ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় শিক্ষককে মারধর করা আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার

  • আপডেট সময়: ০৯:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ জুলাই ২০২২
  • ১৬০ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:খুলনার কয়রা উপজেলার উত্তরচক আমিনীয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাসুদুর রহমানকে মারধর করার মামলায় কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব৷

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে র‍্যাব-৬ এর একটি দল বাড়ি থেকে বাহারুলকে গ্রেপ্তার করে ।

কয়রা থানার ওসি এ বি এম এস দোহা জানান, ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করার পর র‍্যাব সদস্যরা শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাকে কয়রা থানায় হস্তান্তর করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে মারধরের শিকার ওই শিক্ষকের স্ত্রী সাদিয়া সুলতানা বাদি হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলামসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মারধর মামলা দায়ের করেন।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান জানান, গত ১৮ জুলাই মাদ্রাসায় কাজ করার সময় চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলামের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন এসে তাকে মারধর করে। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মারধরের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, মাদ্রাসাটি ঢাকার ইসলামিক অ্যারাবিক ইউনিভার্সিটির আওতাভুক্ত ৷ সম্প্রতি তারা পার্শ্ববর্তী মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে এই মাদ্রাসার সভাপতি নিযুক্ত করেছেন। সদর ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলামও এই মাদ্রাসার সভাপতি হতে আগ্রহী ছিলেন।

বাহারুল ইসলাম সভাপতি হতে না পারায় তাকে দায়ী করে লোকজন নিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন ওই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

খুলনায় শিক্ষককে মারধর করা আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময়: ০৯:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ জুলাই ২০২২
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:খুলনার কয়রা উপজেলার উত্তরচক আমিনীয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাসুদুর রহমানকে মারধর করার মামলায় কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব৷

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে র‍্যাব-৬ এর একটি দল বাড়ি থেকে বাহারুলকে গ্রেপ্তার করে ।

কয়রা থানার ওসি এ বি এম এস দোহা জানান, ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করার পর র‍্যাব সদস্যরা শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাকে কয়রা থানায় হস্তান্তর করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে মারধরের শিকার ওই শিক্ষকের স্ত্রী সাদিয়া সুলতানা বাদি হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলামসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মারধর মামলা দায়ের করেন।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান জানান, গত ১৮ জুলাই মাদ্রাসায় কাজ করার সময় চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলামের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন এসে তাকে মারধর করে। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মারধরের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, মাদ্রাসাটি ঢাকার ইসলামিক অ্যারাবিক ইউনিভার্সিটির আওতাভুক্ত ৷ সম্প্রতি তারা পার্শ্ববর্তী মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে এই মাদ্রাসার সভাপতি নিযুক্ত করেছেন। সদর ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলামও এই মাদ্রাসার সভাপতি হতে আগ্রহী ছিলেন।

বাহারুল ইসলাম সভাপতি হতে না পারায় তাকে দায়ী করে লোকজন নিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন ওই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ।