ঢাকা ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে আবারো যুবক খুন

  • আপডেট সময়: ০৬:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুন ২০২২
  • ৮৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার:যশোরে লাবলু (৩৮) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার (১০ জুন) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার খোলাডাঙ্গা রেললাইনের পাশে ফজলে করিম বিশ্বাসের পারিবারিক কবরস্থান থেকে মুখে গামছা ঢুকানো উলঙ্গ অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত লাবলু খোলাডাঙ্গা কলোনিপাড়ার আব্দুল মান্নানের ছেলে।

নিহতের বাবা আব্দুল মান্নান জানায়, লাবলু আফিল গ্রুপের ডিমের ব্যবসা করতো। গতকাল রাতে বাড়ি ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান পাননি তারা। সকালে খবর পান লাবলুর লাশ পড়ে আছে ফজলে করিমের বাগানে।

নিহতের স্ত্রী সালমা বেগম বলেন, আমার স্বামী বাবলুর কোনো শত্রু ছিলো না। সে খুবই ভাল মানুষ ছিলো। কারা তাকে হত্যা করেছে বলতে পারবো না।

নিহতের ছেলে সাকিল হোসেন বলেন, কারা মেরেছে বলতে পারবো না। আজ বাবা বাবলু খুন হলো। ২০১২ সালে চাচা মনিরুজ্জামান মনির খুন হন। আর এক চাচা ট্রেনে কেটে মারা গেলেন। সেটাও খুন ছিলো। বিচার পেলাম না।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, খোলাডাঙ্গা এলাকায় দিলু ও হেমায়েত বাহিনী ছিলো। নিহত বাবলুর ভাই মনিরুজ্জামান হেমায়েত বাহিনীর সদস্য ছিলেন।

কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আটকের জন্য পুলিশ অভিযানে আছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

যশোরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২৮ জন ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ২৫ জন, চলতি বছরে মৃত্যু ২

যশোরে আবারো যুবক খুন

আপডেট সময়: ০৬:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুন ২০২২
Spread the love

লোকসমাচার:যশোরে লাবলু (৩৮) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার (১০ জুন) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার খোলাডাঙ্গা রেললাইনের পাশে ফজলে করিম বিশ্বাসের পারিবারিক কবরস্থান থেকে মুখে গামছা ঢুকানো উলঙ্গ অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত লাবলু খোলাডাঙ্গা কলোনিপাড়ার আব্দুল মান্নানের ছেলে।

নিহতের বাবা আব্দুল মান্নান জানায়, লাবলু আফিল গ্রুপের ডিমের ব্যবসা করতো। গতকাল রাতে বাড়ি ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান পাননি তারা। সকালে খবর পান লাবলুর লাশ পড়ে আছে ফজলে করিমের বাগানে।

নিহতের স্ত্রী সালমা বেগম বলেন, আমার স্বামী বাবলুর কোনো শত্রু ছিলো না। সে খুবই ভাল মানুষ ছিলো। কারা তাকে হত্যা করেছে বলতে পারবো না।

নিহতের ছেলে সাকিল হোসেন বলেন, কারা মেরেছে বলতে পারবো না। আজ বাবা বাবলু খুন হলো। ২০১২ সালে চাচা মনিরুজ্জামান মনির খুন হন। আর এক চাচা ট্রেনে কেটে মারা গেলেন। সেটাও খুন ছিলো। বিচার পেলাম না।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, খোলাডাঙ্গা এলাকায় দিলু ও হেমায়েত বাহিনী ছিলো। নিহত বাবলুর ভাই মনিরুজ্জামান হেমায়েত বাহিনীর সদস্য ছিলেন।

কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আটকের জন্য পুলিশ অভিযানে আছে।