদায়

  • আপডেট সময়: ০৯:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩
  • ১১৬ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:আমাদের সুকুমার দা’র আজ সশ্রদ্ধ চিত্তে চিরতরে বিদায় জানানো হয়েছে।জানাযায়, গতকাল ১২ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ রাত ৯.১৫ মিঃ সুকুমার দার জীবনাবসান ঘটে। অতি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা সুকুমার দাস যশোরের সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য জনপ্রিয় নাম।

১৯৭২ সালে ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে প্রগতিশীলতার হাতেখড়ি। কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) র সিদ্ধান্ত মোতাবেক গণমানুষের সাংস্কৃতিক জাগরণের সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে উদীচীতে যোগদান এবং সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উদীচী সংগঠনের সংগীত ” আর্শির সামনে একা একা দাঁড়িয়ে যদি ভাবি কোটি জনতার মুখ দেখবো কে বলেছে হয়না এসো এই মঞ্চে উদীচী এমনই এক আয়না – এর সুরকার সুকুমার দাস। যশোর সাংস্কৃতিক চর্চার প্রাচীনতম স্থান এবং নানা গুনি শিল্পীর জন্ম হলেও গণমানুষের সাংস্কৃতিক জাগরণের লক্ষ্যে গণসংগীতের শিল্পী ও সংগঠক হিসেবে তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ।

সামরিক স্বৈরচার,যুদ্ধাপরাধী বিচারের দাবীতে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চসহ সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী আন্দোলনে যশোরের সাংস্কৃতিক সংগঠনের সম্মিলিত প্রয়াসে তিনি ছিলেন অভিভাবক। দীর্ঘ সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অসংখ্য সহযোদ্ধা, শুভানুধ্যায়ী এবং শিক্ষাগুরু হিসেবে সুকুমার দার সংগঠন পুনশ্চ সহ অগণিত শিক্ষার্থী আপনার অকাল বিদায়ে শোকে মুহ্যমান।সুকুমার দা আর দেখা হবে না, দরাজকন্ঠের গণসংগীত শুনতে পাওয়া যাবেনা। শেষ বিদায়ে সুকুমার দাকে আরও একবার বিনম্র শ্রদ্ধা ।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

বিদ্রোহ থামেনি

সুকুমার দা’র আজ সশ্রদ্ধ চিত্তে চিরতরে বিদায়

আপডেট সময়: ০৯:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:আমাদের সুকুমার দা’র আজ সশ্রদ্ধ চিত্তে চিরতরে বিদায় জানানো হয়েছে।জানাযায়, গতকাল ১২ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ রাত ৯.১৫ মিঃ সুকুমার দার জীবনাবসান ঘটে। অতি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা সুকুমার দাস যশোরের সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য জনপ্রিয় নাম।

১৯৭২ সালে ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে প্রগতিশীলতার হাতেখড়ি। কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) র সিদ্ধান্ত মোতাবেক গণমানুষের সাংস্কৃতিক জাগরণের সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে উদীচীতে যোগদান এবং সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উদীচী সংগঠনের সংগীত ” আর্শির সামনে একা একা দাঁড়িয়ে যদি ভাবি কোটি জনতার মুখ দেখবো কে বলেছে হয়না এসো এই মঞ্চে উদীচী এমনই এক আয়না – এর সুরকার সুকুমার দাস। যশোর সাংস্কৃতিক চর্চার প্রাচীনতম স্থান এবং নানা গুনি শিল্পীর জন্ম হলেও গণমানুষের সাংস্কৃতিক জাগরণের লক্ষ্যে গণসংগীতের শিল্পী ও সংগঠক হিসেবে তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ।

সামরিক স্বৈরচার,যুদ্ধাপরাধী বিচারের দাবীতে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চসহ সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী আন্দোলনে যশোরের সাংস্কৃতিক সংগঠনের সম্মিলিত প্রয়াসে তিনি ছিলেন অভিভাবক। দীর্ঘ সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অসংখ্য সহযোদ্ধা, শুভানুধ্যায়ী এবং শিক্ষাগুরু হিসেবে সুকুমার দার সংগঠন পুনশ্চ সহ অগণিত শিক্ষার্থী আপনার অকাল বিদায়ে শোকে মুহ্যমান।সুকুমার দা আর দেখা হবে না, দরাজকন্ঠের গণসংগীত শুনতে পাওয়া যাবেনা। শেষ বিদায়ে সুকুমার দাকে আরও একবার বিনম্র শ্রদ্ধা ।