ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাল্যবিয়েতে দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় বাংলাদেশ

  • আপডেট সময়: ০৭:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১৪৭ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বাল্যবিয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয়। বাংলাদেশের নীচে আছে একমাত্র আফগানিস্তান। শতচেষ্টা করেও বাল্যবিয়ে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ঠেকানো যাচ্ছে না।

আজ সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭, বাল্যবিয়ে নিরোধ বিধিমালা ২০১৮, জেন্ডার সমতা ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন’ কর্মশালায় এসব তথ্য জানান আয়োজকরা।

প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় ঢাকা আহছানিয়া মিশন এই কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, বাংলাদেশে এখনো ২৫ শতাংশ বাল্যবিয়ে হচ্ছে। সামাজিক সচেতনতা, নিরাপত্তার অভাব ও দারিদ্রতাই বাল্যবিয়ের মূল কারণ। আমাদের এসব পরিস্থিতি থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে এই সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নিতে কাজ করছে সরকার।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল লতিফ বলেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করতে জনপ্রতিনিধি, কাজী, আইনজীবী, সাংবাদিকেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ১০৯ নম্বরে ডায়াল করলে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছেন বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে। সমাজের সব শ্রেণী পেশার মানুষ সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলে বাল্যবিয়ে শূন্যের কোঠায় আনা সম্ভব।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাল্যবিয়েতে দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় বাংলাদেশ

আপডেট সময়: ০৭:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বাল্যবিয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয়। বাংলাদেশের নীচে আছে একমাত্র আফগানিস্তান। শতচেষ্টা করেও বাল্যবিয়ে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ঠেকানো যাচ্ছে না।

আজ সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭, বাল্যবিয়ে নিরোধ বিধিমালা ২০১৮, জেন্ডার সমতা ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন’ কর্মশালায় এসব তথ্য জানান আয়োজকরা।

প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় ঢাকা আহছানিয়া মিশন এই কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, বাংলাদেশে এখনো ২৫ শতাংশ বাল্যবিয়ে হচ্ছে। সামাজিক সচেতনতা, নিরাপত্তার অভাব ও দারিদ্রতাই বাল্যবিয়ের মূল কারণ। আমাদের এসব পরিস্থিতি থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে এই সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নিতে কাজ করছে সরকার।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল লতিফ বলেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করতে জনপ্রতিনিধি, কাজী, আইনজীবী, সাংবাদিকেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ১০৯ নম্বরে ডায়াল করলে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছেন বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে। সমাজের সব শ্রেণী পেশার মানুষ সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলে বাল্যবিয়ে শূন্যের কোঠায় আনা সম্ভব।